মেজর সিনহা হত্যা মামলার সব আলামত বুঝে পেয়েছে র‌্যাব

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান মামলার সব আলামত বুঝে পেয়েছেন মামলাটি তদন্তকারী কর্মকর্তা। পাশাপাশি আদালতের আদেশক্রমে বৃহস্পতিবার রামু থানা থেকে শিপ্রা ও সিফাতের বাকি ২৯টি ডিভাইস বুঝে নেয়া হবে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার প্রধান লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান।

সিনহা হত্যাকাণ্ডের সব কিছু বিচার-বিশ্লেষণ করে পেশাদারিত্ব নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এই স্পর্শকাতর মামলাটি তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসের দায়ের করা মামলায় ৯ পুলিশকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে। উক্ত মামলায় বর্তমানে আদালতের মাধ্যমে বরখাস্ত ৭ পুলিশ র‌্যাবের রিমান্ডে রয়েছে। বাকি ২ পুলিশ সদস্যদের পরিচয় ও তথ্য প্রদান করতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কক্সবাজারের পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন।

জানা যায়, র‌্যাবের কাছে রিমান্ডে থাকা ৪ পুলিশ সদস্যসহ ৭ জনের রিমান্ড বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হবে। যদি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে পরবর্তীতে যে কারো রিমান্ডের জন্য আদালতে আবেদন করবেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ সুপারের মাধ্যমে টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জকে ২৫ জুলাই থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত থানার সিসিটিভি ক্যামরার ফুটেজ প্রদানে লিখিত আবেদন করেছিলেন।

এদিকে কক্সবাজারের নীলিমা রিসোর্ট থেকে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদের সহযোগী শিপ্রা দেবনাথের জব্দকৃত মালামাল র‌্যাবের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকালে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ এই আদেশ দেন।