Category: খেলাধুলা

  • আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

    আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

    শুরুটা হয়েছিল হতাশাজনকভাবে। গ্রুপ পর্বে কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিল স্পেন। সেই দলটিই ধীরে ধীরে নিজেদের বদলে ফেলে। দুর্দান্ত ছন্দে একের পর এক জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে পৌঁছে যায় লা রোজা। আর শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের করে নেয় স্পেন।

    সোমবার ভোরে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। পরে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে বদলি খেলোয়াড় ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে জয়ের উল্লাসে মাতে স্পেন। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরের শিরোপা জিতল ইউরোপের দেশটি।

    পুরো ম্যাচজুড়েই আধিপত্য ছিল স্পেনের। বল দখল, আক্রমণ ও গোলের সুযোগ তৈরিতে তারা ছিল স্পষ্টভাবে এগিয়ে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা মাত্র ৩৫ শতাংশ বলের দখল ধরে রাখতে সক্ষম হয় এবং পুরো ম্যাচে লক্ষ্যে একটি শটও নিতে পারেনি।

    ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেন আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে। লামিন ইয়ামাল, দানি ওলমো, ওয়ারজাবাল ও ফাবিয়ান রুইজ একের পর এক আক্রমণ চালালেও দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখান আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ আর্জেন্টিনাকে দীর্ঘ সময় ম্যাচে টিকিয়ে রাখে।

    প্রথমার্ধে ৬৫ শতাংশ বল দখলে রাখে স্পেন। পাস ও আক্রমণের সংখ্যাতেও তারা ছিল অনেক এগিয়ে। তবে গোলের দেখা না পাওয়ায় বিরতিতে ০-০ সমতায় মাঠ ছাড়ে দুই দল।

    দ্বিতীয়ার্ধেও স্পেনের একচেটিয়া আধিপত্য অব্যাহত থাকে। আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ বারবার চাপে পড়লেও মার্টিনেজের দৃঢ়তায় গোলশূন্য থাকে ম্যাচ। শেষদিকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

    অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে স্পেনের একটি গোল ভিএআর পর্যালোচনার পর বাতিল করা হয়। তবে হতাশ হয়নি লা রোজা। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার মাত্র ২৭ সেকেন্ডের মাথায় পেদ্রো পোরোর ক্রস থেকে ফেরান তোরেস বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে এগিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত সেই গোলই গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য।

    এই জয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলল স্পেন। অন্যদিকে ২০২২ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে এবার রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।

    বিশ্বকাপের শুরুতে সমালোচনার মুখে পড়া স্পেন শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় তুলে নিল। আর ফুটবল বিশ্ব পেল নতুন এক বিশ্বসেরা দল।

  • আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে ফেসবুক পোস্ট, হবিগঞ্জে দুই গ্রামের সংঘর্ষ; আহত ৩০

    আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে ফেসবুক পোস্ট, হবিগঞ্জে দুই গ্রামের সংঘর্ষ; আহত ৩০

    বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টের জেরে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

    সোমবার (১৩ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার ধুলিয়াখাল ও তেতৈয়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টার পর রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল হক মুন্সী জানান, বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ম্যাচ নিয়ে ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

    তিনি আরও জানান, সংঘর্ষে একজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে ৫ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতে হয়েছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আহতদের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • হবিগঞ্জে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

    হবিগঞ্জে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লোকড়া ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

     

    বুধবার (৩ জুন) দুপুরে কাশিপুর গ্রামে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

     

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে কাশিপুর গ্রামে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের অংশগ্রহণে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় ব্রাজিল দল ২-০ গোলে পরাজিত হওয়ার পর ধারাভাষ্যকারের মাইকে দেওয়া একটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

     

    পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হয়। তবে বুধবার দুপুরে আগের ঘটনার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

     

    সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। আহতদের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

     

    হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

     

    পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

  • হবিগঞ্জের কৃতী সন্তান সজীবের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে ডাক

    হবিগঞ্জের কৃতী সন্তান সজীবের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে ডাক

    হবিগঞ্জের কৃতী সন্তান মোঃ তানভীর হোসেন সজীব বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রাথমিক ক্যাম্পে ডাক পেয়েছেন। তার এ সাফল্যে এলাকায় বইছে আনন্দের বন্যা।

    জানা যায়, তরুণ এই ক্রিকেটার দীর্ঘদিন ধরে কঠোর পরিশ্রম ও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে আসছিলেন। অবশেষে তার সেই পরিশ্রমের স্বীকৃতি মিলেছে জাতীয় দলের বয়সভিত্তিক পর্যায়ে সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে।

    আগামী ৬ মে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন এবং সেখানে ক্যাম্পে যোগ দেবেন। স্থানীয় ক্রীড়ামোদী ও এলাকাবাসী তার জন্য দোয়া কামনা করেছেন, যেন তিনি ভবিষ্যতে জাতীয় দলে প্রতিনিধিত্ব করে দেশ ও জেলার মুখ উজ্জ্বল করতে পারেন।

    সজীবের এই অর্জনে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি পুরো হবিগঞ্জবাসী গর্বিত।

  • কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে YCL, হবিগঞ্জের দুই তরুণের সুযোগ

    কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে YCL, হবিগঞ্জের দুই তরুণের সুযোগ

    আগামী ৩০ মার্চ থেকে কক্সবাজারে শুরু হতে যাচ্ছে YCL (Youth Cricket League)। দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা এতে অংশগ্রহণ করবেন।

    সিলেট বিভাগ থেকে হবিগঞ্জ জেলার দুই উদীয়মান ক্রিকেটার— মো: তানভীর হোসেন সজিব ও আসাদুল জামান মাহি—এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। তাদের এই অর্জনে এলাকায় আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।

    জানা গেছে, আজ (রাত ৮টা ৩০ মিনিটে) তারা কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। তাদের সফলতা কামনা করছেন স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীসহ সর্বস্তরের মানুষ।

    এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তারা নিজেদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ তৈরি করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

  • একসাথে দুই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় যাচ্ছে হবিগঞ্জ প্রজন্ম উশু সান্দা ফাইট ক্লাব!

    একসাথে দুই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় যাচ্ছে হবিগঞ্জ প্রজন্ম উশু সান্দা ফাইট ক্লাব!

    হবিগঞ্জ প্রজন্ম উশু সান্দা ফাইট ক্লাবের খেলোয়াড়রা সব সময়ের মতো এবারও একসঙ্গে দুইটি আন্তর্জাতিক মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাচ্ছেন।

    আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত নেপালে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক মার্শাল আর্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিচ্ছেন—

    গাউছ মিয়া, হামিদুর রহমান রাকিব, মো. ইমরান ও রাসেল। দলের সঙ্গে কোচ হিসেবে থাকছেন বাবুল আহমেদ রুবেল।

    নেপাল থেকে ফিরে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে আবারও আন্তর্জাতিক মিশনে যাচ্ছেন তারা। কোচ বাবুল আহমেদ রুবেল ১৭ ডিসেম্বর চার খেলোয়াড়কে নিয়ে রওনা হবেন হংকংয়ে, যেখানে অনুষ্ঠিত হবে আরেকটি আন্তর্জাতিক মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতা।

    প্রতিযোগিতায় খেলোয়াড়দের ওজন বিভাগগুলো হলো— গাউছ মিয়া – ৭০ কেজি, ইমরান – ৫৪ কেজি, রাসেল – ৬০ কেজি, রাকিব – ৫৭ কেজি, বাবুল আহমেদ রুবেল (খেলোয়াড় হিসেবে হংকংয়ে) – ৫১ কেজি।

    কোচ রুবেল হবিগঞ্জ নিউজকে জানান,

    “গত ডিসেম্বরে আমি নিজেও হংকংয়ে খেলেছিলাম। এবারও খেলতে যাচ্ছি। খেলোয়াড়দের সাথে একসাথে দুইটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পেরে আমি গর্বিত। আমরা কঠোর কেম্প করছি, ইনশাআল্লাহ ভালো রেজাল্ট নিয়ে আসব।”

    তিনি আরও জানান, দেশের বিভিন্ন মার্শাল আর্ট ফাইটাররা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে দুবাই, মালয়শিয়া, ভারত, সৌদি আরব, হংকং, আমেরিকা, কাজাখস্তান, চায়না, মঙ্গোলিয়া, থাইল্যান্ডসহ বহু দেশে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কিন্তু তবুও তারা পর্যাপ্ত স্পন্সর পান না।

    “সবাই বাহবা দেয়, ছবি তোলে; কিন্তু আর্থিক সহায়তা দেয় না। খেলোয়াড়রা নিজ উদ্যোগে টাকা জমিয়ে বিদেশে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যায়।” — বলেন তিনি।

     

    সরকার ও ফেডারেশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মার্শাল আর্টে আন্তর্জাতিক সাফল্যের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। সামান্য সহায়তা পেলে বাংলাদেশকে আরও অনেক দূর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।”

    শেষে তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করে বলেন, “আমার স্বপ্ন মার্শাল আর্ট, নেশা মার্শাল আর্ট, পেশা মার্শাল আর্ট।”

  • ‘আফনারা সবাই আসছেন আমারে দেখবার লাগি, আমার খুব ভালো লাগছে’

    ‘আফনারা সবাই আসছেন আমারে দেখবার লাগি, আমার খুব ভালো লাগছে’

    হবিগঞ্জের বাহুবলে নিজ বাড়িতে বিশাল সংবর্ধনায় সিক্ত হন হামজা চৌধুরী। এসময় তিনি সবাইকে সালাম নিবেদন করলেন। পরে হামজা সিলেটি ভাষায় বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগছে। আফনারা সবাই আসছেন আমাকে দেখবার লাগি।’ পরে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বলে তার বক্তব্য শেষ করেন। 

    এর আগে সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামার পর তার মা, স্ত্রী এবং সন্তানদের নিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশে সড়কপথে যাত্রা করে বিকালে পৌঁছেছেন গ্রামের বাড়িতে। সেখানে পৌঁছে স্বজন ও ভক্তদের ফুলেল শুভেচছায় সিক্ত হয়েছেন হামজা চৌধুরী।

    সোমবার (১৭ মার্চ) বিকাল সাড়ে তিনটায় হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার স্নানঘাট গ্রামে পৌঁছালে হাজার হাজার জনতা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

    হামজার আগমণকে ঘিরে তার বাড়ি সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। বাড়ির প্রবেশপথসহ পথে পথে তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। আলোকসজ্জা করা হয়েছে পুরো বাড়িতে। বাড়ির পাশে খালি জায়গায় ছোট একটি মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ছোট্ট পরিসরে তিনি আগত অতিথিদের সাথে কুশল বিনিময় করবেন বলেও জানা যায়।

    হামজা চৌধুরীর চাচা দেওয়ান মাসুদ জানান, ২০১৪ সালে সর্বশেষ দেশে এসেছিলেন হামজা। ২০২২ সালে হামজার বিয়ে হয়। এরপর আর তার দেশে আসা হয়নি। তাদের আগমণ ঘিরে আমাদের পুরো জেলাজুড়ে মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

    হামজা চৌধুরীর বাবা দেওয়ান গোলাম মোর্শেদ বলেন, অনেকেই সংবর্ধনার আয়োজন করতে চেয়েছিলেন কিন্তু আমি বারণ করেছি। রমজান মাসে অনেক লম্বা সফর করেছে পুরো পরিবার। তারপর আমি নিজে বাড়িতে ইফতারের ছোট্ট আয়োজন করেছি। যেহেতু দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষজন এসেছেন। তাই সবার সম্মানে এই আয়োজন। আজ রাত বাড়িতে থাকার পর আগামীকাল সবাই মিলে ঢাকায় চলে যাবো।