হবিগঞ্জ বাণিজ্যমেলায় নকল-ভেজাল ও মেয়াদউত্তীর্ণ কসমেটিকস

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ বাণিজ্যমেলায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে নকল-ভেজাল ও মেয়াদউত্তীর্ণ কসমেটিকস।

রবিবার (৩ মার্চ) দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালিত এক অভিযানে বেরিয়ে আসে এ তথ্য।

অভিযানে দেখা যায়, মেলায় আসা কসমেটিকসের স্টলগুলোতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ব্রান্ডের নকল কসমেটিকস। এসব কসমেটিকসের মধ্যে রয়েছে পন্ডস, লেকমি, গার্নিয়ারসহ প্রায় সবধরণের বিদেশি ও নামিদামী ব্রান্ড। এসব কসমেটিকসের বেশিরভাগই ভৈরব, চকবাজার, কেরানীগঞ্জের মত জায়গাতে তৈরি হয়েছে বলেও স্বীকার করেন বিক্রেতারা।

এসময় ভেজাল কসমেটিকস বিক্রির অপরাধে জে এম কালেকশনকে ২ হাজার টাকা জরিমানা ও মেয়াদউত্তীর্ণ কসমেটিকস বিক্রির অপরাধে নূর কসমেটিকসকে আরো ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভবিষ্যতে তারা আর নকল-ভেজাল পণ্য বিক্রি করবেনা বলেও মুচলেখা প্রদান করে। পাশাপাশি মেলায় আসা প্রত্যেকটি স্টলকে নকল ও ভেজাল পণ্য বিক্রির না করার জন্য সতর্ক করে দেওয়া হয়।

অভিযানে ফুসকা ও চটপটির দোকানগুলোকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন ও ক্রেতাদের পরিস্কার পরিচ্ছন্ন খাদ্য সরবরাহের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। একই দিনে হবিগঞ্জের টাউনহল রোডে অতিরিক্ত মূল্য রাখা ও মেয়াদউত্তীর্ণ পন্য বিক্রির দায়ে স্বচ্ছ স্টোরকে ১ হাজার টাকা ও অবৈধ ঔষুধ বিক্রির দায়ে লাকী ফার্মেসিকে আরো ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম মাসুদের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সার্বিক সহয়তায় ছিলেন জেলা চেম্বারের সদস্য দেওয়ান মিয়া ও হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের একটি টিম।

অভিযান চলাকালে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ভোক্তা অধিকার আইন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে লিফলেট ও পাম্পলেট বিতরণ করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান অব্যহত থাকবে।