২৮শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১২ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সন্ধ্যা ৭:৩২

জনপ্রিয় ৫ সংবাদ

আরো কিছু সংবাদ

শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় লোডশেডিংয়ে ভুগছেন জেলা বাসী

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় ৩৩০ মেগাওয়াট শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে ভুগছেন জেলা বাসী ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন , বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সংস্কারে ১শ কোটি টাকা প্রয়োজন ।

জানা যায় , ২০১৬ সালে সেপ্টেম্বর মাসে চালু হয় ৩৩০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন শাহজীবাজার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি । উদ্ভোদন হয় ২০১৭ সালের ১ মার্চ । গ্যাস থেকে এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় । দুটি গ্যাস টারবাইন ও একটি স্টিম টারবাইন । এ দুটি গ্যাস টারবাইনের সাহায্যে ১১০ মেগাওয়াট করে উৎপাদন হয় ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ । বাকি ১১০ মেগাওয়াট স্টিম টারবাইনের মাধ্যমে উৎপাদন হয় । ২০২২ সালের ২৯ মে আগুন লেগে ৩টি ট্রান্স ফরমার পুড়ে যায় । এরপর থেকেই এটি বিকল অবস্থায় পড়ে আছে । এ গুলো সংস্কার করে পুনরায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু করতে প্রায় একশত কোটি টাকা খরচ হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা ।

স্হানীয় এক ব্যবসায়ী মোঃ সাহাব উদ্দিন এ প্রতিনিধিকে বলেন , আমরা নিয়মিত ভাবে মাসিক বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছি কিন্তু বিদ্যুৎ পাচ্ছি না । দিবারাত্রি অনেক সময় বিদ্যুৎ যাচ্ছে । ব্যবসাকরতে পারছি না । সন্তানরা ও লেখা – পড়া করতে পারছে না ।

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পৌরশহরে ইজিবাইক টমটম চালক রফিক মিয়া বলেন , হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি থেকে বিদ্যুৎ এনে ব্যবহার করি কিন্তু লোডশেডিং এর কারণে রাতে ঠিকমতো ইজিবাইক চার্জ দিতে পারিনা । ফলে দিনে বেশক্ষণ ইজিবাইক টমটম চালানো যায় না । লাল চান্দ চা বাগানের নাম প্রকাশেঅনিচ্ছুক এক টিলা বাবু বলেন , পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঘন ঘন বিদ্যুৎ লোডশেডিং কারণে চা কারখানা অনেক চাপাতা ক্ষতি সাধন হচ্ছে এবং অন্যদিকে মেশিন চলন্ত অবস্থা য় অনেক ক্ষতি সাধন হলেও বলার কিছু নেই ।

শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুর শিল্প এলাকার আকবর আলী বলেন , হবিগঞ্জ জেলার নয়টি উপজেলা বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ের অবস্থা ভয়াবহ । লোডশেডিং কারণে শিশু ও বয়স্কদের খুব সমস্যা হচ্ছে । এমনকি লোডশেডিং কারণে ইলেকট্রনিক বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বহু ক্ষতি সাধন হয়েছে । অথচ এ জেলা অনেক শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে । ব্যবসা বানিজ্য মারাত্মক ভাবে ক্ষতি সাধন হচ্ছে ।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি সূত্রে জানায় , এটি সংস্কার করতে ১শ কোটি টাকার মতো ব্যয় হবে । চালু হলে ২- ৩ মাসের মধ্যেই এ টাকা উঠে আসবে । এ বিষয়ে শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী শফি উদ্দিন আহমেদ এ প্রতিনিধিকে বলেন , ৩৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সংস্কার কাজ প্রক্রিঅধীন ।