এবারের চমকের নাম পইলের সাব খ্যাত ‘সৈয়দ আহমদুল হক’

সৈয়দ আহমদুল হক (১৯৪৯)
সৈয়দ আহমদুল হক (১৯৪৯)

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে একের পর এক তৈরী হচ্ছে নতুন-নতুন চমক। ড. ফরাশ উদ্দিন, ড. রেজা কিবরিয়ার পর এবারের চমকের নাম পইলের সাব খ্যাত ‘সৈয়দ আহমদুল হক’ ।

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তিনিও আসছেন নির্বাচনে। তবে তিনি আপাতত ঐক্যফ্রন্ট কিংবা মহাজোটের হয়ে নয়, হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ সদর-শায়েস্তাগঞ্জ-লাখাই) আসন থেকে মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে।

রবিবার জেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে তিনি মনোনয়নপত্র ক্রয় করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ নাজিম উদ্দিন। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারো নতুন করে শুরু হয়েছে তোলপাড়।

জানা যায়, ‘পইলের সাব’ একটি সু-পরিচিত নাম। হবিগঞ্জ শহরতলীর পইল গ্রামের বাসিন্দা সৈয়দ আহমদুল হক জেলায় ‘পইলের সাব’ নামেই খ্যাত। ন্যায় বিচার ও সততার মানদন্ডে বরাবরই তিনি উত্তীর্ন। যেকারনে দলমত নির্বিশেষে স্থান করে নিয়েছেন আপামর জনতার মনে। বার বার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন ইউপি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।

সৈয়দ আহমদুল হক সংসদ নির্বাচন করবেন জেলা জুড়ে এমন গুঞ্জন ছিল দীর্ঘদিন ধরেই। এবার সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রার্থী হচ্ছেন তিনি। এ লক্ষ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যেই ক্রয় করেছেন মনোনয়নপত্র।

রবিবার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ নাজিম উদ্দিনের কাছ থেকে তিনি মনোনয়নপত্র ক্রয় করেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারো নতুন করে শুরু হয়েছে তোলপাড়। চলছে না-না আলোচনা সমালোচনার ঝড়।

শেষ পর্যন্ত তিনি কি নির্বাচন করবেন? নির্বাচন করলে স্বতন্ত্র না-কি দলীয়? দলীয় হলে বি.এন.পি জোটের ঐক্যফ্রন্ট না-কি আওয়ামীলীগের মহাজোট? এমন অজস্র প্রশ্ন এখন সকলের মুখে মুখে।

এদিকে, একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ‘ঐক্যফ্রন্ট কিংবা স্বতন্ত্র’ দু-রকম নির্বাচনের প্রস্তুতিই রয়েছে তার। তবে ভিন্ন একটি সূত্র জানায়, পরিবেশ পরিস্থিতি অনুকুলে না থাকলে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশগ্রহন নাও করতে পারেন তিনি।