৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
রাত ৮:৫৮

জনপ্রিয় ৫ সংবাদ

আরো কিছু সংবাদ

বানিয়াচং বক্সিং একাডেমির ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

দি‌লোয়ার হোসাইন: হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বক্সিং একাডেমির ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ২০২৩ উদযাপন করা হয়।

শনিবার সকাল ১০ টা থেকে দিন বানিয়াচং ব্যাপী লোকনাথ রমন বিহারি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বক্সিং একাডেমির অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট আব্দুল মজিদ খান এমপি।
এ সময় প্রধান অতিথি কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন।

এডভোকেট মুর্শেদুজ্জামান খান লুকু’র সভাপতিত্বে ও বানিয়াচং বক্সিং একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা জুয়েল রহমান এর সঞ্চলনায় বক্সিং একাডেমির ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন,আন্তর্জাতিক উশু কোচ আনোয়ার হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া, ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ আলী, যুব-উন্নয়ন সহকারী মুহিউদ্দিন আগা খান,প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া প্রমুখ।

প্রধান অতিথি এড: আব্দুল মজিদ খান বলেন, শিশু-কিশোরদের জীবন গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম। মাদক ও স্মার্টফোনের মত ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে শিশুদের দূরে রাখার জন্য খেলাধুলার প্রয়োজন রয়েছে।
এসময় তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রীড়াক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে।

বানিয়াচংয়ের ছেলে-মেয়েরা অতীতকাল থেকেই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আসছে।
বানিয়াচংয়ের ক্রীড়াঙ্গন আবারও প্রাণবন্ত করার উপর গুরত্বারোপ করে তিনি বক্সিং একাডেমিকে আর্থিক অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।

এছাড়াও এসব ব্যাপারে অভিভাবক ও শিক্ষকদের পাশাপাশি সমাজের সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলোয় আগ্রহী করে তুলতে সহযোগিতার জন্য অভিভাবকদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং বানিয়াচং বক্সিং একাডেমিকে সরকারী রেজিষ্টশন ও সহায়তা দেওয়ার আশ্বস্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বক্সিং প্রদর্শণ করেন। জাতীয় বক্সিং দলের সদস্যসহ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্সিং একাডেমির শিশু-কিশোর সহ শতশত র্দশকবৃন্দ বক্সারদের খেলা উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানে ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়ামোদী, সংগঠক সহ উর্ধ্বোতন পুলিশ কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। খেলায় অনুর্ধ ১৭ ওয়েট ক্যাটাগরিতে ৪জন ছেলে, ৮ জন মেয়ে অংশ গ্রহণ করেছেন।