সাতছড়িতে ১ টাকার ক্যান্ডি ৫ টাকা, ৫ টাকার কেক ১০ টাকা

সাতছড়িতে ১ টাকার ক্যান্ডি ৫ টাকা, ৫ টাকার কেক ১০ টাকা

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় অন্যতম পাহাড়ী বনাঞ্চল সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। প্রকৃতির লীলা উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পর্যটকদের নয়ন জুরালেও তাদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম হয় যখন তারা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটে হালকা খাবার কিংবা পানীয় দ্বিগুন কিংবা তার চাইতেও বেশি মূল্যে কিনতে হয়।

দুর-দুরান্ত থেকে আগত পর্যটকরা কোম্পানি কর্তৃক ধার্য মূল্যের অধিক দিয়ে জল-খাবার কিনে কোনো প্রতিবাদ না করে চলে গেলেও স্থানীয়রা অনেকে তর্ক বিতর্ক করেন কিন্তু তাতে ব্যবসায়ীরা তাদের নিজ ধার্য মূল্যের কানা কড়িও কম নিতে রাজি হন না।

বি-বাড়িয়া থেকে সপরিবারে আসা নজরুল নামের এক পর্যটক বলেন, পাঁচ টাকা দামের ১০ কেকের মূল্য ১০০ টাকা রেখেছেন শৈলেন ভেরাইটিজ স্টোর।

বানিয়াচং উপজেলার রুবেল নামের এক পর্যটক বলেন, ভাংতি না থাকার অজুহাতে তাকে ১০ টাকার পরিবর্তে ১টাকা মূল্যের দুটি ক্যান্ডি হাতে দিয়ে তার আর কোনো কথাই শুনেননি ওই দোকানের মালিক।

দুই পর্যটকের এমন বক্তব্য শোনার পর দৈনিক জালালাবাদের চুনারুঘাট প্রতিনিধি ওই দোকানে টাইগার নামের একটি সপ্ট ড্রিংক ক্রয় করলে দোকানী তার কাছ থেকে ২৫ টাকা বডি রেইটের টাইগারের মূল্য ৩০ টাকা রাখেন।

শংকর শীল এর প্রতিবাদ করলে দোকানের প্রোপ্রাইটর সমীরণ দেববর্মা বলেন, এখানে কেউ নির্ধারিত মূলে বিক্রী করেন না। এখানে এভাবেই পণ্য বিক্রী করা হয়। ক্রেতারা বুঝেই পণ্য ক্রয় করে। খুঁজ নিয়ে দেখা যায় এখানকার সব কয়টা কনফেকশনারীতেই নির্ধারিত মূল্যের অধিক মূল্যে খাদ্য ও পানীয় বিক্রয় করা হয়।

তাকে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রীর অনুমিত কে দিয়েছে তা জানতে চাইলে তিনি স্থানীয় রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন এর কথা বলেন।

রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেনের সাথে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের উপ ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি সাংবাদিক আবুল কালাম বলেন, এখানে ওভার রেইটে পণ্য বিক্রী হয় বলে তাকে আরো অনেকেই জানিয়েছেন। তিনি ব্যাপারটি সকলে সাথে পরামর্শ করে নিরসনের চেষ্টা করবেন।

কমিটির সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান চৌধুরী শামসুন্নাহার বলেন, নির্ধারিত মূল্যের অধিক দরে পণ্য বিক্রী অন্যায় তিনি তা খতিয়ে দেখবেন।

এ ব্যাপারে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈন উদ্দীন ইকবাল বলেন, তদন্ত সাপেক্ষ তিনি এর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

চুনারুঘাট উপজেলায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি

এলাকার সচেতন মহল বলছেন দীর্ঘদিন ধরে এরকম চলে আসছে যা দ্বারা শুধু ক্রেতাদের
পয়সার ক্ষতিই হচ্ছে না এলাকার দুর্নামও হচ্ছে।