Tag: করোনা ভাইরাস

  • সিলেটে নতুন করে করোনায় ২জন রোগী সনাক্ত ; ডেঙ্গুতে ১ জন

    সিলেটে নতুন করে করোনায় ২জন রোগী সনাক্ত ; ডেঙ্গুতে ১ জন

    সিলেট বিভাগে করোনায় নতুন করে আক্রান্ত আরও ২ জন রোগী সনাক্ত হয়েছেন। আর ডেঙ্গু আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন একজন। এ নিয়ে বিভাগে করোনায় ১৭ জন ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ২৫ জন রোগী সনাক্ত হলেন।

    বুধবার (২৫ জুন ২০২৫ইং) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১০টা থেকে পূর্ববর্তী ২৪ ঘন্টায় সিলেট বিভাগে ৬০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২ জন করোনা আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ৮ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

    এর মধ্যে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৫ জন, নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন ও আল হারামাইন হাসপাতালে ১ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

    এছাড়া গেল ২৪ ঘন্টায় মৌলভীবাজারে একজন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

    সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, করোনা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার কোন বিকল্প  নেই। মানুষকে সচেতন করা গেলে করোনা সংক্রমণ ও ডেঙ্গু বিস্তাররোধ সম্ভব।

  • হবিগঞ্জে একদিনে করোনা ভাইরাস মুক্ত ১২ জন

    হবিগঞ্জে একদিনে করোনা ভাইরাস মুক্ত ১২ জন

    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে থেকে সিলেট বিভাগের চার জেলায় ১০৭ জন সুস্থ হয়েছে। নতুন সুস্থদের মধ্যে সিলেট জেলার ৮১ জন, সুনামগঞ্জে ৮ জন, হবিগঞ্জে ১২ জন এবং মৌলভীবাজারের ৬ জন রয়েছেন।

    গত ২৭ এপ্রিল প্রথম রোগী সুস্থ হওয়ার পর রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সিলেট বিভাগে সুস্থ রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৯৮৩ জন। এরমধ্যে সিলেট জেলার ৪৬৭৫ হাজার জন, সুনামগঞ্জে ১ হাজার ৮৯৯ জন, হবিগঞ্জে ১১১৮ জন এবং মৌলভীবাজারের ১২৯১ জন সুস্থ হয়েছেন।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যাননি। তবে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২০৩ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলার ১৪৭ জন, সুনামগঞ্জে ২২ জন, হবিগঞ্জে ১৪ জন এবং মৌলভীবাজারের ২০ জন।

    রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগে হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে সিলেট জেলার ৩২ জন এবং সুনামগঞ্জে ৮ জন।

    এ নিয়ে সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৮৮৯ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৬ হাজার ৩৮৫ জন, সুনামগঞ্জে ২ হাজার ২২২, হবিগঞ্জে ১ হাজার ৬৫৮ এবং মৌলভীবাজারে ১ হাজার ৬২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

    আর করোনাভাইরাসের উপসর্গ ও করোনায় আক্রান্ত হয়ে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১ হাজার ৫১৫ জন। এরমধ্যে ১৩৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আর বাকিরা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

    অন্যদিকে গত ১০ মার্চ থেকে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে ১৮ হাজার ৪৯২ জনকে। এর মধ্যে কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ১৭ হাজার ৬০৬ জনকে। বর্তমানে সিলেট বিভাগে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৮৮৬ জন।

  • বানিয়াচংয়ের এসিল্যান্ড করোনায় আক্রান্ত

    বানিয়াচংয়ের এসিল্যান্ড করোনায় আক্রান্ত

    হবিগঞ্জ বানিয়াচংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বানিয়াচং উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) খান মতিউর রহমান করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

    রবিবার রাত ১২টায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মামুন খন্দকার জানান, গত ২৩ এপ্রিল তার নমুনা সংগ্রহ করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রবিবার রাতে পরীক্ষায় তার নমুনায় করোনা পজিটিভ এসেছে।

    ইউএনও আরও জানান, করোনা আক্রান্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খান মতিউর রহমান বর্তমানে জেলা শহরস্থ তার নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন। তিনি সার্বক্ষণিক তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন।

    জানা গেছে, খান মতিউর রহমান প্রায় প্রতিদিনই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করতেন। চলমান সংকট চলাকালেও সকাল-সন্ধ্যা ছিল কর্তব্যরত এলাকায় তার পদচারণা।

    গত ৭ দিন সকাল সন্ধ্যা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের বাড়ি বাড়ি সরকারি সহায়তা বিতরণ এবং বাজার মনিটরিংসহ নানা কার্যক্রমে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি।

  • হবিগঞ্জে ডাক্তার ও প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ নতুন ২৫ জন করোনায় আক্রান্ত

    হবিগঞ্জে ডাক্তার ও প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ নতুন ২৫ জন করোনায় আক্রান্ত

    শরিফ চৌধুরীঃ হবিগঞ্জে ডাক্তার, হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীসহ আরও ২৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর মাঝে শনিবার একদিনেই ২০ জন এবং শুক্রবার রাতে আরও ৫ জন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

    আক্রান্তদের ২০ জনই সদর উপজেলার বাসিন্দা। আক্রান্তদের মাঝে একজন সদর আধুনিক হাসপাতালের ডাক্তারসহ ১১ জন কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রশানের ৪ জন কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সদর উপজেলার ২০ জন, চুনারুঘাটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক ও একজন স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৪ জন এবং লাখাইয়ে ১ জন রয়েছেন। আক্রান্তদের ৬ জন মহিলা এবং অপর ১৯ জন পুরুষ। জেলায় এ নিয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ জন।

    হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. একেএম মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সদর আধুনিক হাসপাতাল থেকে মঙ্গলবার আইইডিসিআর এ ৪৪ জনের করোনা পরিক্ষার নমুনা প্রেরণ করা হয়। শনিবার বিকেলে রিপোর্ট এসেছে ৩৪ জনের। এর মাঝে ২০ জনের রিপোর্ট পজেটিভ আসে। তাদের মধ্যে একজন সদর আধুনিক হাসপাতালের ডাক্তার ও একজন এম্বুলেন্স চালক রয়েছেন। তাদের ১৫ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। এছাড়া শুক্রবার রাতে সিলেট ল্যাব থেকে আরও ৫ জন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানানো হয়। তাদের মধ্যে চুনারুঘাটের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন ডাক্তার ও একজন স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৪ জন এবং লাখাইয়ে ১ জন। তাদেরকে সদর হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। হবিগঞ্জ জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ জন। যা সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি।

    ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল জানান, শনিবার নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১১ জন সদর আধুনিক হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্টাফ এবং ৪ জন প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী রয়েছেন। জেলায় এবারই সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছেন একদিনে।

    এদিকে হঠাৎই জেলায় করোনা আক্রান্তের হার বাড়তে শুরু করেছে। কিন্তু এরপরও অনেকেই অবাধে ঘোরাফেরা করছেন। বিশেষ করে শহরের চৌধুরী বাজারসহ কয়েকটি বাজার এবং প্রধান সড়কে মানুষের চলাচল অনিয়ন্ত্রিত। পুলিশ বার বার ধাওয়া দিয়েও মানুষ ঠেকাতে পারছেনা। পুলিশ চলে গেলেই মানুষ আবারও বেড়িয়ে পড়ে।

  • হবিগঞ্জের যুবকের করোনা উপসর্গ নিয়ে সিলেটে মৃত্যু

    হবিগঞ্জের যুবকের করোনা উপসর্গ নিয়ে সিলেটে মৃত্যু

    শরিফ চৌধুরীঃ করোনা রোগের উপসর্গ নিয়ে হবিগঞ্জের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার তিনি সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে মারা যান। তিনি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিজামপুর গ্রামের বাসিন্দা।

    স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জ্বর, সর্দি, শাসকষ্ট নিয়ে নিজামপুরের এক যুবক সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে (করোনা হাসপাতাল) ভর্তি হন। এরপর তার করোনা নমুনা পরিক্ষার জন্য দেয়া হয়। কিন্তু তার রিপোর্ট আসেনি। ইতিমধ্যে শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

    হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল জানান, তার করোনা পরিক্ষার নমুনা সংগ্রহ করে জমা দেয়া হয়েছে। এখনও রিপোর্ট আসেনি।

  • হবিগঞ্জ শহরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক কমিটির জীবাণুনাশক স্প্রে এবং সচেতনামূলক মাইকিং

    হবিগঞ্জ শহরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক কমিটির জীবাণুনাশক স্প্রে এবং সচেতনামূলক মাইকিং

    “হবিগঞ্জ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক কমিটি” হবিগঞ্জ জেলা’র উদ্যোগে হবিগঞ্জ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড খাদ্যগুদাম রোড, গরুরবাজার ও কামড়া পুর পয়েন্ট জীবাণুনাশক স্প্রে এবং সচেতনামূলক মাইকিং করা হয়।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নাগরিক কমিটির আহবায়ক চৌধুরী মিজবাহ উল বারী লিটন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিবির জেলা সাধারন সম্পাদক ও সচেতন নাগরিক কমিটির সম্মানিত সদস্য কমরেড পীযুষ চক্রবর্তী, হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি ও জিপি এডভোকেট আফিল উদ্দিন, ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জনাব মোঃ জাহির উদ্দিন।

    হবিগঞ্জ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব ফারহাদ আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক বিশিষ্ট সাংবাদিক শরীফ চৌধুরী, প্রভাষক মৃদুল কান্তি রায়, সম্মানিত সদস্য মীর দুলাল, মাধব সরকার, আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী অনিক, অপু আহমেদ রওশন, মিনহাদ আহমেদ চৌধুরী প্রমূখ।

  • লাখাইয়ে করোনায় মৃত্যৃ হলে দাফন-কাফনের জন্য টিম গঠন

    লাখাইয়ে করোনায় মৃত্যৃ হলে দাফন-কাফনের জন্য টিম গঠন

    সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতি মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। বাংলাদেশে ও তার প্রাদুর্ভাব দিন দিন বাড়ছে। এই ছোঁয়াছে রোগ করোনার কারণে মৃত ব্যক্তিদের লাশ দাফন-কাফনে যখন এদেশে প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনই করছে।  তাই জানাজা ও দাফন-কাঁফনে কেউ  ভয়ে  এগিয়ে আসেন না ঠিক তখন-ই হবিগঞ্জের লাখাইয়ের একঝাঁক তরুনদের সমন্বয়ে করোনা ভাইরাসে মৃত হলে লাশ দাফন- কাঁফনের  জন্য একটি টিম গঠন করা হয়। টিমটি ৬ সদস্যের।

    ছবিতে ৬ সদস্যের টিম।

    ৬ সদস্যের টিমের নাম ও মোবাইল নাম্বারের  তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো:

    ১- মোঃ মুজিবুর রহমান – মোবাইল ০১৭৭১-৮৬৭৪৪৬, ০১৯৭১-৮৬৭৪৪৬ ।

    ২- আব্দুর রাজ্জাক – ০১৭৮৮-৮৮৪৪১৪ ।

    ৩- মোঃ খালিকুজ্জামান – ০১৭১৯-৩৪০১৪৬ ।

    ৪- দেওয়ান মোজাহিদ – ০১৮২১-৯২৭৪৫৭।

    ৫- মোহাম্মদ সোহাগ মুন্সি – ০১৭১১-৩৬৭৮২৬ ।

    ৬- দেওয়ান মোঃ শিব্বির আহম্মেদ – ০১৮৫৬-৬৮৬২২০৷

    এই টিমটিকে লাখাই  উপজেলা নির্বাহী  কর্মকর্তা এবং লাখাই উপজেলার  অফিসার ইনচার্জ অনুমতি দিয়েছেন।

    উক্ত টিমের সদস্য মোঃ খালেকুজ্জামান হবিগঞ্জ নিউজ কে জানান তারা আল্লাহকে খুশি করার জন্য এটা করেছেন এবং মানুষের মধ্যে থেকে  যেনো আতংক দূর হয়।