শায়েস্তাগঞ্জে খোয়াই নদী থেকে বালি উত্তোলনে হুমকির মুখে ৩ টি ব্রীজ

02

শায়েস্তাগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ শায়েস্তাগঞ্জে খোয়াই নদী থেকে বালি উত্তোলনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে ৩টি ব্রীজ। কিন্তুু রহস্যজনক কারণে ঐ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না কৃর্তপ। খোয়াই নদী থেকে বালি তুলে ব্রীজের ঘোড়া থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রাক্টর দিয়ে বালি নেয়া হচ্ছে। সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে- ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রীজ, পুরাতন ব্রীজ ও রেল ব্রীজের মধ্যেবর্তি স্থান থেকে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫টি ছোট বড় ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালি উত্তোলন করা হচ্ছে। ব্রীজের ঘোড়া থেকে বাধ কেটে ট্রাক্টর দিয়ে বালু নেয়ায় ব্রীজগুলো হুমকির মুখে পড়েছে। ব্রীজের দুই পাশে বাধ কেটে বড় বড় রাস্তা করে বালি বোঝাই গাড়ি সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত আসা যাওয়া করে। এছাড়াও খোয়াই নদীর পূর্ব পাশের বাধের কয়েকটি জায়গা কেটে রেখেছে প্রভাশালী বালি উত্তোলনকারীরা। প্রতিদিন ট্রাক, ট্রাক্টর পাওয়ার ট্রলি দিয়ে নদী থেকে বালি নেয়া হয় শায়েস্তাগঞ্জের আশেপাশে বিভিন্ন অঞ্চলে।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের খোয়াই নদীর নতুন ব্রীজ থেকে রেলওয়ে ব্রীজের মধ্যবর্তী স্থান থেকে বালি উত্তোলনের ফলে নদীর পশ্চিম পাশে নদীর গভীরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে নদীর পানি প্রবাহের ভারসাম্য না থাকায় বিপযর্য়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে সড়ক পথের দুইটি ও রেলওয়ের ব্রীজ। এছাড়াও নদীর পূর্ব পশ্চিম পাড় ঘেষা পুরান বাজার পৌর এলাকা ও সদর লস্করপুর ইউনিয়নের গঙ্গানগর, ছনাও, বালুচর, আদ্যপাশা, করিমপুরসহ আশেপাশে গ্রামগুলো হুমকী মুখে রয়েছে। বর্ষার সময় ভারত থেকে ও পাহাড়ী ঢলের পানি খোয়াই নদীতে নেমে এসে ভরে যায়। এর ফলে খোয়াই নদীটি ওই সময় পানি বর্তী থাকে। যেকোন সময় বাধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করতে পারে বলে আশেপাশের গ্রামগুলোতে। ব্রীজের ঘোড়া অবৈধভাবে বাধ কেটে বালি তোলায় এলাকাবাসী মধ্যে ােভের সৃষ্টি হয়েছে। শায়েস্তাগঞ্জ রোডস এন্ড হাইওয়ে কর্তৃপ এ বিষয়ে উদাসীন রয়েছে। এদিকে তাদের কোন নজর নেই। ব্রীজ রার দাবীতে উর্দ্ধতন কর্তৃপরে দৃষ্টি কামনা করছেন এলাকাবাসী।

Share on Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>