Category: ইসলাম ও জীবন

  • আজমিরীগঞ্জে শিবপাশা ইউনিয়ন সর্বদলীয় ইসলামী সংগ্রাম পরিষদ গঠন 

    আজমিরীগঞ্জে শিবপাশা ইউনিয়ন সর্বদলীয় ইসলামী সংগ্রাম পরিষদ গঠন 

    আবদুর রউফ আশরাফ: হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় শিবপাশা ইউনিয়ন সর্বদলীয় ইসলামী সংগ্রাম পরিষদ গঠন।

    ১৫ ফেব্রুয়ারী,শনিবার, সকাল ১১ টায় সবুজগঞ্জ বাজার কেন্দ্রীয় মসজিদে শিবপাশার শীর্ষস্থানীয় উলামায়েকেরাম, মুরুব্বিয়ান ও সর্বস্তরের তৌহিদি জনতার সর্বসম্মতিক্রমে মুফতি জুনাইদ আহমদ শাকিরকে সভাপতি, ডা. আব্দুল হাইকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করেন। পরবর্তীতে সম্পূর্ণ কমিটি প্রকাশ করবে।

    জানা যায়, মদ জোয়া ও অশ্লীলতাসহ সবধরনের অপসাংস্কৃতির বিরুদ্ধে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

  • মাধবপুরে ৭ মাসে হাফেজ হলেন ৮ বছরের  আল-মামুন

    মাধবপুরে ৭ মাসে হাফেজ হলেন ৮ বছরের  আল-মামুন

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে সুনাম ধন্য দ্বীনি বিদ্যাপিঠ, দারুস সায়্যিদ তাহফিজুল কোরআন মাদরাসায় মাওলানা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে ও ক্বারী মাও. জাকির হোসাইনের সঞ্চালনায় মাধবপুর এর হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ি প্রধান 

    এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ১৩ ফেব্রুয়ারী। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা আব্দুর রহমান সাহেব, (শায়েখে তুলা পাড়া) পীরে কামেল মাওলানা আব্দুল আওয়াল সাহেব, (খলিফায়ে বরুনি) এবং মাধবপুর, তথা মাধবপুর উলামা পরিষদের উলামা মাশায়েখ গন সহ আরো বহু উলামায়ে কেরাম ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ গনের উপস্থিতিতে পাগড়ি প্রধান করা হয় ৮ বছরের হাফেজ আল মামুনকে সহ ৮ জন।

    হাফেজ আল মামুন নাসিরনগর উপজেলার গুকর্ন গ্রামের মাওলানা আমিরুল ইসলাম খিজিরের ২য় ছেলে। সে ৭ মাস ১৫ দিনে মাধবপুর দারুস সাঈদ তাহফিজুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে পবিত্র কুরআন মুখস্ত করেন।

    তার এই কৃতিত্ব অর্জনে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ ক্বারী সাইফুল ইসলাম বলেন, আলহামদুলিল্লাহ তার এই অর্জনে  আমাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম বৃদ্ধি পেয়েছে আমরা তাহার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

  • শবেবরাতে নানানরকম অহেতুক আয়োজন

    শবেবরাতে নানানরকম অহেতুক আয়োজন

    আবদুর রউফ আশরাফ।। শবে বরাত শব্দটি ফার্সি। যার অর্থ ভাগ্যের রজনী। ভাগ্যের রাত। কুরআন হাদীসে স্পষ্ঠভাবে কোথাও শবে বরাত নেই। হাদীসে নিসবে শা’বান শব্দ আসছে। অর্থাৎ শা’বানের অর্ধতম রাত। কুরআন হাদীসে স্পষ্ট শবেবরাত নেই বলে; শবে বরাতকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে শবে বরাতকে ফরজ, ওয়াজিব, বলে বেড়ানোও সঠিক নয়। শবে বরাত স্বতন্ত্র একটি দিবসে বা রাতের নাম। শা’বানের অর্ধতম রাতের নাম শবে বরাত।

    শবে বরাত সম্পর্কে হাবীবে আরাবী বলেন, ‘এটা হলো অর্ধ শাবানের রাত। এ রাতে আল্লাহ তা’আলা তাঁর বান্দাদের প্রতি মনোযোগ দেন, ক্ষমাপ্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করে দেন, অনুগ্রহপ্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন। আর বিদ্বেষ পোষণকারীদের তাদের অবস্থাতেই ছেড়ে দেন’

     

    ‘‘মহান আল্লাহ মধ্য শা’বানের রাতে তাঁর সৃষ্টির প্রতি দৃষ্টিপাত করেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত সকলকে ক্ষমা করে দেন।’’

     

    উপরোক্ত কথাগুলো দ্বারা বুঝা যায় এ রাতের স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আবার শরীয়তের গণ্ডি পেরিয়ে আবেগকেন্দ্রিক হয়ে অতিরিক্ত করাও সঠিক না। আমাদের সমাজের দিকে দৃষ্ঠি দিলে দেখা যায়, শা’বান মাসের চাঁদ উঁকি দিতেই শুরু হয় নানান ধরনের কুসংস্কার ও মনগড়া আমল। শা’বান মাসকে সবচেয়ে বেশি বরকতের মনে করা হয়। মাসজুড়ে ঘরেঘরে দোয়া মাহফিলের আয়োজন। ইছালে ছওয়াবের আয়োজন। খতম পড়ানো। মাইকে উচ্ছ শব্দে খতমে সফিনা পড়ানো। দলবদ্ধ হয়ে জিকির-আজকার করা। এ মাসে ইমাম সাবকে ঘরে প্রবেশ করানো। আলেম-উলামাদের দাওয়াত খাওয়ানো। ঘরেঘরে বেশিবেশি দরূদ পড়ানো। শবে বরাতের রাত্রিকে এক শ্রেণীর মানুষ ফরজ ও ওয়াজিব মনে করে বসে আবেগপ্রলবণ হয়ে শরীয়তের গন্ডি পেরিয়ে অগ্রহীত কাজ করতে দেখা যায়। ঘরের চতুর্দিকে আতর গোলাপজল ছিটানো। গ্রামকেন্দ্রিক শিন্নি বিতরণ। হালুয়া বিতরণ। দলবদ্ধ হয়ে কবর জিয়ারত। কবরের পাশে শিন্নি বিতরণ। কবরের দেওয়ালকে রঙ্গিন করা। মসজিদের আঙ্গিনা সজ্জিত করা। এক ভয়ংকর রেওয়াজ।

     

    অদ্ভুত উল্লাস। অহেতুক আয়োজন। ঘরেঘরে রেওয়াজ। মুখেমুখে বাতির চাঁদ। কথায় কথায় বাতির মাস। ঘরেঘরে ঈদের ফূর্তি। এসব যেন অন্ধ প্রথা। এসব অন্ধ প্রথা বন্ধ করতে কুরআন- হাদীস ও শরীয়তের বিধান জানা আবশ্যক।

     

    চলমান শা’বান মাস রমজানের আগমনী বার্তার মাস। মুমিন মুসলমানকে জাগিয়ে দিতে; অপ্রস্তুতদেরকে প্রস্তুত করতে বরকতময় শা’বান মাস আমরা অতিক্রম করছি। দরজায় কড়া নাড়া দিচ্ছে পবিত্র রমজান। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারী ২৫’ শুক্রবার দিবাগত রাত নিসবে শা’বান পবিত্র শবেবরাত।

     

    শবেবরাত কোন ফরজ ওয়াজিব কোন রাত নয়। কাজে এ রাতে নির্দিষ্ট কোন নামাজ নেই। কোন রোজা নেই। নির্দিষ্ট সূরা ক্বেরাত দিয়ে নির্দিষ্ট কোন জামাত নেই। বারো রাকাত। বিশ রাকাত। নির্দিষ্ট কোন রাকাতের নামাজ নেই। দলবদ্ধ না হয়ে নিরবে নির্জনে তওবা ইস্তেগফার করা। উমর ক্বাজা নামাজ আদায় করা। কুরআন তেলাওয়াত করা। ধর্মগুরুদের শরণাপন্ন হয়ে নিয়মনীতি হুকুম আহকাম জেনে আমল করার তৌফিক দান করুন। অনইসলামিক অগর্হিত কাজ থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন। আমীন।

  • পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করার প্রতিবাদে ও ছবি ছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর মাধ্যমে এনআইডি করার দাবীতে সমাবেশ

    পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করার প্রতিবাদে ও ছবি ছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর মাধ্যমে এনআইডি করার দাবীতে সমাবেশ

    ১৬ বছর যাবত পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করার প্রতিবাদে ও ছবি ছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর মাধ্যমে এনআইডি(NID) করার দাবীতে সমাবেশ।

    ৩০ জানুয়ারি রোজ বৃহস্পতিবার বেলা এগারোটায় ‘পর্দানশীন নারী অধিকার পরিষদ’ হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মুখচ্ছবি ছাড়া  নির্ভরযোগ্য শনাক্তকরণ পদ্ধতি ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর মাধ্যমে এনআইডি ও অন্যান্য পরিচয়পত্র চেয়ে সমাবেশ করেন।

    সেখানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, যেখানে সংবিধান অনুযায়ী ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম। সংবিধানের ৪১(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিজ ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার পূর্ণ অধিকার আমাদের আছে। কিন্তু পর্দানশীন নারীরা প্রতিনিয়ত বৈষম্য ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের মৌলিক ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। শুধুমাত্র পরিপূর্ণ পর্দা মানার কারণে তাদের এনআইডি প্রদান বন্ধ রাখা হয়েছে, শিক্ষার অধিকার সংকুচিত করা হয়েছে এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবা পেতে বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

    বিগত ১৬ বছর ধরে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কতিপয় সাবেক কর্মকর্তাদের অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক নীতির ফলে বহু পর্দানশীন নারী এনআইডি পাননি। ফলে তারা জমিজমা সংক্রান্ত অধিকার, চিকিৎসা সুবিধা, চাকরি, বাসাভাড়া নেওয়া, সন্তানদের স্কুলে ভর্তি, ব্যাংক একাউন্ট, ট্রেনযাত্রাসহ — ইত্যাদি মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। শিক্ষাক্ষেত্রেও পরিচয় যাচাইয়ের জন্য চেহারা ও ছবি মেলানোর সেকেলে পদ্ধতি চাপিয়ে দিয়ে হেনস্তার মতো ঘটনা ঘটছে, যা পর্দানশীন নারীদের জন্য চরম অপমানজনক ও ধর্মীয় বিধানের পরিপন্থী।

    বক্তারা আরো বলেন, চেহারা ও ছবি মিলিয়ে পরিচয় যাচাই পদ্ধতি একটি দুর্নীতিবান্ধব পদ্ধতি, যা প্রতারণা ও জালিয়াতির সুযোগ তৈরি করে। অপরদিকে, আধুনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই পদ্ধতি অধিক নির্ভরযোগ্য, সুনির্দিষ্ট, নিখুঁত এবং দুর্নীতিরোধক। ব্যাংকিং, ই-পাসপোর্ট, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অন্যান্য খাতেও ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই ব্যবস্থাকে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাই এনআইডি, শিক্ষা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে পরিচয় যাচাইয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করা এখন সময়ের দাবি।

    বক্তারা আরো বলেন — অনেকে জানেন না, এখনও বহু পর্দানশীন নারী জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) পাননি। এটা কোনো ছোট্টো সংখ্যা নয়, সংখ্যাটা ৩০ লাখেরও বেশি৷  অথচ তারা এই দেশেরই নাগরিক, তাদের পিতা-মাতা বাংলাদেশি, এবং তারা নিজেরাও এই দেশের মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছেন। আমরা এমন একটি সমাজে বসবাস করছি, যেখানে নারীদের অধিকার নিয়ে অনেকে অনেক কিছুই বলেন, কিন্তু পর্দানশীন নারীদের অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তারা নিশ্চুপ। একজন নারী যদি তার ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে চান, তাহলে কেন তাকে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হবে? একজন পর্দানশীন নারীর মৌলিক অধিকার সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মুখচ্ছবি ছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট মাধ্যমে এনআইডির দাবী আমরা করছি।

    আমরা সাংবিধানিক অধিকারের ভিত্তিতে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলব ও নিজের গোপনীয়তা বজায় রাখব,  এতে কেউ বাধা দিবে কেন? উচিত ছিল আমাদের পর্দা পালন ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলাতে সাহায্য করা। আমাদের গোপনীয়তা যেনো বজায় থাকে সেই ব্যবস্থা করা। কিন্তু আমরা বিগত ১৬ বছর যাবত  অধিকার বঞ্চিত আছি। — বলেন বক্তারা৷

     

    আজকের সমাবেশ থেকে পর্দানশীন নারীরা নিম্নলিখিত তিনটি দাবি উত্থাপন করছেন:

    ১. বিগত ১৬ বছর ধরে পর্দানশীন নারীদের এনআইডি আটকে রেখে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী সাবেক নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।

     

    ২. পর্দানশীন নারীদের ধর্মীয় ও গোপনীয়তার অধিকার সংরক্ষণ করে অবিলম্বে এনআইডি ও শিক্ষার অধিকার প্রদান করা। পরিচয় যাচাইয়ে চেহারা ও ছবি মেলানোর সেকেলে পদ্ধতি বাতিল করে আধুনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করা।

     

    ৩. ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার সময় নারীদের জন্য নারী সহকারী নিশ্চিত করা।

    উপস্থিত বক্তারা আরো বলেন, আমরা আশা করি, নির্বাচন কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় অবিলম্বে আমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করবে। অন্যথায় দেশব্যাপী ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও পর্দানশীন নারীরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে, ইনশাআল্লাহ।

    ‘পর্দানশীন নারী অধিকার পরিষদ’এর পক্ষে আহ্বায়ক আহমদ নিশা মীর ও তার দুই সহকারী সমাবেশ শেষে স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জেলা শিক্ষা অফিসারের বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

  • মদ, জুয়া ও বেহায়াপনার বিরুদ্ধে  চুনারুঘাটে প্রতিবাদ সমাবেশ

    মদ, জুয়া ও বেহায়াপনার বিরুদ্ধে চুনারুঘাটে প্রতিবাদ সমাবেশ

    জসিম উদ্দিন:  হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় গতকাল বৃহস্পতিবার  (০২ জানুয়ারি)  সন্ধ্যা ৬ ঘটিকার সময় ৮ নং সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের স্হানীয় বাজার সুন্দরপুরে গান- বাজনা, মদ,জুয়া ও বেহায়াপনার বিরুদ্ধে তৌহিদি জনতার উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মাওলানা এনামুল হকের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আঃ মান্নান। এতে বক্তব্য রাখেন উলামা পরিষদ ৮ নং সাটিয়াজুরী ইউনিয়নে সভাপতি মুফতী আজিজুল ইসলাম কাসেমী, মাওলানা জালাল উদ্দীন, মাওলানা আজিজুল হক সেক্রেটারি ইসলামী সংগ্রাম পরিষদ চুনারুঘাট, এম দরস আলী খাঁন, মাওলানা আশিকুর রহমান,নুরুল হক মেম্বার,মাওলানা বশির আহমদ, হাফেজ মাওলানা আবু মুসা,মাওলানা মনসুর আহমদ প্রমূখ।

    এ সময় বক্তারা বলেন, ওরুসের নামে মাজারে মদ-জুয়া গান,বাজনা চলতে দেওয়া হবে না। যদি প্রশাসন ও আলেম উলামাসহ তৌহিদী জনতার সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে গান- বাজনা করা হয় আর কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, এর দায়বার মাজার কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে।

  • মহানবী (সা.) কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে লাখাইয়ে বিক্ষোভ মিছিল

    মহানবী (সা.) কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে লাখাইয়ে বিক্ষোভ মিছিল

    সম্প্রতি লাখাই উপজেলার করাব গ্রামের অপু মোদক নামের এক হিন্দু যুবক ফেসবুকে মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটুক্তি করায় উক্ত কটুক্তির প্রতিবাদে স্থানীয় বুল্লা বাজারে আলেম ওলামাও মুসলিম তৌহিদি জনতা একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ।

    রোববার  ( ১ ডিসেম্বর ) বেলা সাড়ে ৪ টায় বুল্লা বাজারে এ কর্মসূচি পালন করেন।

    এসময় বিক্ষোভকারীরা বুল্লা বাজারের  গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বুল্লা বাজার চৌরাস্তার মোড়ে  এক পথসভা করেন।

    উক্ত পথ সভাটি পরিচালনা করেন মাও.মুতাসিম বিল্লাহ, সিংহগ্রাম, বক্তব্য রাখেন মাও. আমীনুল ইসলাম করাব, মাও. কাজী মাহমুদুল হাসান, লাখাই উপজেলার অন্যতম সাহসী ছাত্রদল নেতা মোঃ রবিউল ইসলাম রবি,মো: ইমদাদুল হক মিলন সহ অনেকেই।

    এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, অপু মোদক ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে ফেসবুকে যে কটুক্তি করেছে সেটা মুসলমান কিছুতেই সহ্য করতে পারে না। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ কটুক্তি কারীকে দ্রুত গ্রেফতার করে ফাসির আওতায় আনতে হবে।

  • লাখাইয়ে ইমামকে রাজকীয়ভাবে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা

    লাখাইয়ে ইমামকে রাজকীয়ভাবে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা

    হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ৫নং করাব ইউনিয়নের পূর্ব সিংহ গ্রাম (কামরাপুর) জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাও. তাজুল ইসলাম সাহেবকে ছাদখোলা গাড়ি করে মোটরসাইকেল শোডাউন এর মাধ্যমে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা করা হয়।
    শুক্রবার  (১৫ই নভেম্বর) রোজ শুক্রবার আসরের নামাজের পর পূর্ব সিংহ গ্রাম (কামরাপুর) জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা তাজুল ইসলামকে ৪৬  বৎসর ইমামতি ও খতিবের দায়িত্ব পালন করার পর বার্ধক্য জনিত কারণে কর্মজীবন অবসর নেন।
    পূর্বসিংহগ্রাম যুব সংগঠনের উদ্যোগে হুজুরের অবসরজনিত বিদায় কে কেন্দ্র করে এক বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে বিদায়ী হুজুর মাও.তাজুল ইসলাম সাহেব কে গাড়িবহরে মোটরসাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে নিজ বাড়ি পৌঁছে দেন যুবক ও মুসুল্লিরা।
    এমন মহৎ কাজ দেখে যুবক ও মুসল্লিদের প্রশংসা করেন আলেম-ওলামাগন।
    হুজুরকে বিদায় বেলা হুজুরের ছাত্ররা ও যুবকদের চোখে কান্নার রোল পরে যায়।
    এ ব্যাপারে বিদায়ী হুজুর মাওলানা তাজুল ইসলাম সাহেব বলেন, আমি জীবন ধন্য আমার ছাত্ররা মুসুল্লিরা যা করেছে,তা আমার জন্য চির অম্লান এবং উপস্থিত সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
    স্থানীয়রা বলেন, কোন ইমামকে এত সুন্দর সম্মানের সহিত বিদায় দিতে প্রথম দেখলাম।এত সুন্দর  আয়োজনের প্রশংসা করেন অনেকেই।
    সংগঠনের সদস্যরা বলেন,  হুজুর ছিল আমাদের মাথার তাজ তিনি সারা জীবন আমাদের হৃদয়ে থাকবেন বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তারা।
    জানা যায়, পূর্ব সিংহগ্রাম জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা তাজ্জুল ইসলামের বাবা ছিলেন এই মসজিদের ইমাম মাও.ছদর হোসেন।
    প্রায় ৪৬ বছর আগে মাওলানা ছদর হোসেন অবসরের পরে বিদায় হুজুর মাও.তাজুল ইসলাম এই মসজিদে ইমাম ও খতিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর সুনামের সহিত ৪৬ বছর ইমাম ও খতিবের এই মহান পেশায় দায়িত্ব পালন করেন। ৪৬ বছর পর বার্ধক্য জনিত কারণে অবসরে যান মাও.তাজুল ইসলাম সাহেব। বর্তমানে এই মসজিদে নতুন ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মাওলানা তাজুল ইসলাম সাহেবের বড় ছেলে মাওলানা মুফতি মনিরুল ইসলাম মনির সাহেব।