নবীগঞ্জের গ্যাস সংযোগকারী ১৩টি ঠিকাদারী প্রতিষ্টানকে অনমোদন ॥ গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্থি
নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গ্যাস সংযোগের ক্ষেত্রে সিলেট জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ অবশেষে ২৭ দিন পর কাজের অনুমতি স্থগিতকৃত ১৩টি ঠিকাদারী প্রতিষ্টানকে পুনরায় কাজের অনুমতি দেওয়ায় নবীগঞ্জ পৌর এলাকার শত শত গ্রাহকদের মাঝে স্বস্থিঃ বিরাজ করছে। কোন রকম কারন দর্শানো ছাড়াই হঠাৎ করে গত ১০ মে জালালাবাদ সিলেট এর প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল মুমিন ১৩টি ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিতের চিঠি প্রদান করেন। যার ফলে গ্যাস সংযোগ নেয়ার জন্য যে সকল গ্রাহক ১৩ টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজনের কাছে গ্যাস সংযোগ পাবার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন সে সকল গ্রাহক চরম অশ্চিয়তায় ভুগছিলেন। তাই গ্রাহকরা জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষের উপর ক্ষোব্ধ হয়ে উঠেন।
জানা যায়, নবীগঞ্জ পৌর এলাকার ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের কাজের জন্য সিলেট জালালাবাদ গ্যাস কোম্পানী প্রথম দফায় গত ২৪ মার্চ ৫টি টিকাদারী প্রতিষ্টানকে গ্যাস সংযোগ কাজ করার অনুমতি দেয়। এতে পৌরবাসীর মধ্যে গ্যাস সংযোগ পাওয়ার ব্যাপারে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। অনুমতি প্রাপ্ত ৫টি প্রতিষ্টানের মধ্যে ২টি কাজে অংশগ্রহন না করায় বাকী ৩টি প্রতিষ্টান একচেটিয়াভাবে ব্যবসা করার পায়তারা চালিয়ে যায়। তাই সংযোগ গ্রহনকারী সাধারন মানুষ গ্যাস পেতে বিলম্বের আশংকায় আরো প্রতিষ্টানকে অনুমতি দেয়ার দাবি তোলেন। এরই পরিপেক্ষিতে সিলেট জাললাবাদ কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় দফায় পৌরবাসী গ্রাহকদের দাবীর প্রেক্ষিতে গত ১২ এপ্রিল আরো ১৩টি টিকাদারী প্রতিষ্টানকে নবীগঞ্জ পৌর এলাকায় গ্যাস সংযোগের কাজ করার অনুমতি প্রদান করে। এতে পৌরবাসীর মধ্যে স্বঃস্তি ফিরে আসে এবং সুলভ মূল্যে গ্যাস সংযোগ পাওয়ার ব্যাপারে পৌরবাসী আশান্বিত হন। কিন্তু কোন রকম কারন দর্শানো ছাড়াই গত ১০ মে জালালাবাদ সিলেট এর প্রকৌশলী আব্দুল মুমিন তালিকাভুক্ত ১৩টি ঠিকাদারী প্রতিষ্টানকে কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিতের চিঠি প্রদান করেন। ফলে এ নিয়ে গ্রাহকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়।
তাই সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গত ৬ জুন জালালাবাদ সিলেট এর প্রকৌশলী আব্দুল মুমিন ১৩টি ঠিকাদারী প্রতিষ্টানকে গ্যাস সংযোগ কাজের স্থগিতাদেশ বাতিল করে পুনরায় অনুমতি প্রদান করেন। স্থগিতের ২৭ দিন পর পুনরায় অনুমতি প্রদান করায় যে সকর গ্রাহক হতাশায় ভুগছিলেন তাদের মধ্যে এখন স্বস্তি বিরাজ করছে। তাই পৌরবাসী দ্রুত পৌর এলাকার ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের জন্য জালালাবাদ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছেন।




































