সাংবাদিক রাহাত খানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ

সাংবাদিক রাহাত খানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশঃ

একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কথা সাহিত্যিক রাহাত খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালসহ আরও অনেকে।

অর্থমন্ত্রী রাহাত খানের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

এক শোকবার্তায় অর্থমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতার পাশাপাশি ছোটগল্প, উপন্যাসসহ বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন অঙ্গনে তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। রাহাত খান ছিলেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান কথাশিল্পী। তাঁর মৃত্যুতে জাতি একজন প্রথিতযশা কথা সাহিত্যিককে হারালো। সৃষ্টিশীল প্রতিভা ও অনন্য লেখনীর জন্য এদেশের সাহিত্যপ্রেমীরা তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

এদিকে রাহাত খানের মৃত্যুতে গভীর শোক করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মন্ত্রী এক শোক বার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোক বার্তায় মন্ত্রী আরো জানান, মুক্তবুদ্ধির চর্চার অন্যতম পথিকৃত রাহাত খান বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। পাশাপাশি সাংবাদিকতা জগতেও সৃষ্টিশীল এ মানুষটি ছিলেন উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার মতো গুণীজনের মৃত্যু দেশ ও জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

সাংবাদিক রাহাত খানের মৃত্যুতে আরো শোক প্রকাশ করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক ও উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।

প্রবীণ এই সাংবাদিক দৈনিক ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাহাত খান ১৯৯৬ সালে একুশে পদক ও ১৯৭৩ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন।