Category: ক্রাইম ‍নিউজ

  • শায়েস্তাগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, সচেতন অভিভাবকরা জিম্মি

    শায়েস্তাগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, সচেতন অভিভাবকরা জিম্মি

    সাম্প্রতিক সময়ে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বেড়েছে । কিশোর অপরাধীরা ” গ্যাং ” বা গ্রুপ সৃষ্টি করে বিভিন্ন অপরাধ করে বেড়াচ্ছে । জড়িয়ে পড়ছে ইভটিজিং সহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে সঙ্গে ।

    এই কিশোররা সমাজের মধ্যে নিজেদের মতো করে নতুন এক সমাজ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে । কিশোর অপরাধীরা আবার বিভিন্ন গ্যাংয়ের মাধ্যমে তথাকথিত ” বড় ভাইদের ” আস্কারা পেয়ে অপরাধ করে বেড়াচ্ছে । প্রশাসন এ অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার পর ও কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধীদের কোনো ভাবেই থামানো যাচ্ছে না ।

    এ সব কিশোর বেশির ভাগ বিভিন্ন গাড়ি চালক, প্রবাসী , ব্যবসায়ী, চাকুরী জীবী , কৃষক , দিন মজুরি , দাদন ব্যবসায়ী , অর্থশালী, জনপ্রতিনিধি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীর বেকার সন্তান ।

    সারাদেশের ন্যায় হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পৌরশহরে ও ইউনিয়নে প্রতিটি ওয়ার্ডে গ্রামের পাড়া-মহল্লা রাস্তায় – দোকানে , গাড়ি স্ট্যান্ড , মাজার শরীফ এলাকা, হাট-বাজার ও রেলস্টেশনে বেড়েছে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত ।

    কিশোর গ্যাংয়ের কবল থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ ও র‍্যাব এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ডের সচেতন মহল ।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় , উপজেলার মাজদা শরীফ এলাকা রাস্তা , গাড়ি স্ট্যান্ড , সড়ক রাস্তা , রেললাইন , রেলস্টেশন , রেলস্টেশন হোটেল রেস্তরা , হাটবাজার , বিভিন্ন দোকান পাট , স্কুল আসার পথে রাস্তায় এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে রাস্তায় বা দোকানে বসে কিশোররা আড্ডা দিচ্ছে । কেউ বাড়ির সামনে বা অন্যান্য এলাকার কিশোর দলবদ্ধ ভাবে জোর হয়ে বসে আড্ডা জমায় এবং বিভিন্ন ব্রেন্ডের মোবাইল দিয়ে লুডু খেলার নামে জুয়া আসর বসায় ।

    স্কুল – কলেজ ছাএীরা বাসা- বাড়ি থেকে যাওয়ার সময় বিভিন্ন রাস্তা মধ্যে উৎপেতে বসে থাকে কিশোর । সুযোগ বুঝে ছাত্রীদেরকে রাস্তায় মধ্যে ইভটিজিংয়ে শিকার হচ্ছে । এ-সব কিশোররা সকাল থেকে গভীর রাত ১২ টা পর্যন্ত বাজে আড্ডায় লিপ্ত এবং বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত । তাদেরকে দেখলে মনে হয় শিক্ষিত প্রভাব শালী সন্তান । তাদের অভিভাবকরা সন্তানদের প্রতি কোনো নজর রাখে না । কোনো কিশোর মাদক বিক্রি ও মাদক সেবনের সাথে জড়িত আছে বলে অনেকেই ধারণা ।

    প্রায়ই সময় স্কুল – কলেজ ছাএীরা আসা যাওয়া সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরর আড়ালে ঘোরাঘুরি করে ইভটিজিং দিচ্ছে কিশোররা । লজ্জায় অনেক ছাত্রী তাদের অভিভাবক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষককে বলতে রাজি নয় । এমনকি বিভিন্ন সময় অভিভাবকদের ও নানা ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে কিশোররা ।

    কিশোরদের উৎপাতের ভয়ে অনেক অভিভাবক মান সম্মানের তাগিদে তাদের সন্তান স্কুল থেকে লেখা পড়া থেকে বাদ দিয়েছে । প্রশাসন এ অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার পর ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধীদের কোনো ভাবেই থামানো যাচ্ছে না । হেন অপরাধ নেই , যা তারা করছে না। মাদকের মাঝে মধ্যে ছড়াছড়ি উপাদান গুলো হাতের কাছে পাওয়ায় কিশোর অপরাধীরা আর ও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে । দ্বিধা করছে না কোনো অপরাধ করতে । ” বড় ভাইদের ” সহযোগিতা পেয়ে তারা দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে অপরাধ করে বেড়াচ্ছে। তবে রাজনৈতিক ছএছায়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর অপরাধীরা। প্রতিটি কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা , অর্থ প্রভাবশালী , কিছু জনপ্রতিনিধিদের মদদ রয়েছে । ক্ষেএ বিশেষ ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় এ সকল কিশোর অপরাধীরা। কেউ আত্মীয়তা সুবাদে রাজনৈতিক নেতা ,জনপ্রতিনিধি ও প্রভাব শালীদের উচিত হবে না কোনো অপরাধীকে প্রশ্রয় দেওয়া ।

    তাদের উচিত প্রতিটি ওয়ার্ডে জনপ্রতিনিধিরা শিশু – কিশোরদের বিভিন্ন অপরাধ থেকে মুক্ত রাখার জন্য কর্মসূচি তৈরি করা । পাশাপাশি সমাজের সচেতন ব্যক্তিবর্গকে ও এগিয়ে আসতে হবে । সাধারণ মানুষের অসহায় এ অবস্থা থেকে মুক্তি না মিললে সমাজে বাস করা ও দায় হবে । এ সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা করেছেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা সচেতন মহলবাসী ।

  • শায়েস্তাগঞ্জে ২০ মন লোহার পাত চুরির সময় জনতার হাতে আটক

    শায়েস্তাগঞ্জে ২০ মন লোহার পাত চুরির সময় জনতার হাতে আটক

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন জংশন এলাকায় রেলওয়ে উর্ধতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ( পূর্ত ) বিভাগের তালা খুলে ভেতর থেকে রাতের আধারে ৪শ গজ দূরবর্তী রেলওয়ে উর্ধতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ( পথ ) বিভাগের কর্মকর্তা – কর্মচারী যোগসাজশে শ্রমিক নিয়ে প্রায় ২০ মন ওজনের ১০ টি লোহার পাত বান্ডিল পাচার করে নেওয়ার সময় স্থানীয় জনতা সন্দেহ মুলুক আটক করে ছেড়ে দেয় ।

    এ ঘটনা টি ঘটে শুক্রবার ছুটির দিন দিবাগত রাত ১০ টায় ।

    এ ঘটনা রেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর সাব্বির আলীকে অবগত করলে তিনি একদল পুলিশ নিয়ে এসে ঘটনাস্থলে এসে এ দৃশ্য দেখে ।

    স্থানীয় জনতা পুলিশকে জিজ্ঞাসা করলে আইডব্লিউ অফিস থেকে মালামাল নেওয়ার বিষয় কিছু জানেন না । জনতা পিডব্লিউ (পথ) বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল্লাহ জিজ্ঞাসা করলে জনতা সাথে অনেক্ষন তর্ক বিতর্ক পরে জনতা কাছে ভুল হয়েছে রাতের বেলা অফিস থেকে মালামাল নেওয়া বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছে । পিডব্লিউ ( পথ ) কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল্লাহ বলেন , স্টেশন মাস্টারকে অবগত করা হয়েছে। সকালে রেলের ব্রীজে কাজ করবে রেল শ্রমিকরা ।

    এ জন্যে আইডব্লিউ ( পূর্ত ) অফিসে লোহার পাত মালামাল রাখা হয়েছিল কিন্তু এ বিষয়ে রেলের লোহার মালামাল রাতে নেওয়ার রেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে বলা হয়নি ।

    শায়েস্তাগঞ্জে রাতের বেলা চেতনা নাশক স্পে মেরে চুরি হচ্ছে কিন্তু পুলিশ ও জনতা আতংক বিরাজ করছে ।

  • পল্লী বিদ্যুতের কাঠের খুঁটি সুতাং বাজার থেকে উদ্ধার

    হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চুরি হওয়া ১০ টি কাঠের খুঁটি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নে সুতাং বাজারে করাত কল থেকে উদ্ধার করেছে ।

    জানা যায় , বুধবার রাত ৯ টায় হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি শায়েস্তাগঞ্জ সদর দপ্তর কর্মকর্তা গোপন সংবাদ পেয়ে থানার একদল পুলিশ নিয়ে উপজেলার সুতাং বাজার আমজাদ আলী করাত কলে পল্লী বিদ্যুতের কাঠের খুঁটি ছিড়া অবস্থায় হাতে নাতে ধরে ফেলে ।

    এ সময় করাত কল অভিযান চালিয়ে সর্ব মোট ১০ টি কাঠের খুঁটি উদ্ধার করে ।

    সূত্রে আরো জানা যায় , নুরপুর ইউনিয়নে বাসিন্দা ও প্রভাবশালী মোঃ আজমান আলী ও আসাদ মিয়া যোগসাজশে দীর্ঘ দিন ধরে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পার্শ বর্তী বনাঅণচল , ছায়া বৃক্ষ উজাড় এবং ট্রান্সফরমার , বৈদ্যুতিক কাঠের খুঁটি রাতের আধারে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে।

    ধারণা করা হচ্ছে উদ্ধারকৃত কাঠের খুঁটি গুলো ছিড়াই করে দূর দুরান্ত ফার্ণিচার দোকানে বা কাঠ ব্যবসায়ী কাছে বিক্রি করে যাচ্ছে ওই চক্রটি ।

    পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার(৭ সেপ্টেম্বর) উক্ত চক্রটি বিরুদ্ধে মামলা দায় করেন । শায়েস্তাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হক কামাল জানান , উদ্ধারকৃত পল্লী বিদ্যুতের কাঠের খুঁটি গুলো থানায় রাখা হয়েছে । তদন্ত চলছে,  উক্ত চক্রটি বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে ।

  • হবিগঞ্জে পিতা হত্যার বছর পেরিয়ে গেলেও আসামি অধরা

    হবিগঞ্জে পিতা হত্যার বছর পেরিয়ে গেলেও আসামি অধরা

    হবিগঞ্জের শুক্কুর আলী হত্যার বছর পেরিয়ে গেলেও দুই আসামি রয়ে যায় অধরা এমনকি তারা দেশ ছেড়েও পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    এব্যাপারে শুক্কুর আলীর কলেজ পড়ুয়া কন্যা মামলার বাদী আসামিদের গ্রেফতার করতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে শুকুর আলীকে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হন।

    তারপর এই হত্যার ঘটনায় শুক্কুর আলী কলেজ পড়ুয়া কন্যা(সীমা আক্তার) সদর থানায় ১০জন নামীয় এবং অঞ্জাত ৫/৬জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন গত বছরের ১৭ আগষ্ট।

    মামলা দায়েরের পর পুলিশ এজাহার নামীয় কিছু সংখ্যক আসামি গ্রেফতার করলেও ২নং ও ৩নং আসামি গ্রেফতারে শংকিত মামলার বাদী ও তার পরিবারের লোকজন।

    তাদের কাছ থেকে আরও জানাযায়,হত্যা মামলার পর থেকে ২নং আসামি তামিম রহমান ও ৩নং আসামি মহসিন মিয়া তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।

    দীর্ঘ প্রায় ১ বছরেও ওই আসামিদেরকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

    ফলে মামলার ভবিষ্যত নিয়ে শংকিত আছেন বাদি।

    মামলার অভিযোগে দেখা যায়,ওই গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে নিহত শুকুর আলীর সঙ্গে তার চাচাতো ভাই এরশাদ আলীর জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

    এ নিয়ে একাধিকবার সালিশও হয়।

    কিন্তু কোন প্রকার সমাধান না হলে দিন দিন বিরোধ মারাত্মক আকার ধারণ করে।এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে মামলা মোকদ্দমাও চলমান ছিলো।

    এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৭ আগষ্ট সকালে শুকুর আলী(৫৫)জমিতে কাজ করতে গেলে একই গ্রামের মৃত সমন আলীর পুত্র সফর আলী,ছাদেক মিয়া, জাকির মিয়া, শাহজাহান ও শাকিল মিয়াসহ ১০/১৫ জন লোক ফিকল দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে হত্যা করে।

    তারপর এ ঘটনায় পিতা হত্যার দায়ে কন্যা সীমা আক্তার বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    ইতোপূর্বে এই মামলায় বেশ কয়েকজন আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করে বলেও জানাযায়।

    কিন্তু তামিম রহমান ও মহসিন মিয়াকে অদ্যাবদি গ্রেফতার না করায় বাদি ও তাদের পরিবার আতংকিত অবস্থায় রয়েছেন।

    তাই তারা বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসনসহ গোয়েন্দা সংস্থার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করে এই দুই আসামিকে দেশের বাহিরে থাকলেও খুঁজে বের করে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোরদাবী জানিয়েছেন।

    এ নিয়ে মামলার ভবিষ্যত শংকিত আছেন বাদি ও পরিবারের লোকজন।

  • চাঞ্চল্যকর মামলার অগ্রগতি এবং আসামি গ্রেফতার সংক্রান্তে জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিং

    চাঞ্চল্যকর মামলার অগ্রগতি এবং আসামি গ্রেফতার সংক্রান্তে জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিং

     

    ২৫ আগষ্ট শুক্রবার বিকাল ৩:০০ ঘটিকার সময় হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মলেন কক্ষে চাঞ্চল্যকর ০২টি মামলার ধৃত আসামি ও রহস্য উদঘাটন প্রসঙ্গে জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাথে প্রেস ব্রিফিং করেন অত্র জেলার পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলি ।

     

    ব্রিফিং কালে আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ শামসুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস), হবিগঞ্জ, পলাশ রঞ্জন দে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বানিয়াচং সার্কেল), হবিগঞ্জ, মোঃ খলিলুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), হবিগঞ্জ, নির্মলেন্দু চক্রবর্তী, সহকারী পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল), হবিগঞ্জ, অফিসার ইনর্চাজ, শায়েস্তাগঞ্জ থানা, অফিসার ইনর্চাজ, মাধবপুর থানাসহ জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

     

    এ সময় পুলিশ সুপার প্রেস ব্রিফিং এ জানান, অত্র হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার মামলা নং-২৮, তারিখ-২০/০৭/২০২৩ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড এর ভিকটিম মোঃ বাবুল মিয়া (৪৮) পিতা মৃত-ছায়েব আলী সরদার, সাং-ইটাখোলা, ০৯ নং নোয়াপাড়া ইউ/পি, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ এর হত্যাকারী সদস্যদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অত্র হবিগঞ্জ জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব এস এম মুরাদ আলি সার্বক্ষনিক তদারকি এবং দিক নির্দেশনা মোতাবেক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত আসামীদের গ্রেফতারের জন্য মাধবপুর থানা পুলিশসহ জেলা গোয়েন্দা শাখা বিভিন্ন কার্যক্রম পলিচালনা করে। এর সুফল হিসেবে জেলা পুলিশ লাল মিয়া (৫০), পিতা-চেরাগ আলী, সাং-কালিনগর, ৫নং সানখোলা ইউপি, থানা-চুনারুঘাট, জেলা-হবিগঞ্জকে আটক করতে সক্ষম হয়।

     

    গ্রেফতারকৃত লাল মিয়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডের সাথে প্রতক্ষ্যভাবে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারায় সে নিজেকে জড়িয়ে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ১। মোঃ বশির মিয়া, পিতা-আব্দুল মন্নাফ, সাং-কালিনগর, ২। আব্দুল কাইয়ুম, পিতা-আব্দুল মতিন, ৩। আব্দুল জব্বার, পিতা-সৈয়বুল্লা, উভয় সাং-পানছড়ি আশ্রয়ন, ৪। জিলু মিয়া, পিতা-আব্দুল আহাদ, সাং-কলিনগর, ৫। সবুজ মিয়া, পিতা-তোতা মিয়া, সাং-উত্তর কালিনগর, সর্বথানা-চুনারুঘাট, জেলা-হবিগঞ্জ সহ আরো কয়েকজন আসামীদের নাম প্রকাশ করে জবানবন্দি দেয়। আসামীর দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুসারে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় চুনারুঘাট থানার দুর্গম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২৪/০৮/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ রাত ২৩.৫০ ঘটিকায় মোঃ বশির মিয়া, আব্দুল কাইয়ুম, আব্দুল জব্বার, জিলু মিয়া ও সবুজ মিয়াদের গ্রেফতার করে।

  • শায়েস্তাগঞ্জ রেলের জায়গা লিজের নামে কোটি টাকার বাণিজ্য

    শায়েস্তাগঞ্জ রেলের জায়গা লিজের নামে কোটি টাকার বাণিজ্য

    রেলওয়ে পূর্বানচলের আখাউড়া – সিলেট সেকশনে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দাউদ নগর বাজার এলাকায় কয়েকটি কোটি টাকা মূল্যবান পরিত্যক্ত ভূসম্পত্তি বন্দোবস্তের নামে অবৈধ কাগজ সৃজন করে দখলকৃত ৪৮ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

    অনুসন্ধানে জানা যায় , ঐতিহ্যবাহী শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনের দাউদ নগর বাজার এলাকায় সদর উপজেলার চরনুর আহম্মদ মৌজার সাবেক ৮৮৮ দাগের প্রায় এক একর ৩৩ শতাংশ রেলওয়ে পরিত্যক্ত ভূমি শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভা দাবী করে ২০০৯ সালে হাইকোর্ট রিট পিটিশন দায়ের করে তৎকালীন পৌর সভা মেয়র এফ এম আহমেদ অলি ।

    উক্ত পরিত্যক্ত রেলওয়ে ৮৮৮ দাগের ভূমি শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভাকে মালিকানাধীন বহাল রেখে পরবর্তী শুনানির আগ পর্যন্ত স্থিতিবস্থা আদেশ জারি করেন সুপ্রিম ও হাইকোর্টের বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ও জাকির হোসেন এর একটি ব্রেঞ্জ। এরপর থেকে রেলওয়ের পরিত্যক্ত ভূমি শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভা অধীনে ভোগদখল করলে ও সম্প্রতি হাইকোর্টের আদেশ জারি স্থগিতা তথ্য গোপন করে পাঁচজন ব্যক্তির মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা লেনদেন করে বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢাকাস্থ ভূমি এস্টেট হতে ভূয়া বন্দোবস্ত কাগজ সৃজন করে পৌর মার্কেট দখলকৃত ৪৮ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়কে দোকান কোটা বন্দোবস্ত বরাদ্দের নামে বিভিন্ন কৌশলে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র ।

    আর এ চক্রটি সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা হিন্দু -বৌদ্ধ- খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শংকর দেব এবং তার সাথে পৌর মার্কেটে ব্যবসায়ী মোঃ ফুল মিয়া , অলি মিয়া , আব্দুর রউফ ও মর্তুজ মিয়া । পৌর মার্কেট কয়েকজন ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায় , শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার ৪৮ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পৌর মার্কেট বেশ কিছু দিন ধরে ব্যবসা করে আসছিল । হঠাৎ রেলওয়ে উর্ধতন কর্মকর্তা এসে হাইকোর্টের রিট পিটিশন জায়গা ছেড়ে অসংখ্য স্হাপনা ভেঙ্গে ফেলা হয় ।

    বেশ কিছু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ক্ষতি গ্রস্থ হয় । সংঘবদ্ধ চক্ররা রেলওয়ে ভূমি বন্দোবস্ত লিজ এনে দিবে বলে পৌর মার্কেটের সামনের দোকান থেকে সাড়ে ৩ লাখ এবং পেছনের দোকান থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায় । উক্ত সংঘবদ্ধ চক্ররা পৌর মার্কেটের রেলওয়ে ভূমি বন্দোবস্ত লিজ আনার স্হায়ী কোনো বৈধতা নেই । শংকর দেব সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন , রেলওয়ে পৌর মার্কেটের জন্য অনেক দৌড়া দৌড়ি করেছি এবং অনেক টাকা খরচ হয়েছে এবং পৌর মার্কেটের রেলওয়ে বন্দোবস্ত লিজের কাগজ আছে । বন্দোবস্ত লিজের কাগজ বৈধ । বন্দোবস্ত লিজ আনতে পাঁচ কোটি টাকা উর্ধে খরচ হয়েছে ।

    নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক মার্কেটে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জানান , সংঘবদ্ধ চক্রটি বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে ৪৮ জন দখলকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কাছ থেকে টাকা আদায় করে নিচ্ছে ।

    এ ভাবে দীর্ঘ দিন ধরে ইস্যু তৈরি করে আদায় করে নিচ্ছে টাকা । সরল বিশ্বাস করে এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা টাকা দিয়েছেন বাধ্য হয়ে । আবার কেউ জায়গা বিক্রি , জমি বন্ধক , সুধের উপর রৃণ গ্রস্ত করে টাকা দিয়েছেন । রেলওয়ে বন্দোবস্ত লিজের কাগজ ৪৮ জনের নামে দেওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে তাদের পাঁচ জনের নামে বন্দোবস্ত নামে লিজ করে এনেছে ।

    রেল সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা যায় , রেলওয়ে ভূমি বন্দোবস্ত লিজ প্রক্রিয়াটাই সম্পূর্ণ ভূয়া । শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভার মেয়র এফ এম আহমেদ অলি বলেন , শংকর দেব , ফুল মিয়া , আব্দুর রউফ , মর্তুজ আলী , অলি মিয়া নামে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পৌর মার্কেট বন্দোবস্ত লিজ কাগজ করে এনেছে বলে লোকের মুখে মুখে শুনা যাচ্ছে কিন্তু সম্পূর্ণ তা ভূয়া । রেলওয়ে এই বন্দোবস্ত লিজ কাগজের অফিসিয়াল কোনো ডকুমেন্টস সংরক্ষিত নেই ।

    হাইকোর্টের জারি স্থগিতাদেশ থাকার পর এ ধরনের কোনো রেলওয়ে বন্দোবস্ত লিজ দেওয়া প্রশ্নই আসে না । উচ্চ আদালতের মামলার সূত্রে জানা যায় , ২০০৯ সালে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভার দায়ের করা রিট পিটিশনে হাইকোর্টের জারি স্থগিতাদেশ থাকার পর মূল ভবনের ১৬ নং কক্ষে বিষয়টি প্রথম শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২০১২ সালের ১১ মার্চ এবং একই সালের ৪ জুন । অপর দিকে ২০১৭ সালের ২৭ মার্চ ও ২ ও ৩ এপ্রিল এবং সর্বশেষ ৩০ জুলাই । এ ব্যাপারে ৭১ ভবনে ৭নং কক্ষে শুনানি হবে ।

  • চা বাগান থেকে বিলীন হচ্ছে ছায়া বৃক্ষ , দেখার যেন কেউ নেই

    চা বাগান থেকে বিলীন হচ্ছে ছায়া বৃক্ষ , দেখার যেন কেউ নেই

    পুলিশ প্রশাসন নিরব থাকায় হবিগঞ্জের চার উপজেলায় বিভিন্ন চা-বাগান থেকে প্রতিদিন বিলীন হচ্ছে ছায়াবৃক্ষ । দেখার যেন কেউ নেই ? প্রতিটি চা বাগান টিলা ভূমিতে মূল্যবান গাছ গাছালি অতিবৃষ্টি ও প্রখর রোদের কবল থেকে চা গাছকে রক্ষা করে । এ জন্য চায়ের টিলা গুলো বৃক্ষ বাজিতে ভরপুর থাকে ।

    অন্য দিকে বিশাল চায়ের টিলায় গাছ গুলো মাটির ক্ষয়রোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। তবে দীর্ঘ সময় ধরেই বাগান এলাকার আশপাশে একটি মহল চা বাগানের সেকশন থেকে মাঝে মধ্যে রাতের আধারে বিভিন্ন প্রজাতি গাছ কেটে পাচার করছে । চা বাগান থেকে ছায়াবৃক্ষ পাচার হওয়ায় জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনকে অনেক অভিযোগ দিয়েছেন ।

    এছাড়া ও থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবরে অনেক অভিযোগ সহ সাধারণ ডায়েরি করেছেন চা বাগান কর্তৃপক্ষ । এর পর ও বাগানের গাছ কাটা ও পাচার বন্ধ হচ্ছে না । ছায়াবৃক্ষ বা শেড ট্রি উজাড় হওয়ায় চায়ের উৎপাদনে প্রভাব পড়ছে ।

    অনুসন্ধানে জানা যায় , শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী চুনারুঘাট উপজেলার লাল চান্দ , দেউন্দি , লস্করপুর , চানপুর , চন্ডি , আমু , নলুয়া , রেমা , পার কুল , শ্রী বাড়ি ও দাঁড়া গাও চা বাগান সহ মাধবপুর , বাহুবল ও নবীগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন চা বাগানে পুরোনো ও বৃহদাকার বৃক্ষ বাজিতে ভরপুর । গাছের মধ্যে করই , শিল করই , আকাশি , রেইনট্রি , গর্জন , মেহগনি , সেগুন সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ গাছালিতে টিলা ভূমি পরিপূর্ণ । এই গাছ গুলো চা গাছের জোগান দেয় । তবে বাগান এলাকার আশপাশে বেশকিছু সিন্ডিকেট চোরাকারবারি শক্তি শালি চক্র প্রতিনিয়ত চা বাগানের গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে কিন্তু বাগান পাহারাদাররা চোর চক্রকে ধরতে পারছে না । ফলে চা বাগানের পার্শবর্তী কিছু দূরে বেশ কয়েকটি ‘ স ‘ মিলে নিয়ে গাছ গুলো চিড়ানো হয় । আবার কেউ উপজেলা শহরে বা ইউনিয়নে হাট বাজারে ‘ স ‘ মিলে চোরাই গাছ চিড়ানো হয় ।

    এদিকে গাছ গুলো চিড়ে বাগানের ভেতর , বাগানের পার্শবর্তী হাট বাজার ও শহর এলাকায় বিভিন্ন আসবাবপএ তৈরি করে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায় । উপজেলার লাল চান্দ ও দেউন্দি চা বাগানের বিভিন্ন সেকশন থেকে ছায়াবৃক্ষ চুরির অনেক অভিযোগ রয়েছে চুনারুঘাট থানায় । এতে বাগানের অনেক মূল্যবান গাছ গুলো চুরি হওয়ায় চায়ের জন্য অনেক ক্ষতির কারণ বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি । লাল চান্দ ও দেউন্দি চা বাগানের একাধিক শ্রমিকদের অভিযোগে জানা যায় , গাছ চোর চক্র বিভিন্ন দাড়ালো করাত , দা , কুড়াল নিয়ে রাতের আঁধারে হরদমই গাছ চুরি করে নিয়ে যায় । এই গাছ গুলো কেটে খন্ড খন্ড করে বাগানে পাশে কাঁধে করে ‘ স ‘ মিলে বা দূর দূরান্ত পিকআপ , ডায়না , নাবানো , ট্রলি করে নিয়ে যায় ‘ স ‘ মিল গুলোতে । চা বাগানে গাছ চুরি করার আগেই বিভিন্ন স্থানে বখরা দিয়ে পাস নিচ্ছে ।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লাল চান্দ চা বাগানের পনচায়েত জানান , দেউন্দি ও লাল চান্দ চা বাগান দিয়ে মাধবপুর উপজেলার শাহজীবাজার পাকা বা কাঁচা রাস্তা যাওয়া এবং শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা ও চুনারুঘাট উপজেলা যাওয়ার অনেক কাঁচা বা পাকা রাস্তা দিয়ে গাছ গুলো পাচার হচ্ছে । রাতে পুলিশ টহল দিলেও গাছ চোর চোখের আড়াল দিয়ে চলে যায় ।

    অপর দিকে দেউন্দি চা বাগানের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চা শ্রমিক জানান , দেউন্দি চা বাগানে পাশে বস্তি ও বহিরাগত এলাকার কিছু লোক দিনের বেলায় চা কারখানায় পাশে মাঝল্যান এলাকায় সারাদিন ব্যাপি ঘোরাঘুরি করে এবং আশপাশে মদের দোকান , সেলুন , চা- দোকান , পান-সিগারেট দোকান , মুদি দোকান বা রাস্তার পাশে উৎপেতে বসে থাকে চোরাই চাপাতা করে তারা ।

    এ সুযোগে সন্তোষ মদের দোকান থেকে চোলাই বাংলা মদ ক্রয় করে দিনের চেয়ে রাতে বেলায় সিএনজি , টমটম , মোটরসাইকেল যোগে মাধবপুর , শায়েস্তাগঞ্জ ও চুনারুঘাট উপজেলা সড়ক দিয়ে বা গ্রামের বিভিন্ন অলিগলি রাস্তা দিয়ে পাচার করে বিক্রি করছে অভিযোগ রয়েছে । বাগানের শ্রমিকদের বড় ধরনের ক্ষতি হবে এবং বাগানে গাছ চুরি , চোরাই চাপাতা ও মাদক পাচারকারী বিষয়ে বাগান ম্যানেজমেন্টকে বলেছি । এসব বাগান থেকে দীর্ঘ দিন ধরে মূল্য বান গাছ চুরি হচ্ছে ।

    এ ব্যাপারে দেউন্দি চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক ফরহাদ হোসেন ও লাল চান্দ চা বাগানের ব্যবস্থাপক মোফাজ্জল হোসেন বলেন , দুটি চা বাগান থেকে দীর্ঘ দিন ধরে মাঝে মধ্যে গাছ চুরি ঘটনা ঘটছে তবে গাছ চুরি বিষয়ে বাগানে চৌকিদার ও পনচায়েত নেতাদের নিয়ে ঘনঘন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় । তার পর ও গাছ চুরি ঠেকানো যাচ্ছে না ।

    দেউন্দি চা বাগান কারখানা গেইট ম্যান বাউরী মুন্ডা জানান , বাগানের কিছু শ্রমিক কারখানাতে চাকুরী করে কিন্তু অনেক চেকিং করার পর ও কি ভাবে লুকিয়ে চাপাতা নিয়ে বাগানের কারখানা পাশে মাঝল্যান এলাকায় একটি চক্র কাছে বিক্রি করে দেয় অথবা বাগানের বিভিন্ন দোকানে চা পাতা ক্রয় করে অন্যএ বিক্রি করে দেয় ।