আজমিরীগঞ্জে ৫টি ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে প্রশাসন

 

মীর দুলাল : হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৫টি ড্রেজার মেশিন এবং ৫ হাজার মিটার পাইপ জব্দ করে তা ধ্বংস করেছে উপজেলা প্রশাসন।

আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) উত্তম কুমার দাশের নেতৃত্বে ৫ নং শিবপাশা ইউনিয়নে ১ নং ওয়ার্ডের নোয়াপাড়ায় অভিযান চালিয়ে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অমান্য করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত এগুলো জব্দ ও ধ্বংস করে।

জানা যায়, বিগত বেশ কিছু দিন ধরে উপজেলার নদ-নদীসহ বিভিন্ন স্থানে একটি প্রভাবশালী বালুখেকো চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পন্থায় বালু উত্তোলন করে আসছে।

বারবার উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে সরঞ্জামাদি জব্দ ও ধ্বংস করলেও থামছে না ওই বালুখেকো চক্র।

অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ফলে এলাকায় নদী ভাঙন, ফসলি জমি বিনষ্ট হওয়াসহ পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশ হলে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মতিউর রহমান খাঁন এবং নবাগত সহকারী কমিশনার (ভূমি) উত্তম কুমার দাশ নিয়মিত অভিযান, পরিচালনা করেন।

জব্দ ও ধ্বংস করা করা হয় হাজার মিটার পাইপ এবং ডজন খানেকের উপরে ড্রেজার মেশিন।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাশ এই অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান পরিচালনাকালে আজমিরীগঞ্জ থানার এসআই জয়ন্ত কুমার তালুকদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) উত্তম কুমার দাশ জানান, এই উপজেলায় কোনও অনুমোদিত বালু মহাল নেই।

এরপরও অসাধু ব্যক্তিরা বিভিন্ন নদ-নদী থেকে এবং ভূমিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বালু উত্তোলনের ৫টি ড্রেজার মেশিন এবং ৫ হাজার মিটার পাইপ জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।