বাহুবলে কুমারীপূজায় কুমারী হলো শ্রীমঙ্গলের প্রীতি

বাহুবল উপজেলার সর্ববৃহৎ জয়পুর শ্রী শ্রী শচীঅঙ্গন ধামে বিপুল ভক্তের উপস্থিতিতে শ্রীমঙ্গলের কুমারী প্রীতি ভট্রাচার্যকে শাস্ত্রীয় রুদ্রাণীর নামে পূজিত করা হয়।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের বুধবার (১৭ অক্টোবর) মহাঅষ্টমী। এ দিনের মূল পর্ব কুমারীপূজা।

সারাদেশের বিভিন্ন স্থানের মতো হবিগঞ্জের বাহুবলেও অনুষ্ঠিত হয়েছে কুমারীপূজা।

এদিন বাহুবলের জয়পুর শ্রীশ্রী শচী অঙ্গন ধামে দুপুরে এ পূজা সুসম্পন্ন হয়। হাজারো ভক্তের উপস্থিতিতে অগ্নি, জল, বস্ত্র, ফুল ও বাতাস- এই পাঁচ উপকরণে দেয়া হয় ‘কুমারী’ মায়ের পূজা।

হিন্দু শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে, সব নারী ভগবতীর একেকটি রূপ হলো কুমারী। শুদ্ধাত্মা কুমারীতে ভগবতীর বেশি প্রকাশ। সাধারণত ১ থেকে ১৬ বছরের সুলক্ষণা কুমারীকে পূজা করা হয়। কুমারী পূজার মাধ্যমে নারী জাতি হয়ে উঠবে পূতঃপবিত্র ও মাতৃভাবাপন্ন।

জয়পুর শ্রীশ্রী শচীঅঙ্গন ধামে অনুষ্ঠিত এই কুমারী পূজায় কুমারীর নাম প্রীতি ভট্রাচার্য। তার বাবার নাম পিজুষ ভট্রাচার্য।

তার গ্রামের বাড়ী মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার সাতগাঁও গ্রামে।

পূজোতে উপস্থিত ছিলেন অাওয়ামীলীগ থেকে হবিগঞ্জ-১ অাসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী সৈয়দ মিলাদ গাজী, নবীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অালমগীর চৌধুরী, বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান অাব্দুল হাই, ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাদিরা খানম, উপজেলা কমিশনার ভূমি রফিকুল ইসলাম, ওসি মোঃ মাসুক অালী, মেম্বার শামীম অাহমদ, উপজেলা যুব লীগের অাহব্বায়ক সৈয়দ অাব্দুল গফ্ফার মিলাদ প্রমূখ।

আসছে শুক্রবার বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীর সবচেয়ে বড় এই দুর্গোৎসব।