Category: ইসলাম ও জীবন

  • শুক্রবার, রবের কাছে ফিরে আসার ডাক

    শুক্রবার, রবের কাছে ফিরে আসার ডাক

    আবদুর রউফ আশরাফ।।

    আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, “হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং বেচাকেনা ছেড়ে দাও।”

    আল্লাহ তা’য়ালার কুরআনের কথায় নির্দেশ করেন, দুনিয়ার কাজ গুরুত্বপূর্ণ হলেও রবের ডাকে সাড়া দেওয়া তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ।

    সপ্তাহের ব্যস্ততা, ক্লান্তি আর ছুটে চলার জীবনের মাঝে শুক্রবার যেন এক প্রশান্ত বিরতির দিন।

    শুক্রবার শুধু ক্যালেন্ডারের একটি দিন নয়; একজন মুমিনের জন্য শুক্রবার আত্মশুদ্ধি, ইবাদত, স্মরণ ও রবের কাছে ফিরে আসার এক বিশেষ সুযোগ। সারাবছর জীবনের নানা ব্যস্ততায় আমরা কখনো কখনো নিজের অন্তরের খবর নিতে ভুলে যাই। শুক্রবার সেই ভুলে যাওয়া হৃদয়কে আবার আল্লাহর দিকে ফেরার কথা মনে করিয়ে দেয়।

    জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। এ দিনে গোসল করে পরিচ্ছন্ন হওয়া, সুন্দর পোশাক পরা, সুগন্ধি ব্যবহার করা, মসজিদে গিয়ে খুতবা শোনা এবং জামাতে জুমার নামাজ আদায় করা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এসব আমল শুধু বাহ্যিক প্রস্তুতি নয়; এগুলো মানুষের ভেতরেও এক ধরনের পবিত্রতার অনুভূতি তৈরি করে।

    মানুষের জীবন কাঙ্ক্ষিত প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তির সমষ্টি। প্রতিদিন আমরা জীবিকার পেছনে ছুটি, ভবিষ্যৎ নিয়ে দৌড়ি, সম্পর্ক সামলাই, সাফল্যের প্রত্যাশা করি। কিন্তু এই ব্যস্ততার মধ্যেই অনেক সময় আল্লাহ তা’য়ালার সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটি অবহেলিত হয়ে পড়ে। শুক্রবার এসে বিবেকের কাছে প্রশ্ন করে দুনিয়ার জন্য এত আয়োজন, অথচ রবের জন্য কতটুকু সময়?

    শুক্রবার আমাদের শেখায়, ফিরে আসতে কখনো দেরি হয় না। পৃথিবীর যত ব্যস্ততা, যত ব্যর্থতা, যত ভুল—সবকিছুর পরও একজন বান্দার জন্য তার রবের দরজা খোলা থাকে। প্রয়োজন শুধু আন্তরিকতার সঙ্গে সেই দরজায় কড়া নাড়া।

    তাই শুক্রবারে শুধু নতুন পোশাক, ভালো খাবার কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘জুমা মোবারক’ জানানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকুক। বরং এটি হোক আত্মসমালোচনার দিন, তওবার দিন, কোরআনের কাছে ফিরে যাওয়ার দিন, নামাজকে জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে নেওয়ার দিন।

    হয়তো আমাদের জীবনে অনেক কিছুই বদলানো প্রয়োজন। কিন্তু পরিবর্তনের শুরুটা হতে পারে আজ থেকেই, শুক্রবার থেকেই। আসুন আমরা ফিরে যাই আমাদের রবের কাছে..

    লেখক: কো-অর্ডিনেটর, ইকরা বাংলাদেশে স্কুল হবিগঞ্জ

  • তেরো শতাব্দীজুড়ে মুসলিম সাম্রাজ্যের রাজধানীগুলো ছিল জ্ঞান, রাজনীতি ও সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু

    তেরো শতাব্দীজুড়ে মুসলিম সাম্রাজ্যের রাজধানীগুলো ছিল জ্ঞান, রাজনীতি ও সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু

    তেরো শতাব্দীজুড়ে মুসলিম সাম্রাজ্যের রাজধানীগুলো ছিল জ্ঞান, রাজনীতি ও সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু।

    ইতিহাসের দীর্ঘ পরিক্রমায় মুসলিম সাম্রাজ্য ও খেলাফতগুলোর রাজধানী শুধু প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবেই নয়, বরং রাজনৈতিক ক্ষমতা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, জ্ঞানচর্চা এবং সাংস্কৃতিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বসভ্যতায় বিশেষ অবদান রেখেছে।

     

    ইসলামের সূচনালগ্নে রাশিদুন খেলাফতের রাজধানী ছিল মদিনা ও কুফা। পরবর্তীতে উমাইয়া খেলাফতের রাজধানী হিসেবে দামেস্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আব্বাসীয় খেলাফতের সময় রাজধানী কুফা, বাগদাদ ও সামাররায় স্থানান্তরিত হয় এবং বাগদাদ বিশ্বের অন্যতম জ্ঞানকেন্দ্রে পরিণত হয়।

     

    ফাতিমীয় খেলাফতের রাজধানী ছিল মাহদিয়া, আল-মানসুরিয়া ও কায়রো। স্পেনে প্রতিষ্ঠিত কর্দোবার উমাইয়া শাসনের রাজধানী ছিল কর্দোভা, যা মধ্যযুগে ইউরোপের অন্যতম উন্নত নগরীতে পরিণত হয়।

     

    সেলজুক সাম্রাজ্যের রাজধানী হিসেবে নিশাপুর, রাই, ইসফাহান ও মেরভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আইয়ুবীয় রাজবংশ কায়রো ও দামেস্ককে রাজধানী হিসেবে ব্যবহার করে। মিশরের মামলুক সুলতানাতের রাজধানী ছিল কায়রো।

     

    মধ্য এশিয়ার তিমুরীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল সমরকন্দ ও হেরাত। উসমানীয় সাম্রাজ্যের বিভিন্ন সময়ের রাজধানী ছিল সোগুত, বুরসা, এদিরনে এবং পরবর্তীতে কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল), যা দীর্ঘ সময় ধরে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রধান নগরী হিসেবে পরিচিত ছিল।

     

    সাফাভি সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল তাবরিজ, কাজভিন ও ইসফাহান। অন্যদিকে ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল সাম্রাজ্যের রাজধানী বিভিন্ন সময়ে আগ্রা, দিল্লি, ফতেহপুর সিক্রি ও লাহোরে স্থানান্তরিত হয়।

     

    ইতিহাসবিদদের মতে, এসব রাজধানী শুধু শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রই ছিল না; বরং বিজ্ঞান, সাহিত্য, শিল্পকলা, স্থাপত্য এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেরও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিশ্ব ইতিহাসে স্থায়ী ছাপ রেখে গেছে। তেরো শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত মুসলিম বিশ্বের ভৌগোলিক ব্যাপ্তি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের উজ্জ্বল সাক্ষ্য বহন করে এসব ঐতিহাসিক রাজধানী।

  • ইসলামের প্রকৃত আদর্শ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে দায়িত্বশীলদের দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করতে হবে: হযরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী

    ইসলামের প্রকৃত আদর্শ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে দায়িত্বশীলদের দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করতে হবে: হযরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী

     

    বাংলাদেশ আনজুমান আল ইসলাহ’র সভাপতি হযরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী বলেছেন, ইসলামের প্রকৃত আদর্শ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ আনজুমান আল ইসলাহ ও বাংলাদেশ আনজুমান তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মীদের আরও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

    তিনি বলেন, তালামীযে ইসলামিয়া একটি মকবুল সংগঠন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সংগঠনটি ছাত্রসমাজের মধ্যে ইসলামী আদর্শ প্রচারের মাধ্যমে একঝাঁক মর্দে মুমিন তৈরি করেছে, যারা দেশ-বিদেশে দ্বীনের খেদমতে নিয়োজিত রয়েছেন এবং গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের পরিচয় দিচ্ছেন। সংগঠনটি শিক্ষাঙ্গনে সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    বুধবার (১০ জুন) দুপুরে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরশহরের থানা রোডস্থ আল খলিফা কনভেনশন হলে বাংলাদেশ আনজুমান আল ইসলাহ ও বাংলাদেশ আনজুমান তালামীযে ইসলামিয়া হবিগঞ্জ দক্ষিণ অঞ্চল আয়োজিত দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, প্রায় অর্ধশতাব্দীর ইতিহাসে তালামীযে ইসলামিয়া কখনো আদর্শচ্যুত হয়নি। সকল প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে সংগঠনটি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা-বিশ্বাস ও ইসলামের সুমহান আদর্শ ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছে।

    হযরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী বলেন, শামসুল উলামা হযরত আব্দুল লতিফ চৌধুরী ফুলতলী (রহ.) ইসলামের বিশুদ্ধ আকীদা ও কুরআনের শুদ্ধ তিলাওয়াত প্রচারে অসামান্য অবদান রেখেছেন। বহু প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েও তিনি রাসূল (সা.)-এর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। তাঁর আত্মত্যাগ ও অবদানের কারণেই তিনি মুজাদ্দিদে যামান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

    তিনি বলেন, ইসলামের সৌন্দর্য তখনই ফুটে উঠবে, যখন একজন মুসলমান ইসলামী আদর্শকে নিজের জীবনে ধারণ করবে এবং গর্বের সঙ্গে মুসলমান হিসেবে পরিচয় দেবে। প্রকৃত মুসলমান তৈরির কাজই তালামীযে ইসলামিয়া করে যাচ্ছে।

    সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কবির আহমদ। উদ্বোধক ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম। প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান তরফদার।

    হবিগঞ্জ দক্ষিণ অঞ্চল দায়িত্বশীল সমাবেশ বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক মুফতি আহমদ কবিরের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মোহাম্মদ এহতেরামুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ, তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি মুফতি মাওলানা বেলাল আহমদ, আনজুমান আল ইসলাহ হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন আহমদ, তালামীযে ইসলামিয়া হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি ফয়েজ আহমদ নোমানসহ বিভিন্ন উপজেলা ও জেলার নেতৃবৃন্দ।

    এসময় হবিগঞ্জ দক্ষিণ অঞ্চলের বিভিন্ন শাখার দায়িত্বশীল, কর্মী এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন: আত্মিক প্রশান্তি ও জীবন বদলে ফেলার এক নতুন পথ

    আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন: আত্মিক প্রশান্তি ও জীবন বদলে ফেলার এক নতুন পথ

    জীবনের ব্যস্ততা, দুশ্চিন্তা ও না-বলা কষ্টে মানুষ যখন দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন স্রষ্টার সঙ্গে গভীর আত্মিক সম্পর্কই হয়ে উঠতে পারে প্রকৃত আশ্রয়। আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন মানে তাঁর প্রজ্ঞা, করুণা ও শক্তির ওপর পূর্ণ আস্থা স্থাপন করা, যা মানুষের মানসিক শান্তি ও জীবনের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    পবিত্র কুরআনের সূরা বাকারার ১৫২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, “তোমরা আমাকে স্মরণ করো, আমি তোমাদের স্মরণ করব। আমার প্রতি কৃতজ্ঞ হও এবং আমাকে অস্বীকার করো না।” এই আয়াতটি জীবনের কঠিন সময়েও আল্লাহর স্মরণ (যিকর) ও কৃতজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরে।

    আধ্যাত্মিক উন্নতি ও আত্মিক প্রশান্তি অর্জনে কিছু কার্যকর ধাপ অনুসরণ করা জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে—নিয়মিত যিকর ও আত্মচিন্তা, কুরআনের অর্থসহ অধ্যয়ন, আন্তরিকভাবে দু’আ করা এবং ইবাদতের পাশাপাশি সৎকর্মে মনোযোগ দেওয়া। শুধু আনুষ্ঠানিক ইবাদত নয়, বরং মানুষের সঙ্গে উত্তম আচরণ, আমানত রক্ষা এবং দান-সদকার মাধ্যমেও আল্লাহর নৈকট্য অর্জন সম্ভব।

    এছাড়া, আধ্যাত্মিক যাত্রায় ধৈর্য ও ধারাবাহিকতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। কারণ আত্মিক শান্তি একদিনে অর্জিত হয় না; বরং এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, যেখানে বারবার আল্লাহর দিকে ফিরে আসাই মূল বিষয়।

    মানুষের প্রতিটি নীরব কষ্ট ও সংগ্রাম আল্লাহ অবগত আছেন। তাই জীবনের প্রতিটি দুশ্চিন্তা তাঁর কাছে সোপর্দ করলে তা কখনোই বৃথা যায় না। বরং ছোট ছোট ভালো কাজ ও স্মরণের মাধ্যমেই জীবনের ভাঙা অংশগুলো নতুনভাবে গড়ে ওঠতে পারে।

  • হবিগঞ্জে বৃহৎ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জে বৃহৎ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জের বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন হযরতুল আল্লামা মুফতি হাফেজ তৈয়্যিবুর রহমান চিশতী (রহ.)-এর স্মরণে জেলার অন্যতম বৃহৎ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    তৈয়্যবিয়া কাদেরিয়া মাদ্রাসা কমপ্লেক্সের উদ্যোগে আজ হবিগঞ্জের মাসুলিয়া সরকারি স্কুল মাঠ প্রাঙ্গন ও  মাসুলিয়া মরহুমা ছানা বেগম হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

    এতে ৫, ১০, ২০ ও ৩০ পাড়া—এই চারটি বিভাগে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত কয়েকশত হাফেজে কোরআন অংশগ্রহণ করেন।

    প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ীদের মাঝে দেড় লক্ষাধিক টাকা নগদ পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মাওলানা মুনিরুজ্জামান উসমানী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শায়েস্তাগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সাহাবুদ্দিন, মাওলানা মুফতি আশরাফুল ওয়াদুদ, মাওলানা নাছির উদ্দিন, হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক জনাব ফখরুদ্দিন খান পারভেজ, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক হাসবি সাঈদ চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সালাহ উদ্দিন আহমেদ টিটু।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হাফেজ মাওলানা তানভীর রেজা চৌধুরী। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মুজাম্মিল হক তরফদার, হাফেজ কারী এবাদুল হক চৌধুরী, হাফেজ মাওলানা মামুনুর রশিদ, আব্দুল জলিল ও কামাল হোসেনসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • হবিগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ ও গানের শিক্ষক বাতিলের দাবিতে স্মারকলিপি

    হবিগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ ও গানের শিক্ষক বাতিলের দাবিতে স্মারকলিপি

    দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি এবং গানের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা শাখা।

     

    স্মারকলিপি প্রদানকালে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের জেলা সভাপতি মাওলানা লোকমান ছাদী হাফিঃ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) মুফতি মঈনুদ্দিন খান তানভীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি আলহাজ্ব মহিব উদ্দীন আহমদ সোহেল, সেক্রেটারি আলহাজ্ব শামছুল হুদা এবং জেলা শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

     

    ওলামা মাশায়েখ পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানান, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামী নীতিমালা অনুসারে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হলে প্রতিটি বিদ্যালয়ে যোগ্য ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ করা জরুরি। একইসাথে গানের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন বাতিলেরও দাবি জানান তারা।

  • হবিগঞ্জে ঈদ ও কুরবানীর তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জে ঈদ ও কুরবানীর তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    আবদুর রউফ আশরাফ।।

    ইসলামী সংগ্রাম পরিষদ হবিগঞ্জ পৌর শাখার উদ্যোগে ঈদ ও কুরবানীর তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (২৮ মে) হবিগঞ্জ সাইফুর রহমান টাউন হলে ইসলামী সংগ্রাম পরিষদ, হবিগঞ্জ পৌর শাখা সভাপতি আলহাজ্ব মহিব উদ্দিন আহমেদ সোহেল এর সভাপতিত্বে মাওলানা নোমান আহমেদ সাদিক ও মাওলানা মহিউদ্দিন আল মোমিনর যৌথ পরিচালনায় ঈদ ও কুরবানীর তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত সেমিনারে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করেন ইসলামী সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলিপুরী,
    পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হযরত মাওলানা আবু সালেহ সা’দী, মাওলানা লোকমান সাদী, মাওঃ মুফতী সিরাজুল ইসলাম মিরপুরী, মুফতি তাফাজ্জুল হক, মাওলানা নাসির উদ্দীন হাদী, আলহাজ্ব শামসুল হুদা, এসময় বক্তারা বলেন ঈদ ও কুরবানী শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং একটি আত্মত্যাগ, সহানুভূতি ও সমাজে কল্যাণ প্রতিষ্ঠার প্রতীক। কুরবানীর প্রকৃত শিক্ষাই সমাজে ন্যায়ের ভিত্তিতে সম্প্রতি গড়ে তুলতে হবে।