হবিগঞ্জের উচাইল চারিনাও বাজারে জি কে গউছ

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জ-৩ (সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেছেন- নির্বাচন ও রাজনীতি থেকে দুরে রাখতেই আমাকে কারাগারে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় আমাকে আসামী করা হয়েছে। ১৩শ ৯১ দিন আমাকে বিনা অপরাধে কারাগারে থাকতে হয়েছে। তবুও কোন অন্যায়ের সাথে আমি আপোষ করিনি। সততার সাথে মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও মানুষের জন্য কাজ করে যাবো। কোন অপশক্তি জনগণের কাছ থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না। মহান আল্লাহ আমার সাথে আছেন। তিনি গতকাল মঙ্গলবার বিকালে উচাইল চারিনাও বাজারে ধানের শীষের সমর্থনে এক নির্বাচনী সভায় এসব কথা বলেন।

গণতন্ত্রের মা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ভোট প্রার্থণা করে জি কে গউছ বলেন- বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। যিনি মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রী। যিনি ৩ বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। যার জীবনে কোন নির্বাচনে পরাজয় বরণ করতে হয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানের শীষের প্রার্থী সাদেক হোসেন খোকা ও মেজর (অব) আক্তারের নিকট পরাজিত হয়েছিলেন। তাই বিএনপি নেতাকর্মীরা একটি স্লোগান দিয়ে থাকে “নেত্রী মোদের খালেদা-গর্ব মোদের আলাদা”। সেই নেত্রী মানুষের ভোটাধিকার ও দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ৭৪ বছর বয়সে কারাবন্দি হয়েছেন। মাকে ছাড়া কোন সন্তান যেমন ভাল থাকতে পারে না, তেমনি বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্বাচনী মাঠ ছাড়বে না। বিএনপি নেতাকর্মীরা মরবে কিন্তু ধানের শীষের বিজয় কাউকে ছিনিয়ে নিতে দিবে না। আগামী ৩০ তারিখ ব্যালটের মাধ্যমেই খালেদা জিয়ার মুক্তি নিশ্চিত করা হবে। একটি ভোট দিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির পথ সুঘম করতে তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।

রাজিউড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভা ফয়জুল ইসলাম ফজলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় মুরুব্বি মাহফুজ মিয়া, ওয়াব উল্লাহ, বেনু মিয়া, আক্কাস মিয়া, আজম মিয়া, আজিদ মিয়া,

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম ফরিদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুশফিক আহমেদ, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সফিকুর রহমান সিতু, সাংগঠনিক সম্পাদক, আমিনুল ইসলাম বাবুল, জেলা জাসাসের সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী, জেলা মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফাতেমা ইয়াসমিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমপনা চৌধুরী মাসুদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এমদাদুল হক ইমরান, সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমেদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন, সৈয়দ লাভলী সুলতানা, নুরজাহান বেগম, সুরাইয়া আক্তার, জেলা ছাত্রদল নেতা মহিবুর রহমান শাওন, হারিছ আহমেদ, মুখলিছুর রহমান, আব্দুল কাইয়ুম, জি কে ঝলক, গোলাম মাহবুব, হাবিবুর রহমান রিংকু, আলী হোসেন সোহাগ প্রমুখ।