Category: ক্রাইম ‍নিউজ

  • কোথাও জজের ভাগ্নে, কোথাও সাংবাদিক পরিচয়ে ইফাজের যত অপকর্ম !

    কোথাও জজের ভাগ্নে, কোথাও সাংবাদিক পরিচয়ে ইফাজের যত অপকর্ম !

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউপির সমুজদিপুর গ্রামের আফজল খা পুত্র ইফাজ খা(২৫) এলাকা নতুন আতঙ্কে পরিণত হয়েছে ।আর তার সকল অপকর্মের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন ওই এলাকার একজন সিলেটের বিদ্যুৎ বিভাগে দায়িত্বশীল বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হারুনুর রশিদের নাম। যদিও বাস্তবে তার সাথে কোন সম্পর্কই নেই । আবার কোথাও তিনি নিজেকে তথাকথিত সাংবাদিক ও তথাকথিত প্রেসক্লাবের সদস্য পরিচয় দিয়ে চালাচ্ছেন নানা অপকর্ম।অথচ মাধবপুরের মূলধারা সাংবাদিকরা কেউ তাকে চেনেনই না।চুরি, শিশু নির্যাতন,মাদক,অস্ত্র, হামলা, সাইবার ক্রাইম কী নেই তার বিরুদ্ধে!

    সম্প্রতি, “মাধবপুরে নতুন ত্রাস ইফাজ খা গং” শিরোনামে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রচার হলে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের মাধ্যমে এটির অধিকতর তদন্তের জন্য কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই রায়হানকে দায়িত্ব দেয়া হয়।তিনি ঘটনার সত্যতা প্রমাণ পান।তদন্ত কর্মকর্তা রায়হান বলেন,তাকে পেলেই আটক করা হবে।তিনি আরো জানান,ইফাজ নিজেকে জজ সাহেবের আপন ভাগিনা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। ইনি আসলেন নাকি তার বাড়িতেই তার সরকারি গাড়ি রাখেন।এছাড়া তিনি প্রথম বারের মত তাকে ক্ষমা করে দেয়ার একটি সুযোগও চান।

    পরে ওই তদন্ত কর্মকর্তা জানতে পারেন, জজ সাহেবের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই তেমন।জজের নাম ভাঙ্গিয়েই চলাই প্রতারক ইফাজের কাজ। বিভিন্ন জায়গায় সে জজ সাহেবের আপন ভাগিনা বলে পরিচয় দেন।কোথাও নিজেকে সাংবাদিক বলেও দাবি করেন।

    এদিকে নিজেকে তথাকথিত সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ব্ল্যাকমেইল ও নিজেকে জাহির করার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে তার বিরুদ্ধে।

    প্রসঙ্গত,সে বিগত ২০২৩ সালের মে মাসে স্থানীয় আরিছপুর আছিয়া খাতুন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় তালা ভেঙ্গে ওয়াইফাই রাউটার চুরি করে।যা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে আপস-মীমাংসা হয়।এ ঘটনার সত্যতা জানিয়েছে স্কুলটির প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক ইয়াসিন উদ্দিন।এছাড়া ওই স্কুলটিতে ঘটে যাওয়া আরো ৩টি চুরির ঘটনায়ও সন্দেহের তালিকায় তার নাম এসেছিল।

    স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি জিল্লুর নিশ্চিত করেন। ইফাজ ২০২৩ সালের অক্টোবরে তার ক্লিনিক থেকে ১টি পাম্প ও ৪টি ফ্যান চুরি হয়।

    ইফাজের দাদা ফেইসবুকে লাইভে এসে বলেন ,ইফাজ তার মটর চুরি করে স্থানীয় কাশিমপুর কুখ্যাত চোর মানিক এর কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। পরে সেটি ধরাও খায়।

    স্থানীয় সমজদিপুর গ্রামের মসজিদের তালা ভেঙ্গে সৌর বিদ্যুতের ব্যাটারি ও দান বাক্স চুরি করে নিয়ে যায় পরে সেটি প্রমাণিত হয়। কিন্তু কোন কিছুই সে ফেরত দেয়নি।

    গত সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর)স্থানীয় মসজিদের ইমাম আলেফ খা ও স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াসমিন বেগমের বাড়িতে সে ও তার লোকজন দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে হামলা করে বাড়িঘরে আগুন লাগিয়ে লোকজনদের জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযোগ রয়েছে শিশুসহ নারীদের উপরও হামলা করার। যদিও বিষয়টি স্থানীয় কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির আইসি নূর মোহাম্মদ পুনরায় তদন্ত করছেন।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ,ইফাজ খা দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি একটি পিস্তল ব্যবহার করেন। তা দিয়ে লোকজনদের ভয় দেখান। এ ছাড়া তার রয়েছে কয়েকটি রানদা ও দেশীয় অস্ত্র। সেনাবাহিনীর বা পুলিশ যেন অভিযান করে ওইসব অস্ত্র উদ্ধার করেন সেই দাবি এখন এলাকাবাসীর।

  • হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্টানে বারবার চুরির প্রতিবাদে টানা ২য় দিনের সড়ক অবরোধ 

    হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঘন ঘন চুরির প্রতিবাদে শহরের প্রধান সড়ক অবরোধ করে টানা ২য় দিনের মত বিক্ষোভ করেছে ব্যবসায়ীরা। এ সময় প্রধান সড়কে প্রায় ২ ঘন্টা যাবত যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রাস্তার দু’পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

    ব্যবসায়ীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে অবরোধ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী আশিক। এছাড়াও হবিগঞ্জ সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম আওয়াল, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. চৌধুরী ইশতিয়াক রাজ, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আবু হাসিব খান চৌধুরী পাবেল, প্রেসক্লাব যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরীফ চৌধুরী, হবিগঞ্জ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সভাপতি শাহ জালাল উদ্দিন জুয়েল সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

    অবরোধচলাকালে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিবুল ইসলাম অবরোধস্থলে উপস্থিত হয়ে ব্যবসায়ীদেরকে আস্বস্থ করে তিনি বলেন, পুলিশ সুপার আক্তার হোসেন ছুটিতে আছেন। ২ দিনের মধ্যে তিনি আসবেন। তখন আমরা ব্যবসায়ীদের নিয়ে আলোচনায় বসবো। আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

    ব্যবসায়ীরা জানান, সাম্প্রতিককালে
    হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঘনঘন চুরি সংঘটিত হয়েছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানোর পরও তেমন কোন কার্যাকরি প্রদক্ষেপ গ্রহন করেনি পুলিশ।

    শুক্রবার দিবাগত রাতে শহরের টাউন হল রোড এলাকায় অবস্থিত গেজেট হবিগঞ্জ নামের মোবাইল ফোনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি চুরি হয়। চোরেরা নগদ টাকা, মোবাইলসহ প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।
    এর প্রতিবাদে টানা ২য় দিনের মত আজ ৩১ মার্চ রবিবার দুপুর ২ টা থেকে শহরের প্রধান সড়ক টাউন হল রোড এলাকায় রাস্তায় বসে অবরোধ করেন ব্যবসায়ীরা। অবরোধের ফলে প্রধান সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অবরোধে ২ ঘন্টারও বেশি সময় যানচলাচল বন্ধ থাকে। ফলে শহরজুড়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।
    গতকাল শনিবার দুপুর ১২টা থেকেও ব্যবসায়ীরা একইভাবে অবরোধ করে রেখেছিলেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরির সংঘটিত হলেও পুলিশ কোন কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে না। ফলে বাধ্য হয়েই ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নেমেছেন।
    গেজেট হবিগঞ্জ প্রতিষ্টানের স্বত্বাধিকারী আরাফাত চৌধুরী জানান, আমার দোকান এখন পর্যন্ত ৩ বার চুরি হয়েছে। একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্টান যদি ৩ বার চুরি হয়, তাহলে আর কিভাবে ব্যবসায় করা যায়। আজ ২য় দিনের মত আমরা এই অবরোধ পালন করেছি আমরা।

    হবিগঞ্জ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর দেওয়ান জানান, এ পর্যন্ত গেজেট হবিগঞ্জ ব্যবসায় প্রতিষ্টানটি ৩ বার চুরি হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমাদের আস্বস্থ করেছেন সর্বোচ্চ পর্যায়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তিনি আরো জানান, পুলিশ আমাদের কথা দিয়েছে সুষ্ঠু তদন্ত হবে। তাই আমরা এই অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করছি।

    এ ব্যাপারে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিবুল ইসলাম অবরোধ স্থলে উপস্থিত হয়ে বলেন, আমি নিজেও একজন ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। আমি বুঝি একটি ব্যবসা প্রতিষ্টান চুরি হলে একজন ব্যবসায়ীকে কতটা সমস্যায় পরতে হয়। তিনি বলেন পুলিশ সুপার বর্তমানে ছুটিতে আছেন। ২ দিন পর তিনি আসবেন। তখন আমরা ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সহ ব্যবসায় নেতৃবৃন্দদের নিয়ে আলোচনায় বসব। তদন্ত স্বার্থে আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ে আইনগত ব্যবস্হা গ্রহন করবো৷

  • হবিগঞ্জ শহরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একের পর চুরির প্রতিবাদে ৪ ঘন্টা প্রধান সড়ক অবরোধ

    হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একের পর এক চুরির প্রতিবাদে শহরের প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে ব্যবসায়ীরা। এ সময় সড়কে প্রায় ৪ ঘন্টা যাবত যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

    ব্যবসায়ীরা জানান, ইদানিং শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঘনঘন চুরি সংঘটিত হয়ে আসছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের করা হলেও কোন কার্যাকরি পদক্ষেপ নেয়নি পুলিশ। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন অসাধু পুলিশের যোগসাজশে এসব চুরি সংঘটিত হচ্ছে।

    শুক্রবার দিবাগত রাতে শহরের টাউনহল এলাকার মোবাইল ফোনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গেজেট হবিগঞ্জে চুরি সংঘটিত হয়। চোরেরা নগদ টাকা, মোবাইলসহ প্রায় ও ৩ লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি করে নিজে যায়।
    এর প্রতিবাদে শনিবার বেলা ১১টা থেকে শহরের প্রধান সড়ক টাউন হল এলাকায় রাস্তায় বসে অবরোধ করে রাখেন ব্যবসায়ীরা। ফলে প্রধান সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অবরোধে প্রায় ৪ ঘন্টা যানচলাচল বন্ধ থাকে। ফলে শহরজুড়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।
    ব্যবসায়ীরাই অভিযোগ করে বলেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরির সংঘটিত হলেও পুলিশ কোন ভূমিকা পালন করছে না। ফলে বাধ্য হয়েই ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নেমেছেন।

    চুরি হওয়া গেজেট হবিগঞ্জ প্রতিষ্টানের স্বত্বাধিকারী আরাফাত চৌধুরী জানান, আমার দোকান এখন পর্যন্ত ৩ বার চুরি হয়েছে। একটি ব্যবসা প্রতিষ্টান যদি ৩ বার চুরি হয়, তাহলে আর কিভাবে আমার ব্যবসায় করব। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা আমাদের এই অবরোধ নিয়ে মশকারি করে বলেন “ওরা যখন ক্লান্ত হবে এমনিতেই রাস্তা ছেড়ে চলে যাবে”। এসব চুরি বন্ধ ও অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার অপসারণের দাবি জানান তিনি।
    একই দাবিতে আগামীকাল দুপুর ১২টায় বৃহত্তর কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন হবিগঞ্জ শহরের ব্যবসায়ীরা।
    হবিগঞ্জ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর দেওয়ান জানান, এ পর্যন্ত গেজেট হবিগঞ্জ ব্যবসায় প্রতিষ্টানটি ৩ বার চুরি হয়েছে। পুলিশ কোন কার্যকরী পদক্ষেপ না নেওয়াতে শহর জুড়ে চুরি বেড়েছে। তিনি জানান, রোজাদার ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের কথা চিন্তা করে আমাদের আজকের মতো অবরোধ স্থগিত করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, একই স্থানে আগামীকাল দুপুর ১২ টা থেকে আবারও অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।
    এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো: মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ জানান, একের পর এক ব্যবসা প্রতিষ্টানে চুরির ঘটনায় পুলিশ সন্দেহজনক চোরদেরকে আটক করছে৷ কিন্তু তারা আবার জামিনে বের হয়ে আবার চুরি করছে৷ আমরা চুরি হওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে বলেছি থানায় অভিযোগ দিতে৷ অভিযোগ পেলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিবো৷

  • লাখাইয়ে শ্বাশুড়ি হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন

    লাখাইয়ে শ্বাশুড়ি হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন

    বিল্লাল আহমেদ:  লাখাই  উপজেলার  জিরুন্ডা গ্রামের  মৃত আলী আহমদ,  স্ত্রী    ভিকটিম  জনৈক ফুলজাহান বেগম (৬২) কে হত্যার দায়ে  একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন নিহতর পুত্রবধূর  স্বীকারোক্তি দিয়েছে।  শাড়ি কাপড়ের  দ্বারা গলায় পেচাইয়া হত্যা করে মৃতদেহ  কচুরিপানাযুক্ত ডোবার নিচে রাখে।

    .

    উক্ত হত্যার মামলার সংবাদ প্রাপ্তির পর হবিগঞ্জের সুযোগ্য পুলিশ সুপার  আক্তার হোসেন এর নির্দেশে দ্রুত মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতারে মাঠে নামে লাখাই থানা পুলিশ।

    এরই সূত্র ধরে লাখাই থানা পুলিশ মামলা দায়ের  হওয়ার পর ঐ দিনই একেই গ্রামের  আসামি নিহত এর ছেলে মহিবুল হাসান এর স্ত্রী   সুমাইয়া আক্তার (২২) বৃহস্পতিবার ১ ফেব্রুয়ারি  গ্রেফতার করে।

    পরে পুলিশ হেফাজতে নিয়া জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে গ্রেফতারকৃত আসামী সুমাইয়া আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বীকার করে শুক্রবার  ০২ ফেব্রুয়ারি  তারিখে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য প্রেরণ করিলে আসামি নিজেই তার শ্বাশুড়ি ভিকটিম ফুলজাহান বেগম (৬২) কে বসতঘরে শাড়ি কাপড়ের ডোরা (পাইর) দ্বারা গলায় পেচাইয়া হত্যা করে মৃতদেহ বাড়ীর পাশে কচুরিপানাযুক্ত ডোবার নিচে রাকে লাশ  গুম করে মর্মে বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করে ।

    এব্যাপারে মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা এসআই জহির উদ্দিন বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জের ধরে কাজ করে যাচ্ছি, এতে মূল বিষয় বেরিয়ে আসবে বলে আশা করি। প্রকৃত ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করতে কাজ করছি।

  • সিলেটে গতবছর ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন

    সিলেটে গতবছর ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন

    আবুল কাশেম রুমন:  মান অভিমান, পারিবারিক নানা সমস্যা সহ বিষয়কে নিয়ে এক বছরে সিলেটে ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। এর পেছনে ছিল নানা কারণ।
    এমন তথ্য প্রকাশ করেছে বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশন। দেশের ১০৫টি জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালের আত্মহত্যার সংবাদ বিশ্লেষণ করে একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছে তারা।
    শনিবার (২৭ জানুয়ারী) সমীক্ষার ফল ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়।
    আঁচল ফাউন্ডেশন জানায়, সব মিলিয়ে গত বছর (২০২৩) দেশে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ৫১৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে নারী শিক্ষার্থী ৩০৯ জন এবং পুরুষ শিক্ষার্থী ২০৪ জন। আত্মহননের পেছনে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রেই কাজ করেছে অভিমান।
    সমীক্ষার ফলাফল অনুসারে, গেল বছর সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ১৪৯টি। এর পরের অবস্থান চট্টগ্রাম বিভাগের, এখানে আত্মহত্যা করেছেন ৮৯ জন শিক্ষার্থী।
    এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৭৭ জন, খুলনা বিভাগে ৬৪ জন, বরিশাল ও রংপুর উভয় বিভাগেই ৪৩ জন করে, ময়মনসিংহে ৩৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন।
    আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন স্কুলগামী শিক্ষার্থী ২২৭ জন, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ১৪০ জন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৯৮ জন ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ৪৮ জন।
    সংবাদ সম্মেলনে আঁচল ফাউন্ডেশনের সভাপতি তানসেন রোজ বলেন, আত্মহত্যার ঘটনায় মূল ভূমিকা রাখছে অভিমান।
    অভিমানের কারণে আত্মহত্যার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় পরিবারের সঙ্গে সন্তানদের সম্পর্ক কতোটুকু মজবুত তা নিয়ে চিন্তার উদ্রেক করে।
    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে দেশে আত্মহত্যা করেছিল ৫৩২ জন শিক্ষার্থী। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৫১৩ জনে।
  • শায়েস্তাগঞ্জে ভাঙ্গারী ব্যবসাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অপরাধ চক্র

    শায়েস্তাগঞ্জে ভাঙ্গারী ব্যবসাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অপরাধ চক্র

    রেল ও শিল্প প্রতিষ্ঠান নির্ভর হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গারী ব্যবসার অন্তরালে ঘিরে গড়ে উঠেছে শক্তি শালি বিভিন্ন অপরাধী সিন্ডিকেট চক্র ।

    এ সকল সিন্ডিকেট চক্র সদস্যরা এলাকায় চুরি , ছিনতাই , মাদক সেবন , মাদক বিক্রি , জুয়া সহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে সক্রিয় রয়েছে ।

    জানা যায় , ওই সব চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন অপকর্ম প্রকাশ্যে চালিয়ে গেলে ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন রহস্য জনক নীরব ভূমিকা নিয়ে এলাকার জনমনে নানা কথা বেঁধে উঠেছে । এসব ভাঙ্গারী উপজেলার ঢাকা – সিলেট নতুন ব্রীজ গোলচক্কর মহাসড়কের পাশে , প্রতিটি হাট-বাজার অলিগলি , বাস স্ট্যান্ড , শহরে পাড়া-মহল্লায় গড়ে উঠা ভাঙ্গারী ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ওই সব দোকানী ও সিন্ডিকেট চক্র সদস্যরা স্বল্প বেতন কিংবা কমিশনে স্থানীয় মাদক সেবী , বখাটে শিশু – কিশোর , যুবক-যুবতী , বয়স্ক নারী-পুরুষ ও ছিচকে চোরদের কাজে লাগিয়ে এবং তাদেরকে ব্যবহার করে বিভিন্ন বাসা- বাড়ী , ব্যবসা প্রতিষ্ঠান , দোকান- পাট , সরকারি – বেসরকারি প্রতিষ্ঠান , শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , চা-বাগান থেকে বিভিন্ন প্রকার লোহার মালামাল , টিন , স্টিল , তামা, পেপার , বই , এ্যালুমিনিয়াম , প্লাষ্ঠিক , মোবাইল , গাড়ি টায়ার , শ্যালু মেশিন , ইলেকট্রনিকস মোটর , রেলওয়ে বিভিন্ন লোহা , দরজা- জানালার গ্রিল , সাইকেল , ইলেকট্রিক ফ্যান , রিস্কা , ট্রান্সফরমার , বিদ্যুৎ সরজ্ঞাম সহ নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারী দ্রব্য চুরি করিয়ে তা কম দামে ক্রয় করে বিশাল মজুদ গড়ে তুলে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীরা ।

    এসব ভাঙ্গারী মালামাল দেশের স্থানে মিলে কারখানায় অধিক মূল্য বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা । তবে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৪০ টি মত ভাঙ্গারী দোকান রয়েছে । তাদের নেই কোনো বৈধ কাগজ পত্র । শুধু ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে আড়ালে ব্যবসা করে যাচ্ছে ।

    প্রত্যেক ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীরা তাদের নিযুক্ত ফরিয়া- হকার কিংবা খুচরা – পাইকারি ক্রেতাদের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন সিন্ডিকেট চক্র সদস্যরা রাতের অন্ধকারে চুরি করে নিয়ে এসে ভাঙ্গারী দোকানে বিক্রি করে দিচ্ছে ।

    এমনকি এ সকল চোরের দল সুযোগ বুঝে বাসা – বাড়ি থেকে মোবাইল , টাকা , স্বর্ণালংকার চুরি কিংবা বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ টাকা সহ মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে । তারাসব সময় ধরাছোঁয়ার বাহিরে থাকে । ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীরা স্থানীয় কিছু প্রভাব শালী ও হাইওয়ে থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে এ ভাঙ্গারী ব্যবসাটি খুব লাভ জনক বিধায় শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় যেখানে সেখানে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ভাঙ্গারী দোকান এবং স্থানীয় প্রশাসন নজর না থাকায় দিন দিন চুরি বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

  • বানিয়াচংয়ে চোরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে আতংকিত গ্রামবাসী

    বানিয়াচংয়ে চোরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে আতংকিত গ্রামবাসী

    হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার একটি ইউনিয়নে ১মাসে ৩৩টি ঘর বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

    দিন দিন চোরের এমন উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে আতংকিত হয়ে পড়েছেন গ্রামবাসী। চোরের এহেন কর্মকান্ডের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতাকে দায়ী করছেন এলাকাবাসী।

    এক অনুসন্ধানে এমনই চুরির ভয়াবহতা সম্পর্কে জানা যায়, এই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের সাথে আলাপকালে।
    বানিয়াচং উপজেলার ৮নং খাগাওড়া ইউনিয়নের সন্দলপুর গ্রামে এসব চুরির ঘটনা ঘটেছে ।

    এই গ্রামের লোকজন জানান, এমন কোন রাত নেই যে কোথাও না কোথাও এই দু:সাহসিক চুরি সংঘটিত হচ্ছে গ্রামের বিভিন্ন ঘর-বাড়িতে৷ গ্রামবাসীর তথ্য সূত্রে জানা যায়,গত ১ মাসে অন্তত ৩৩টা বাড়ি ঘরে এসব দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা সংঘটিত করেছে এলাকার চিহ্নিত চোরের দল।

    প্রতিনিয়ত এসব চুরির ঘটনায় আতংক বিরাজ করছে গ্রাম তথা পুরো ইউনিয়নের এলাকাবাসীর মধ্যে। এসব চোরেরা বাড়ির দরজা-জানালা ভেঙে ও অতি সুকৌশলে ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালঙ্কার,টাকা- পয়সা,টিভি,দামী মোবাইল ফোন সেটসহ ঘরের মূল্যবান মালামাল নিয়ে যাচ্ছে ।

    পাশাপাশি বিভিন্ন বাড়ি থেকে সৌর বিদ্যুৎ চালিত সোলার ব্যাটারী ও ফিশারী থেকে থেকে মাছ পর্যন্ত চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে এই চোর চক্র।

    এছাড়াও এসব চোরের দলের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেনা গ্রামের অসহায় প্রতিবন্ধী থাকা বাড়ি ঘরের লোকজনও।

    অন্যদিকে এতোসব ঘটনার পরেও বেশি সংখ্যক ভুক্তভোগীরা চোরদের হয়রানি ও প্রাণের ভয়ে থানায় কোনো জিডি বা অভিযোগ দায়ের করেননি।
    এতে করে আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে গ্রামে চুরির ঘটনা গুলো৷

    এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য এনামুল হক ও বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান মো:আব্দুল্লা মিয়া সাথে আলাপকালে তারা এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তাদের এলাকার ওই গ্রামে চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনেক পরিবার বর্তমানে নি:স্ব হয়ে পড়ছে৷

    এদিকে চোরের ভয় আবার এসব ঘটনায় থানায় ও আদালতে হয়রানির শিকার হবেন বলে সাধারণ মানুষ তেমন কোন অভিযোগ ও করছেন না।

    আবার কেউ কেউ হবিগঞ্জ আদালতে ও থানায় অভিযোগ করলেও চিহ্নিত চোরেরা রয়েছে অধরা হয়ে-!

    এতে পুলিশ বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতা বলেও অভিমত প্রকাশ করেন তাদের সাথে অনেকেই।
    যার ফলে একের পর এক ঘটে চলছে এসব চুরির ঘটনা৷

    ওই গ্রামের বর্গাচাষী কৃষক এবাদুর রহমান জানান, তার বাড়ীতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে ঘরের পেছনের দরজার টিন কেটে অজ্ঞাত চোরেরা ঘরে প্রবেশ করে তার ৪ মাস বয়সী প্রতিবন্ধী অসুস্থ শিশুটির চিকিৎসার জন্য রাখা ৩৫ হাজার টাকা,মোবাইল ফোন সহ দামী মালামাল নিয়ে যায়।

    একই রাতে তার পাশ্ববর্তী আরেক প্রতিবন্ধী সিরাজুল ইসলামের ঘরটিতে চুরি সংঘটিত করে এই দল।

    গ্রামের আরেক প্রতিবন্ধী রাফিয়া বেগম জানান, কিছু দিন পূর্বে তার বাড়িতেও চোরের দল হানা দেয় এবং তার সৌরবিদ্যুত ব্যাটারি ও মোবাইল ফোন সেটটি নিয়ে যায়৷

    অপরদিকে কৃষক কাজল মিয়া জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে তার বসত ঘরের জানালার গ্রীল কেটে একদল চোর প্রবেশ করে এবং তার ঘরে থাকা ধান বিক্রির ৮০ হাজার নগদ টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণালংকার সহ ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায়।

    এঘটনায় তিনি হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন৷

    গ্রামের আরেক কৃষক ইব্রাহিম মিয়া জানান, একদল চোরের হুমকিতে তিনি হবিগঞ্জের নির্বাহী হাকিম আদালতে ১০৭/১১৪/(সি) ধারায় অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

    এমনটাই বলেন ফয়জুল মিয়া, তিনি জানান, চোর কর্তৃক তাকে হয়রানির শিকার হয়ে অবশেষে বানিয়াচং থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    এসব ঘটনা নিয়ে গ্রামের মাসুম মিয়া নামের এক যুবক জানায়, তাদের গ্রামে চোরের এমনই উপদ্রব বেড়ে চলছে যে বলা বাহুল্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
    যেমন তাদের হিসাব অনুযায়ী গত ১ মাসে তাদের ইউনিয়নের গ্রাম গুলোতে প্রায় ৩৩টি বাড়িতে চুরির ঘটনা সংঘটিত ঘটেছে।

    এমনকি তার নিজ বাড়ীতেও গত ২৬ আগষ্ট রাতে চুরি সংঘটিত হয়েছে এবং তার দামী একটি মোবাইল ফোন সেট ছিলো এটা পর্যন্ত নিয়ে যায়।
    পরে থানায় গেলে পুলিশ থাকে পরামর্শ দেয় যে এই বিষয়টি তিনি যেন হারানো জিডি করেন।
    তারপর তিনি পুলিশের পরামর্শ অনুযায়ী থানায় একটি জিডি এন্ট্রি করেন যাহার নাম্বার:-১৪২৪ তারিখ ২৮/০৮/২৩ ইং৷

    এদিকে সন্দলপুর গ্রামের ইব্রাহিম মিয়া জানান, তার বাড়িতেও চোরেরা হানা দিয়ে দু:সাহসিক চুরি করে লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে যায় চোরের দল।

    এইসব জানান গ্রামের কৃষক, দিন মজুর ও খেটে খাওয়া লোকজনের মধ্যে যাদের বাড়ি ঘরে চুরির ঘটনা গুলো ঘটেছে।

    এর মধ্যে আহমদ মিয়া,সাফিক মিয়া,কদ্দুস মিয়া,রতন রায়,গোপাল রায়,বনরায়,সুশীল রায়,আনোয়ার মিয়া, মোস্তফা মিয়া,রেজাউর রহমান,আবু বক্কর, কাজল মিয়া,রাজু মিয়ার বাড়ী সহ এ পর্যন্ত ৩৩টি বাড়িতে এই দু:সাহসিক চুরি সংঘটিত হওয়ার বর্ননা পাওয়া যায়।

    গ্রামের অনেকেই আবার বলেন, চোরের দলের মধ্যে অনেকেই চিহ্নিত রয়েছেন তারা কিন্তু এলাকার লোকজনের সামনে ঠিকই বীরদর্পে চলাফেরা করছে।
    কিন্তু সাধারণ মানুষ প্রাণের ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে তেমন কোনো কিছুই করতে পারছেননা।
    আবার অনেকেই আইনের আশ্রয় নিয়েও তেমন কোন আইনী সহযোগীতাও পাচ্ছেননা বলে অভিযোগ তাদের।
    তাই তারা হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারসহ বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন ও দেশের কাজে নিয়োজিত গোয়েন্দা সংস্থার উর্ধ্বতন  কর্মকর্তাগনদের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

    এব্যাপারে বানিয়াচং থানার ওসির দায়িত্বে থাকা আবু হানিফ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,চুরির
    বিষয়টি আমরা শুনেছি এবং আমরা সাথে সাথে অভিযান চালিয়ে এই পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করেছি।
    অন্যান্যদেরকেও গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান৷

    সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় পুলিশ সব সময় মাঠে কাজ করছে৷ তবে সচেতন মহলের দাবী যেভাবে চুরির ঘটনা ঘটে চলছে এতে আইনশৃংখলার আরো অবনতি ঘটবে যদি ওদের লাগাম টেনে ধরা না হয়।