স্টাফ রিপোর্টার
হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট, শায়েস্তাগঞ্জ, বাহুবল উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় জুয়ার আসর জমে উঠেছে। এর ফলে একদিকে যুব সমাজ বিপথে যাচ্ছে অন্যদিকে চুরি, ছিনতাইসহ নানান অপরাধমূলক কর্মকান্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন।
কোন কোনো স্পটে ওয়ান টেন, তিন তাসসহ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে জুয়ারি চক্র আসর বসাচ্ছে। আর এসব আস্তানায় মোটর সাইকেল ও সিএনজিযোগে যোগ দিচ্ছে মাধবপুর, বাহুবল, চুনারুঘাট, নবীগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, বানিয়াচং, অষ্টগ্রাম থেকে আসা জুয়ারিরা।
খবর নিয়ে জানা গেছে, চুনারুঘাট উপজেলার উবাহাটা, বরমপুর, ইছাকুটা, বালিয়ারি, নতুন ব্রীজ এলাকায় কামাল মিয়া, কাশিপুরের সুরুজ আলী, বাহুবলের জয়পুরের তারা মিয়া, ইমান আলী, শায়েস্তাগঞ্জ নিজগঁাওসহ বিভিন্ন এলাকায় জনপ্রতিনিধিদের ম্যানেজ করে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা আকাশের নিচে কিংবা ত্রিপাল টানিয়ে জুয়া খেলা চলে।
প্রতিদিন ১৫-২০ লাখ টাকার খেলা হয়। শুধু তাই নয় তারা ওই সব আসরে সুদে টাকা লাগায়। আবার জুয়াড়িদের কাছ থেকে বিভিন্ন দপ্তরের নাম ভাঙিয়ে প্রতিদিন ৩০-৪০ হাজার টাকা উত্তোলন করে ওই চক্র। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, এসব জুয়ার আসরের কারণে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং সন্ধ্যার পরই এসব এলাকার পথচারীদের কাছ থেকে টাকা পয়সাও নিয়ে যাচ্ছে এই চক্র।
এদিকে ইতোমধ্যে পুলিশ বেশ কয়েকবার এসব জুয়াড়িদেরকে হাতেনাতে আটক করে কোর্টের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করলে আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে এসে পুনরায় এসবে জড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ডিবির ওসি মোঃ আল আমিন জানান, জরুরি ভিত্তিতে এসব স্পটে নিজেই পুলিশ নিয়ে অভিযান শুরু করব। পুলিশ সুপার হবিগঞ্জ জেলা মাদক ও জুয়ারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলালেন্স ঘোষণা করেছেন। কোনো অবস্থাতেই এদের ছাড় দেয়া হবে না। খবর পাওয়ার সাথে সাথেই অভিযান শুরু করা হবে।


