চুনারুঘাট-মাধবপুরবাসী এ পর্যন্ত মন্ত্রী পেল ৪ জন

ইসমাইল হোসেন বাচ্চু, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ): চা-বাগান ও পাহাড় অধ্যুষিত হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনটি বরাবরের মতো এবারো মন্ত্রীর মর্যাদায় আসিন হলো। ইতিপূর্বে এ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর ৩ জন মন্ত্রীর পর ২০১৯ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন সিলেট বিভাগে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত এ্যাডভোকেট মাহবুব আলী। তাকে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এতে চুনারুঘাট-মাধবপুর তথা হবিগঞ্জবাসী মহাখুশি। একজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এ্যাডভোকেট মাহবুব আলী সোমবার যথারীতি শপথ নিয়েছেন।

এপর্যন্ত চুনারুঘাট-মাধবপুর আসনে ৪ জন মন্ত্রী হলেন।

উল্লেখ্য যে, ১৯৮১সালে জিয়াউর রহমান ও আব্দুস ছাত্তার শাসিত সরকারের আমলে এ আসন থেকে জনশক্তি ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন মরহুম সৈয়দ মহিবুল হাসান। পরে তাকে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি চুনারুঘাট সদর ইউপির নরপতি হাবিলির বাসিন্দা।

১৯৮৮সালে এরশাদ সরকারের কৃষি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া (ইটাখোলার) বাসিন্দা সৈয়দ মোঃ কায়সার। তিনি বর্তমানে মানবতা বিরোধী অপরাধে কারান্তরিন আছেন।

২০০৯সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন পান চুনারুঘাটের উবাহাটা ইউপির কুটিরগাঁও গ্রামের মরহুম এনামুল হক মোস্তফা শহীদ। তিনি এ আসন থেকে ৬ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

একইভাবে আওয়ামী লীগ সরকারের দু’বারের এমপি এ্যাডভোকেট মাহবুব আলী ২০১৯ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি মাধবপুর উপজেলার বানেশ্বর গ্রামের বাসিন্দা।

বর্তমানে মাধবপুর উপজেলা সদরে বসবাস করছেন। এক কথায় এ আসনবাসী ৩ জন প্রতিমন্ত্রী ও ১ জন পূর্ণমন্ত্রী পাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে ২ জন মাধবপুরের ও ২ জন চুনারুঘাটের।