Category: লাখাই

  • জি কে গউছ এর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হাইকোর্ট থেকে ৪ সপ্তাহের আগাম জামিনের পর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জি.কে গউছ নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নিদের্শন দিয়েছেন।

    সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আমজাদ হোসেন জামিন আবেদনের শুনানি শেষে জিকে গউছসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১৪ নেতাকর্মীকে কারাগারে প্রেরণ করেন।

    অন্যান্য আসামীরা হলেন- জিকে গউছের ছোট ভাই জিকে গাফ্ফার, জহিরুল ইসলাম শরিফ, যুবদল নেতা কুহিনুর আলম, ছাত্রদল নেতা মাহবুব আলম, শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন প্রমুখ।

    জিকে গউছের আইনজীবি এডভোকেট মোঃ নুরুল ইসলাম বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে সহিংসতার ঘটনাসহ চারটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন শেষে নিম্ন আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন।

    এর আগে গত ২০ জানুয়ারী হাইকোর্ট থেকে ৪ সপ্তাহের আগাম জামিন লাভ করেন জি কে গউছসহ অন্যান্য আসামীরা। এই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দেন জি কে গউছসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ৩৭ নেতাকর্মী।

  • বিএনপি দ্বিমুখী আচরণ করে – এমপি আবু জাহির

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেছেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন- নির্বাচনে আসবেন না। অথচ বিভিন্ন স্থানে তাদের প্রার্থীরা নির্বাচনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এতে প্রমাণ হয়- তাদের দলের মধ্যে কোনও নিয়ম শৃঙ্খলা নেই এবং তারা দ্বিমুখী আচরণ করে।

    রবিবার দুপুরে ও বিকেলে নবীগঞ্জ এবং বাহুবল উপজেলা আওয়ামী লীগের পৃথক বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    এমপি আবু জাহির আরো বলেন, ভাইয়ে ভাইয়েও অনেক সময় মনোমালিন্য হয়। তেমনি করে দলের অনেক নেতাকর্মীদের মনেও দুঃখ কষ্ট থাকতে পারে। এনিয়ে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করা দরকার। কিন্তু মনে রাখতে হবে যখনই নৌকা প্রতীকের কথা আসবে, তখন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ।

    নৌকার বিজয় নিশ্চিতে সকল ভেদাবেদ ভূলে গিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। কারণ- এটা জাতির পিতার নৌকা, এটা বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নৌকা।

    এই নৌকা জনগণের অধিকার আদায়ের নৌকা। এই নৌকা মহান স্বাধীনতা অর্জনের নৌকা। নৌকায় ভোট দিলেই দেশের মানুষ শান্তিতে থাকে। আওয়ামী লীগ জনগণকে কথা দিয়ে কথা রক্ষা করে।

    তিনি আরো বলেন, দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে অংশ নিতে যাচ্ছি। এই নির্বাচনে দলের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

    প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে শুরু করে ইউনিয়ন-উপজেলা পর্যায়ে নেতাকর্মীরা যেন নৌকার পক্ষে আন্তরিকভাবে কাজ করে এই অনুরোধ জানান তিনি। পৃথক দুই বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোঃ শাহ নেওয়াজ মিলাদ।

    দুপুরে নবীগঞ্জ শহরের হাজারী কমিউনিটি সেন্টার এবং বিকেলে বাহুবল বাজারে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় নবীগঞ্জে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরী এবং বাহুবলে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আব্দুল হাই’র পক্ষে কাজ করার আহবান জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মী সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে দলের মনোনিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ হন।

    নবীগঞ্জে বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুল এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌদুরী।

    বাহুবলের সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আব্দুন নূর মানিক এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাই।

    এছাড়াও দুই উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন।

  • লোক সংস্কৃতি আমাদের শিকরের কথা বলে – আবু জাহির

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ লোক সংস্কৃতি আমাদের শিকরের কথা বলে। হাজার বছরে এই সংস্কৃতি আমাদের অহংকার। আবহমান বাংলার লোকজ ঐতিহ্য নিয়েই বাংলাদেশ। আর এই বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে লোক গাথাঁ। এই লোক সংগীত বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে নতুনভাবে পরিচয় করিয়েছে। লোকসঙ্গীতকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।

    হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় জালাল স্টেডিয়ামে ৩ দিনব্যাপি লোক উৎসবের ২য় দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এসব কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, চিত্ত বিনোদন ছাড়া মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না। আর যুগে যুগে মরমী সাদকরা জন্ম নিয়ে আমাদেরকে দিয়ে গেছেন সেই বিনোদনের সুযোগ। হবিগঞ্জে জন্ম নিয়েছেন শেখ বানু ও দ্বীনহীনসহ অসংখ্য গুণীজন। তাদের ইতিহাসের সাথে আমাদের নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে হবে। তাহলেই এই জেলার সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং ঐতিহ্য সম্পর্কে অবগত হবে দেশবাসী। এ সময় দেশের বারেণ্য শিল্পীগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে অনাড়ম্বর পরিসরে এই উৎসব আয়োজনের জন্য জেলা প্রশাসনের প্রতি ধন্যবাদ জানান এবং আগামীতেও এ ধরণের আয়োজনে তার সবধরণের সহযোগিতা থাকবে বলে জানান এমপি আবু জাহির।

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কুদ্দুছ আলী সরকার, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, বিশিষ্ট লোকসঙ্গীত শিল্পী জামাল উদ্দিন হাসান বান্না, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোহাম্মদ আলী টিপু, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুনুর রশিদ চৌধুরী, কবি তাহমিনা বেগম গিনি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে নানা শ্রেণি-পেশার হাজারো লোকজন অংশগ্রহণ করেন।

  • হবিগঞ্জের ২৯ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার ৮ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভিন্ন উপজেলায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তারা মনোনয়নপত্র জমা দেন। সব উপজেলায়ই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ না নেয়ায় নির্বাচনের আমেজও খুব একটা জমে উঠছেনা। তবে কয়েকটি উপজেলায় বিএনপি নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমদুল হক (স্বতন্ত্র), আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামীম, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাচ্ছিরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)। এখানে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির কোন নেতা অংশ নিচ্ছেন না।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আওয়াল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ ফারুক, প্রফেসর আবিদুর রহমান।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফৌরদৌসি আরা বেগম, আওয়ামী লীগ সমর্থক নূরুন্নাহার।

    আওয়ামী লীগ প্রার্থী মশিউর রহমান শামীম জানান, আওয়ামী লীগের অনেকেই প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, তারা আমার চেয়ে কোন অংশেই কম যোগ্য নন। কিন্তু দল যেহেতু একজনকেই মনোনয় দেবে সে বিবেচনা থেকে আমি পেয়েছি। আমি বিশ্বাস করি তারা যদি আওয়ামী লীগের আদর্শ বুকে লালন করেন তাহলে তারা নির্বাচন থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাবেন।

    আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মোতাচ্ছিরুল ইসলাম বলেন, পৌর আওয়ামী লীগসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। ব্যবসায়ী নেতারাও আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। আমি সর্বস্তরের মানুষের ইচ্ছা সত্বেই আমি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আমার বিজয় ইনশাআল্লাহ সুনিশ্চিত।

    মাধবপুর উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক (আওয়ামী লীগ), প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা এহতেশামুল বার চৌধুরী লিপু (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এসএসএএম শাহজাহান (স্বতন্ত্র)।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি মুজিব উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য সৃধাম দাশ গুপ্ত, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ (স্বতন্ত্র), শাহজাহানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাবুল হোসেন খান (স্বতন্ত্র)।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থক নাজমা পাঠান (স্বতন্ত্র), বিএনপি সমর্থক মরিয়ম রহমান বাবুনী (স্বতন্ত্র), বিএনপি নেত্রী বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুফিয়া আক্তার হেলেন, মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছা. রোকেয়া আক্তার, আওয়ামী লীগ সমর্থক জাহানারা বেগম।

    লাখাই উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিউল আলম আজাদ (আওয়ামী লীগ), উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহফুজুল আলম মাহফুজ (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক আহমেদ (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)। এ উপজেলায় বিএনপির কোন নেতা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুর্শেদ কামাল চৌধুরী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম আলম, সাবেক সেনা সদস্য আশরাফুল ইসলাম শের আলম।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. ফয়েজুন্নেছা আক্তার, আলেয়া বেগম, আয়েশা সিদ্দীকা।

    চুনারুঘাট উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির লস্কর (আওয়ামী লীগ), বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ লিয়াকত হাসান (স্বতন্ত্র), খেলাফত মজলিশ নেতা প্রভাষক আব্দুল করিম।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান মহলদার (স্বতন্ত্র), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি জামাল হোসেন লিটন।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবিদা খাতুন, বিএনপি সমর্থক কাজী সাফিয়া খাতুন।

    বাহুবল উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই (আওয়ামী লীগ), জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল কাদির চৌধুরী (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লন্ডন প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা নাছিরুজ্জামান (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), সৈয়দ খলিলুর রহমান (স্বতন্ত্র)।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে যুবলীগ আহ্বায়ক তারা মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমেদ কুটি, আওয়ামী লীগ সমর্থক শশাংক দত্ত, শফিকুল ইসলাম, নিহার রঞ্জন দেব, খন্দকার ইদ্রিছ, ইয়াকুত মিয়া এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ফারুকুর রশিদ ফারুক।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিএনপি সমর্থক বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাদিরা খানম, আওয়ামী লীগ সমর্থক জ্যোৎস্না আক্তার, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন।

    নবীগঞ্জ উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, বিএনপি সমর্থক আব্দুল হাই চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাদী গাজীর স্ত্রী গাজী খালেদা সারোয়ার, জাপা নেতা হায়দর মিয়া।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ নেতা কাজী ওবায়দুল কাদের হেলাল, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মুকিত, পৌর জাপা সাধারণ সম্পাদক মুরাদ আহমদ।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেত্রী সইফা রহমান কাকলী ও দিলারা হোসেন, নাজমা আক্তার (স্বতন্ত্র)।

    আজমিরীগঞ্জ উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মর্তুজা হাসান (আওয়ামী লীগ), আওয়ামী লীগ নেতা মো. আলাউদ্দিন (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), উপজেলা যুবদল সাধারণ সম্পাদক খালেদুর রশিদ ঝলক (স্বতন্ত্র) ও মিয়া হোসেন (স্বতন্ত্র)।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থক মনিরুজ্জামান মনু, অসীম চৌধুরী সাগর, হিরেন্দ্র পুরকায়স্থ, নাজমুল হাসান, আব্দুল জলিল, মমিনুর রহমান সজিব, স্বতন্ত্র রথিন্দ্র দাশ, জামায়াত সমর্থক আব্দুল হাই।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুখসানা আক্তার শিখা, আওয়ামী লীগ নেত্রী সুজলা আক্তার, স্বতন্ত্র মাহমুদা আক্তার ও আলেমা খাতুন।

    বানিয়াচং উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন যুবলীগ নেতা আবুল কাশেম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন খান (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ শাহীন (স্বতন্ত্র)।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি স্মৃতি চ্যাটার্য্যি কাজল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ বাবু, জামায়ত নেতা বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার খান, আওয়ামী লীগ নেতা আবিদুর রহমান ও ফারুক আমিন।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মহিলা দল সভানেত্রী তানিয়া খানম (স্বতন্ত্র), মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বিউটি আক্তার, সাধারণ সম্পাদক হাসিনা আক্তার, ফেরদৌসী বেগম।

  • উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে নিজের দায়বদ্ধতা থেকে দায়িত্ব পালন করুন – এমপি আবু জাহির

    স্টাফ রিপোর্টারঃ হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা এডভোকেট মোঃ আবু জাহির বলেছেন, হবিগঞ্জ এখন সারাদেশে মডেল জেলায় পরিণত হয়েছে। এখানে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের রিসোর্ট, শিল্প এলাকাসহ পর্যটনের ব্যাপক সম্ভাবনা।

    হবিগঞ্জের আধুনিক স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক ভেন্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। কিন্তু ময়লা-আবর্জনার কারণে আমরা সেই উদ্যোগ নিতে পারছি না। অচিরেই দৃষ্টিনন্দন এই স্টেডিয়ামের আশপাশের ময়লা-আবর্জনা সড়িয়ে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকলকেই যে যার জায়গায় থেকে আন্তরিক থাকতে হবে।

    বিশেষ করে সরকারি স্থাপনাগুলোতে যেন রাতের বেলা মাদক অথবা বাজে আড্ডা না বসে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করেছেন। তাই সকলেরই উচিত আন্তরিকতার সাথে নিজের দায়িত্ব পালন করা। হবিগঞ্জ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    এমপি আবু জাহির বলেন, হবিগঞ্জকে আমরা উন্নয়নের অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। ইতোমধ্যে নিজের শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনসহ উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছি। অনার্স মাস্টার্স কোর্স এখন আমাদের ছেলে মেয়েরা নিজের বাড়িতে বসে সম্পন্ন করতে পারছে। যে কারণে শিক্ষার হার বেড়েছে। শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় তরুণ সমাজের একাংশ বেকার রয়েছে। তারা যে কোনও অপরাধের সাথে জড়িয়ে যেতে পারে। তাই হবিগঞ্জের ইন্ডাস্ট্রিগুলোর সাথে সমন্বয় করে একটি জব ফেয়ার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।

    তিনি বলেন, মাদক হচ্ছে সমাজের জন্য অভিশাপ। এই মাদক সেবনের কারণেই যুব সমাজ জড়িয়ে যায় বিভিন্ন অপরাধের সাথে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে থেকে কাজ করতে হবিগঞ্জের পুলিশদের প্রতি নির্দেশ দেন তিনি।

    স্বাস্থ্য বিভাগ সম্পর্কে সভার বিভিন্ন সদস্যের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এমপি আবু জাহির বলেন, চিকিৎসকরা হচ্ছেন সমাজের শিক্ষিত এবং সম্মানী লোক। সরকারও তাদেরকে ব্যাপক সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ইদানিং দেখা যাচ্ছে কিছু সংখ্যক অসাধু লোকের অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তদন্ত করতে হচ্ছে। এটা তাদের জন্য সম্মানজনক নয়। তাই দেশের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে নিজের দায়বদ্ধতা থেকেই সকলকে  পালন করতে হবে।

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদের সভাপতিত্বে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় হবিগঞ্জে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, বিজিবি-৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনাযক লে. কর্ণেল এম জাহিদুর রশিদ, হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. সুচিন্ত চৌধুরী, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আবু জাকের মো. সিকান্দার, অতিরক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্র্টে তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুনুর রশিদ চৌধুরীসহ সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিভিন্ন এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, হবিগঞ্জ পৌরসভার প্রতিনিধি, র‌্যাবের প্রতিনিধি, আনসার, বন বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, শিক্ষা কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • জেল জুলুম আর গায়েবী মামলা দিয়ে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না – জি কে গউছ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেছেন- জেল জুলুম আর গায়েবী মামলা দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের দমিয়ে রাখা যাবে না। বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল।

    বিএনপি নেতাকর্মীরা দেশ ও মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে। বিএনপি কোন প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না, অপরাজনীতি করে না। তাই বিএনপিকে মানুষ পছন্দ করে। বাংলাদেশের মানুষ যদি কোন দিন প্রতিবাদ করার সুযোগ পায় তাহলে আওয়ামীলীগের সকল অপকর্মের বদলা নিবে।

    তিনি গতকাল রবিবার রাতে শায়েস্তানগরস্থ বিএনপির কার্যালয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তি হবিগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির এক কর্মীসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    জি কে গউছ বলেন- দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া এ দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা সম্ভব না। আওয়ামীলীগের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ৭৪ বছর বয়সে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এক বছর যাবত কারাগারে রয়েছেন।

    গত ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছে আওয়ামীলীগ। এই বিষয়টি দেশের মানুষ উপলব্দি করছে। তাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আইনী লড়াইয়ের পাশাপাশি গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

    সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান কাজলের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক আজম উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ হাজী এনামুল হক, জেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আউয়াল, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, এডভোকেট আফজাল হোসেন, এডভোকেট মইনুল হোসেন দুলাল প্রমুখ।

  • খেলাধূলা যুব সমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রাখে – এমপি আবু জাহির

    স্টাফ রিপোর্টারঃ হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির বলেছেন, খেলাধূলা যুব সমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রাখে। বর্তমান সরকার ক্রীড়াঙ্গণের সম্প্রসারণে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে। এরই মাঝে দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম স্থাপন করা হচ্ছে। নবগঠিত শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায়ও একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে।

    শুক্রবার বিকেলে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কলিমনগরে এমপি আবু জাহির গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় লেখাপড়ার পাশাপাশি তরুণ সমাজকে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার আহবান জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনা মেডিকেল প্রতিষ্ঠাসহ এমপি আবু জাহিরের মাধ্যমে হবিগঞ্জে যে উন্নয়ন সম্পাদন হয়েছে তা সারাদেশে মডেলস্বরূপ। ভবিষ্যতেও এর ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি শায়েস্তাগঞ্জে একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করে দেওয়ার দাবি জানান।

    টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চুনারুঘাটের ব্যরিস্টার সায়েদুল হক সুমন ফুটবল একাডেমী। কলিমনগর ফুটবল একাডেমীকে ২-০ গোলে পরাজিত করে তারা। প্রায় ৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে কলিমনগর মাঠে ফাইনাল খেলার প্রথমার্ধ থাকে গোলশূন্য।

    পরবর্তীতে দ্বিতীয়ার্ধ্বের শেষের দিকে চুনারুঘাট ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন ফুটবল একাডেমীর পক্ষে বিদেশী দুই খেলোয়াড় দুইটি গোল করতে সক্ষম হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সুমনের খেলায় অংশগ্রহণ এবং বিদেশী কয়েকজন খেলোয়াড়কে ঘিরে পুরো ৯০ মিনিট জুড়েই মাঠ ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনায় পরিপূর্ণ।

    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফেরদৌস ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল মুকিত, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন কলি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতা আব্দুর রহমান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমানসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    আয়োজকরা জানান, ১৯ জানুয়ারি শুরু হওয়া এমপি আবু জাহির গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ২৪টি দল অংশ নেয়। খেলার প্রতিদিনই হাজারো দর্শকের সমাগম ঘটে।