২৮শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১২ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
রাত ৯:২০

জনপ্রিয় ৫ সংবাদ

আরো কিছু সংবাদ

বানিয়াচংয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে নিজ বসত ঘরে তীরের বাঁশে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মৃত্যু হওয়া এক কিশোরী স্কুল ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

পরে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিহত কিশোরী নিলীমা আক্তার(১৫)নীলা স্থানীয় মেধা বিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী ছিলো।

২৩ই সেপ্টেম্ভর (শনিবার)বানিয়াচং উপজেলা সদরের ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের নাগেরখানা মহল্লায় মোঃশিশু মিয়ার স্কুল পড়ুয়া কিশোরী কন্যা আত্মহনন এর মাধ্যমে মৃত্যু বরণ করে।

এলাকাবাসী ও আশপাশের লোকজনের কাছ থেকে জানা যায়,সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে সম্ভবত নিলীমা খালি ঘরের মধ্যে ও আশপাশের লোকজনের অগোচরে নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে তীরের বাঁশের সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যু বরণ করে ঝুলে থাকে।

এসময় নীলার পিতা শিশু মিয়া ঘরের দরজা বন্ধ পেয়ে এক কোনো দিয়ে চুপি দিয়ে দেখেন তার মেয়ে তীরের বাঁশের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

শিশু মিয়ার চিৎকারে আশপাশের বাড়ি ঘরের লোকজন জুড়ো হয়ে নীলার ফাঁস লাগিয়ে মৃত্যু বরণ করার বিষয়টি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।

তখন এলাকাবাসী ঘটনাটি থানা পুলিশকে অবগত করেন।

পরে থানা থেকে ওসি(তদন্ত)আবু হানিফের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন।

এবং ঝুলন্ত কিশোরী ছাত্রী(নীলা’র) লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশটি উদ্ধার করেন এবং বিকাল চারটার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়।

এব্যাপারে বানিয়াচং থানার ওসি(তদন্ত) আবু হানিফ মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কিশোরী ছাত্রীর মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এমনকি প্রাথমিক ভাবে এই মৃত্যু সম্পর্কে কোন অভিযোগ বা ক্লু পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

প্রাথমিক ভাবে তারা এটাই ধারণা করছেন নিজ ইচ্ছেতেই এই কাজটি করতে পারে।

এদিকে নিহত নীলা সম্পর্কে আশপাশে বাড়ি ঘরের লোকজন সহ এলাকার ছোট্ট বড় অনেকের সাথেই আলাপকালে জানা যায়,নীলা খুবই নম্র ভদ্র এবং ভালো শান্ত সৃষ্ট একটি মেয়ে ছিলো।

তার চলাফেরাও ছিলো খুবই অসাধারণ।

কিন্তু কি কারনে এমনটা করলো মেয়েটি একমাত্র সে আর মহান আল্লাহ্ পাক ঐ ভালো বলতে পারবেন বলে তাদের কাছ থেকে আলাপকালে এসব জানা যায়।