বাহুবলে অকাল বন্যায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী
স্টাফ রিপোর্টার ॥ গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষন ও ভারতের ত্রিপুরার পাহাড়ী ঢলে নেমে আসা পানিতে তলিয়ে গেছে বাহুবল উপজেলার স্কুল-কলেজ, ঘরবাড়ি, অফিস পাড়া, হাটবাজার, পুকুর, কৃষকের ফসলি জমি সহ প্রত্যন্ত অঞ্চল। উপজেলার দশকাহনিয়া, দণি বাহুবল, ভাদেশ্বর, কসবাকরিমপুর, ডুমগাঁও, ইসলামপুর, মৌড়ি, জয়নাবাদ, সুন্দ্রাটিকি, সাতকাপন, আকিলপুর, ভেড়াখাল, মানিকাসহ ৩০টি গ্রামের প্রায় তিন শতাধিক বসতবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কমপে ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পুকুর ডুবে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছের তি হয়েছে। বন্যায় এলাকার ধান সহ ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা হতাশ হয়ে পড়েছে। কিন্তু কোন চেয়ারম্যান, মেম্বার এখনো তিগ্রস্থ কৃষকের খোজখবর নিতে যাননি বলে তিগ্রস্তরা জানান। এসব এলাকার মানুষ গরু বাছুর, হাঁস মুরগী নিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছে। এতে অনেক নারী পুরুষ ও শিশুরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। সরেজমিনে এসব এলাকায় গেলে দেখা যায়, অনেকের বাড়িঘরে হাটুপানি, কারো বাড়িতে কোমর পানি। বাহুবল কলেজ, দীননাথ উচ্চ বিদ্যালয়, ছদরুল হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বাহুবল আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দশকাহনিয়া রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় ২০টি শিা প্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র ও লাইব্রেরীর মূল্যবান বইয়ের ব্যাপক য়-তি হয়েছে। উপজেলার প্রাণি সম্পদ অফিস, ৪নং বাহুবল সদর ইউপি অফিস ও সোনালী ব্যাংকে প্রবেশের রাস্তা, উপজেলা পরিষদ মাঠে পানি প্রবেশ করায় আগত জনসাধারণের চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। দীননাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্কুলের বারান্দা থেকে দাড়িয়ে কোন কোন শিক জাল ফেলে মাছ ধরছেন।
Share on Facebook


































