Category: মৌলভীবাজার জেলা

  • সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিলেন মাহমুদা জাহান

    সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিলেন মাহমুদা জাহান

    সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক পেস বোলার নাজমুল হোসেনের স্ত্রী ও হবিগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদা জাহান এনি লস্কর।

    মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রশাসনিক বিভাগের তৃতীয় তলা থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি।

    এবারের হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার জেলার সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন মাহমুদা জাহান এনি লস্কর।

    মাহমুদা জাহান হবিগঞ্জ-৪ আসনের চুনারুঘাট উপজেলার গোগাউড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা আবদুল কাদির লস্কর হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এবং দু’বারের নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। তার বড় ভাই আলহাজ্ব জিল্লুল কাদির লস্কর হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগের সাবেক শিল্প ও বানিজ্য বিষয় সম্পাদক ও বর্তমানে চুনারুঘাট উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। মেজু ভাই আমেরিকান প্রবাসী ও মিশিগান ছাত্র লীগের সাবেক সহ সভাপতি ও বর্তমান যুবলীগের সদস্য ।

    তার স্বামী মো: নাজমুল হোসেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার। বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সিলেট বিভাগের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। এই প্রথম কোন ক্রিকেটারের সহধর্মিণী সংসদে একজন প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

    মাহমুদা জাহান এনি জানান, ২০০৭ সালে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী থাকাকালে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন। পরবর্তী সময়ে ২০১৩ সালে যুব মহিলা লীগ এবং ২০২০ সাল থেকে হবিগঞ্জ মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি । ২০২২ সালে সুনামগঞ্জের বন্যাদুর্গতদের জন্য কাজ করে ব্যাপক প্রশংসিত হন এনি। তৃণমূল থেকে উঠে আসা নারীনেত্রী মাহমুদা জাহান এনি লস্করকে এবার সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

    ইদানীং হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারে বেশ আলোচনায় আছেন মাহমুদা জাহান এনি লস্কর। সামাজিক সংগঠন আর্থপিডিয়া গ্লোবালের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সৈয়দা নাজনীন আহমেদ সিলভী বলেন, সময়ের জনপ্রিয় ক্রিকেটার নাজমুল হোসেনের পত্নী মাহমুদা জাহান এনিকে সব কিছু বিবেচনায় নিয়েই সংরক্ষিত নারী আসনে দলের মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূল নারীদের মুল্যায়ন করা হবে বলে আমি মনে করি।

    মাহমুদা জাহান এনি লস্কর বলেন, আমি ছাত্র রাজনীতি করেছি। মহিলা আওয়ামিলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি । আমি আমার পিতার হাতধরে আওয়ামী রাজনীতিতে এসেছি । আমিও আমার পরিবার কোন সময়ে নৌকার বাইরে যাইনি। আমি এবার সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন চাইছি । নেত্রী যদি মনে করেন, আমার কাজ যদি পছন্দ করেন, তাহলে মনোনয়ন দেবেন।

    আশা করছি, দল আমাকে নিরাশ করবে না। স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, হবিগঞ্জ থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হওয়ার দৌড়ে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে এরমধ্যে ক্রিকেটার পত্নী মাহমুদা জাহান এনি লস্কর। তার পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের ।

    মাহমুদা জাহান ছাত্র অবস্থা থেকেই দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি এমপি হিসেবে সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। সবকিছু বিবেচনা করে ক্রিকেটার পত্নী মাহমুদাকে এমপি হিসেবে দিলে ক্রিকেটার পরিবারকে মূল্যায়ন করা হবে ।

  • সিলেট বিভাগে ২০২৩ সালে খুন হয়েছেন ১৫৯ জন

    সিলেট বিভাগে ২০২৩ সালে খুন হয়েছেন ১৫৯ জন

    আবুল কাশেম রুমন: বিগত  বছর ২০২৩সালে সিলেট জুড়ে  খুন হয়েছেন ১৫৯ জন ব্যক্তি। এ পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২২ সালের চেয়ে ৫৫ জন ব্যক্তি বেশি খুন হয়েছেন ২০২২ সালে খুন হন ১০৪ জন। তবে এ বছর চার জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি খুন হয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলায়।
    আগের বার এ জেলায় ২৬ জুন খুন হলেও গেল বছর খুন হয়েছেন ৫৬ জন। আগের বছরের তুলনায় এ জেলায় গেলবার ৩০টি খুন বেশি হয়েছে। আর সিলেট  জেলায় গতবছর খুন হয়েছেন ৬০ জন। আগের বছর এ সংখ্যা ছিল ৫১।
    একই ভাবে হবিগঞ্জ জেলায় আগের বছর ১৮ জন খুন হলেও গতবছর খুন হন ২৪ জন। মৌলভীবাজার জেলায় গেল বছর ১৯ জন খুন হন। আগের বছর এ সংখ্যা ছিল ৯ জন।
    জানুয়ারী: সদ্য বিদায় নেয়া বছর ২০২৩ সালের প্রথম দিনেই কোম্পানীগঞ্জের উৎমা সীমান্তে খাসিয়ার গুলিতে জৈন উদ্দিন (১৮) খুন হন। আর পর দিন কানাইঘাটের চতুলবাজারে জয়নাল আবেদীন (৬০), হবিগঞ্জে ১০ জানুয়ারি তিশা আক্তার (৯), তাহিরপুরে ১৪ জানুয়ারি বিএসএফর গুলিতে দেলোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৮ জানুয়ারি প্রতিবন্ধী ফারজানা আক্তার (২২), তাহিরপুরে ১৯ জানুয়ারি নুরুল আমিন (৬০), ওসমানী হাসপাতালে ২৫ জানুয়ারি বাবলু মিয়া (৩২) ও বানিয়াচংয়ে ২৬ জানুয়ারি বিলাল আহমদ (৯) খুন হয়।
    ফেব্রুয়ারি : মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ৬ ফেব্রুয়ারি অজ্ঞাতনামা এক চোর খুন হয় আর মৌলভীবাজারে ১০ ফেব্রুয়ারি উদ্ধার করা হয় এক অজ্ঞাত নারীর গলিত লাশ। ওই দিন ধর্মপাশায় কবির মিয়া (৬০) এবং সিলেট নগরীর  শেখঘাটে ১২ ফেব্রুয়ারি খুন হন টিকটকার তরুণী সোনিয়া আক্তার (২৩)। দক্ষিণ সুরমা থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি দুবাই প্রবাসী সাজ্জাদ আলী (৩৫) ও একই দিন নগরীর করের পাড়ায় খুন হন আব্দুর রহমান।
    মার্চ : ছাতকে ১ মার্চ সাইফুল ইসলাম ও একই দিন নগরীর বন্দরবাজারে আমিরুল ইসলাম (৩০), কানাইঘাটে ৬ মার্চ আব্দুল আলী (৬৫) ও গোলাপগঞ্জে ৮ মার্চ শামসুল ইসলাম খুন হন।
    ওসমানীনগরের তাজপুর বাজারে ৯ মার্চ স্কুল ছাত্রী দিপা রাণী সিংহ (১৪) ও বড়লেখায় দিন মজুর জাবের আহমদ (২২) খুন হন।
    দোয়ারাবাজারে ১০ মার্চ আব্দুল খালিক (৩৫), তাহিরপুরে ১৪ মার্চ আব্দুল হাই (৭০), হবিগঞ্জ জেলা সদরে ১৮ মার্চ খুন হন গৃহবধূ ফরিদা বেগম (৪৪)। সিলেট নগরীর শাহপরান এলাকায় ১৯ মার্চ আশিক মিয়া (৩৪), বালাগঞ্জে ২২ মার্চ স্কুল ছাত্রী সুমাইয়া বেগম (১৫), চুনারুঘাটের ২৩ মার্চ গৃহবধূ জেসমিন আক্তার (৩৫) ও তার পুত্র ইয়াসিন মিয়া (৯), কোম্পানীগঞ্জে ২৫ মার্চ গৃহবধূ হাফছা বেগম (১৯) ও একই দিনে বানিয়াচংয়ে বিষ্ণু সরকার (২২), শায়েস্তাগঞ্জে ২৬ মার্চ আয়াত আলী (২০) ও তাহিরপুরে খোরশেদ আলম (৩৮), ছাতকে ২৮ মার্চ লায়েক মিয়া একই দিন সুনামগঞ্জে শুক্কুর আলী (৪৫), জকিগঞ্জে ৩০ মার্চ সোহেল আহমদ (১৬) ও একই দিনে মৌলভীবাজারে রাজু মিয়াকে (৩০) হত্যা করা হয়।
    এপ্রিল: জৈন্তাপুরে ১ এপ্রিল সমছু উদ্দিন (৪২), সুনামগঞ্জে ৬ এপ্রিল ফারুক মিয়া (৩২) ওই দিনে জৈন্তাপুরে  মোহাম্মদ আলী (৩৫) ও রাজনগরে বৃদ্ধা আখলিবুন বেগম (৬০) খুন হন। বানিয়াচংয়ে ৮ এপ্রিল জাহাঙ্গীর মিয়া (৩৫), ১০ এপ্রিল গোলাপগঞ্জে আরিফা বেগম (৭), দিরাইয়ে আমির হামজা (৫) ও আজমিরীগঞ্জে ফয়েজ মিয়া (২০), বিয়ানীবাজারে ১২ এপ্রিল গৃহবধূ স্বপ্নারা বেগম, কোম্পানীগঞ্জে ১৩ এপ্রিল নুর উদ্দিন (২৬) ও বানিয়াচংয়ে সুব্রত দাস (৩০) ও ছাতকে মকবুল আলী খুন হন। আর ওসমানীনগরে ১৭ এপ্রিল অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার করা হয়। জাফলংয়ে ১৭ এপ্রিল আলে ইমরান (৩৩), ছাতকে ২২ এপ্রিল আব্দুল আলীম (৩০), দোয়ারাবাজারে ২৩ এপ্রিল আবুল কাশেম (৩০) ও মাধবপুরে ইরফান আলী, ২৪ এপ্রিল মাধবপুরে মিনারা বেগম (৪৭), তাহিরপুরে সাকিব রহমান (২৫) ও দোয়ারাবাজারে তাজ্জুদ আলী (৪০), লাখাইয়ে ২৬ এপ্রিল জহিরুল ইসলাম, জগন্নাথপুরে ২৯ এপ্রিল সৈয়দ জামাল মিয়া (৪৫), কমলগঞ্জে ৩০ এপ্রিল রবি ঘাষীকে (৫৫) হত্যা করা হয়।

    মে: ওসমানীনগরে ৪ মে আনহার আলী (৪২), ছাতকে ৫ মে আব্দুস সালাম খান (৩৫) ও ওসমানীনগরে ব্রজেন্দ্র শব্দ কর, কুলাউড়ায় ৯ মে সুনীল গোয়ালা, গোয়াইনঘাটে ২২ মে জিন্দার আলী (৪০),পরদিন ২৩ মে বানিয়াচংয়ে মঈনুল ইসলাম (২২), ৩০ মে জামালগঞ্জে নুর মিয়া (৪০), ছাতকে জাহির মিয়া (৩৫),  গোলাপগঞ্জে সিরাজ উদ্দিন (৭৫) খুন হন। এর ঠিক তিন দিন আগে জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে আরেক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়।

    জুন: সিলেট নগরের ধোপাদিঘীরপাড়ে পহেলা জুন গোবিন্দ দাস খুন হন আর পরদিন দক্ষিণ সুরমায় উদ্ধার হয় এক ব্যক্তির গলিত লাশ। বিয়ানীবাজারে ৩ জুন জয়নুল ইসলাম (৩৮), একই দিন জৈন্তাপুরে সাধু পাত্র (৬০) ও জগন্নাথপুওে মোক্তার মিয়া (১৫) খুন হন।
    ওসমানী হাসপাতালে ৯ জুন নয়ন মিয়া (২০), জগন্নাথপুরে ১১ জুন জুয়েল মিয়া (২৫), বালাগঞ্জে ১২ জুন আতিকুর রহমান (২০), বানিয়াচংয়ে ২৬ জুন রাবেয়া খাতুন (৫৪), পরদিন শাল্লায় হাবিবুর রহমান (৫৪) ও  হেলাল মিয়া (২৫), একই দিন দক্ষিণ সুরমায় দুলু মিয়া (৪৮), জুড়ীতে আব্দুল হামিদ কালা এবং ২৭ জুন  ফেঞ্চুগঞ্জে লিটন মিয়াকে (৩০) হত্যা করা হয়।
    জুলাই: চুনারুঘাটে ৯ জুলাই জোৎস্না আক্তার (২২), শান্তিগঞ্জে বাবুল মিয়া (৫৮), নুরুল ইসলাম (৪২), শাহজাহান (৩৬) ও মুখলেসুর রহমান (৬০), বিয়ানীবাজারে ১২ জুলাই ফাহমিদা আক্তার (২৪), মাধবপুরে ১৮ জুলাই বাবুল মিয়া (৪০), জৈন্তাপুরে ২০ জুলাই রুবেল হোসেন (৩০), নগরীর মেজরটিলায় ২১ জুলাই সিমলা রাণী নাথ (২১), শান্তিগঞ্জে ২২ জুলাই সাজনা বেগম (১৬), আজমিরীগঞ্জে ২৩ জুলাই সেলিম মিয়া (৩০) ও কুলাউড়ায় রুবেল আহমদকে হত্যা করা হয়। আর ২৫ জুলাই জগন্নাথপুরে উদ্ধার হয় অজ্ঞাত যুবক এবং কুলাউড়ায় অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই দিন শ্রীমঙ্গলে খুন হন শান্ত দেবনাথ (১৯)। গোয়াইনঘাটে ২৮ জুন সালেহ আহমদ (২৫) ও লাক্কাতুরায় ৩১ জুন আতাউর রহমান (৩৮) খুন হন।
    আগস্ট: দিরাইয়ে ২ আগস্ট আবুল হোসেন (৩০) পরদিন জকিগঞ্জে তামান্না আক্তার তানিয়া (১৫), কোম্পানীগঞ্জে ৩ আগস্ট ছালেখা  বেগম (৫২) ও একই দিনে গোয়াইনঘাটে আয়শা সিদ্দিকা জুলি (৩০), চুনারুঘাটে ৮ আগস্ট শাপলা আক্তার (৩০),বালাগঞ্জে ৯ আগস্ট সোহেল মিয়া (৩০), রাজনগরে ১৬ আগস্ট আবির  হোসেন জয় (১২), ছাতকে ১৮ আগস্ট ইছকন আলী (৬০),কানাইঘাটে ২২ আগস্ট কামিল আহমদ (৩৫),  গোয়াইনঘাটে ২৪ আগস্ট রিপা বেগম (২৩) ও একই দিন শ্রীমঙ্গলে শরীফুল ইসলাম (৪০) ও চুনারুঘাটে ২৬ আগস্ট খুন হন আকলিমা বেগম (৩৫)।
    সেপ্টেম্বর : ছাতকে ২ সেপ্টেম্বর মাসুম মিয়া (৩৭) ও একই উপজেলায় ৫ সেপ্টেম্বর সাদির আহমদ (৩০), বড়লেখায় ১০ সেপ্টেম্বর রিয়াজ উদ্দিনকে খুন (২৫) ও শান্তিগঞ্জে অজ্ঞাত কিশোরের লাশ উদ্ধার হয়। জগন্নাথপুরে ১১ সেপ্টেম্বও রেজাউল কবির (৩৫), দিরাইয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর ইমরান আহমদ (১২) ও বড়লেখায় ওইদিন বাবুল চাষা (৫৫), দক্ষিণ সুরমায় ১৬ সেপ্টেম্বর সাদির আহমদ (২৮) ও মাধবপুরে একই দিনে সঞ্চিতা সাওতাল খুন হন। ছাতকে ২১ সেপ্টেম্বর উদ্ধার হয় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ। জকিগঞ্জে ২২ সেপ্টেম্বর আবুল হোসেন লিচু (৪০), সিলেট নগরে ২৫ সেপ্টেম্বর আদিল আহমদ (২৯) ও একই দিনে সিলেট নগরীতে জেসমিন আক্তার (২২) খুন হন। জকিগঞ্জে ২৯ সেপ্টেম্বর উদ্ধার করা হয় অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ।
    অক্টোবর : কুলাউড়ায় ৪ অক্টোবর  ফেরদাউস (১৪), ছাতকে ৭ অক্টোবর ইভা বেগম (৯), গোলাপগঞ্জে ২০ অক্টোবর তাজেল আহমদ (১৭) ও দিরাইয়ে ২৫ অক্টোবর খুন হন দুলাল মিয়া (৪৫)।
    নভেম্বর: শ্রীমঙ্গলে ৩ নভেম্বর দিলীপ দেব, গোয়াইনঘাটে ৭ নভেম্বর নাজিম উদ্দিন (২০) একই দিন মৌলভীবাজারে  রেজাউল করিম নাঈম (২১), জকিগঞ্জে ১৯ নভেম্বর আব্দুল হামিদ (৩১), সিলেট নগরীতে ২১ নভেম্বর আরিফ আহমদ (১৯) ও সীতেশ চন্দ্র গোপ এবং জৈন্তাপুরে ২৫ নভেম্বর হাফিজ মাওলানা আব্দুস শুকুরকে (৪৩) হত্যা করা হয়।
    ডিসেম্বর: কোম্পানীগঞ্জে ৩ ডিসেম্বর আব্দুল্লাহ (৫০), দক্ষিণ সুরমায় ৫ ডিসেম্বর শায়েদুল হক চৌধুরী (৪৮), শ্রীমঙ্গলে ৬ ডিসেম্বর ইন্তাজ আলী মীর (৫২), দিরাইয়ে ৯ ডিসেম্বর সুজিত বর্মন (৩০), সিলেট নগরীতে ১২ ডিসেম্বর রনজিত দাস (৫৮), নবীগঞ্জে ১৯ ডিসেম্বর শৈলেশ বর্মণ (৭০) ও একই দিনে বিশম্ভরপুরে খুন হন নাজিরা আক্তার (২৭) আর শান্তিগঞ্জে উদ্ধার করা হয় অজ্ঞাত যুবকের লাশ।
    শান্তিগঞ্জে ২১ ডিসেম্বর জুনু মিয়া (৩২), বিশ্বনাথে ২৩ ডিসেম্বর আমিন মিয়া সিয়াম (১৬), বাহুবলে ২৬ ডিসেম্বর অজ্ঞাত নারীকে আগুনে পুড়িয়ে এবং ২৯ ডিসেম্বও গোয়াইনঘাটে কাওছার আহমদকে (২৬) হত্যা করা হয়।
  • শায়েস্তাগঞ্জ ইউএনও  কে অনলাইন প্রেস ক্লাবের  সংবর্ধনা

    শায়েস্তাগঞ্জ ইউএনও কে অনলাইন প্রেস ক্লাবের সংবর্ধনা

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও ) নাজরাতুননাঈম কে উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাব বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে ।

    এ উপলক্ষে রবিবার (১০ ডিসেম্বর ) বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কক্ষে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজরাতুন নাঈম বলেন , শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা মানুষ খুবই আন্তরিক , আর এখানকার রাজনৈতিক পরিবেশ আরো ভালো । ফলে সকল কে নিয়ে সুন্দর একটি টিম ওয়ার্ক করে কাজ করছি । কতটুকু পেরেছি বলতে পারবো না। তবে অনেক চেষ্টা করেছি । দায়িত্ব পালন কালে সবাই যেভাবে সহযোগিতা করেছেন । যে কারণে তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ বলে উল্লেখ করেন।

    এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি সৈয়দ ইকবাল হোসেন , সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক সফিক , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফুল মিয়া , নির্বাহী সদস্য মোঃ হাছান আলী , মোঃ জুয়েল চৌধুরী প্রমুখ ।

    বক্তারা বলেন , শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজরাতুন নাঈম মানুষের সেবা দেয়ার জন্য সকল জায়গায় দৌড়তেন। তার এই কর্মের কথা উপজেলা বাসীসহ সাংবাদিকরা সারাজীবন মনে রাখবে । প্রত্যেক মানুষের কথা তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনতেন ও যে কোনো সমস্যা সমাধানে আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করতেন । সারাক্ষণ উপজেলা উন্নয়ন নিয়ে ভাবতেন। তিনি ছিলেন সৎ, সহজসরল সাদা মনের খুব দক্ষ নারী অফিসার এবং উদ্যামী ও কর্মঠ ছিলেন । তার কর্ম দক্ষতা ও ব্যাক্তিত্বের গুণে তিনি জনপ্রতিনিধি , রাজনীতিবিদ, মুক্তি যোদ্ধা , ব্যবসায়ী, সাংগঠনিক , সুশীল সমাজের প্রতিসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে একজন বান্ধব নির্বাহী অফিসার।

    উল্লেখ্য তিনি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজরাতুন নাঈম বদলী হয়ে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করবেন ।

    এ বদলীর শায়েস্তাগঞ্জ খবর আসলে সকল শ্রেণির পেশার মানুষের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়। বক্তব্য শেষে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাব এর পক্ষ থেকে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজরাতুন নাঈম কে সম্মাননা স্বারক প্রদান করা হয় ।

  • সিলেট জোরে নিরাপত্তা দিচ্ছে র‍্যাব -৯, সিলেট

    সিলেট জোরে নিরাপত্তা দিচ্ছে র‍্যাব -৯, সিলেট

    “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই ¯ শ্লোগান  নিয়ে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) অপরাধ দমনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে জনসাধারণের পাশে থেকে বিভিন্ন সেবামূলক কাজের মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা জোরদার করে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় র‌্যাবের এই কার্যক্রম দেশের সকল মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

    দেশে বিভিন্ন সময়ে চলমান হরতাল-অবরোধে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, সাধারণ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা প্রদানে এবং দেশের সম্পদ রক্ষার্থে র‌্যাব-৯ বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে আসছে।

    এরই অংশ হিসেবে চলমান হরতাল-অবরোধে জনসাধারণের চলাচলে কেউ যেন বিঘ্ন সৃষ্টি করতে না পারে এবং নির্বিঘ্নে  সব ধরনের যানবাহন চলাচল নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পণ্যবাহী, যাত্রীবাহী গাড়ি ও তেলবাহী লরি কনভয়কে নিরাপদে বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছানোর লক্ষ্যে অত্র ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে নিয়মিতভাবে এসকর্ট প্রদানের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য যে, সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জের রশিদপুর গ্যাসফিল্ড থেকে ছেড়ে যাওয়া রংপুরগামী বিভিন্ন তেলবাহী লরি কনভয়কে নিয়মিত র‌্যাবের এসকর্ট দেওয়া হচ্ছে।

    এছাড়াও সিলেট থেকে বিভিন্ন দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে এসকর্ট করে নিরাপত্তা দিচ্ছে র‌্যাব-৯।

    নাশকতা ও সহিংসতার মাধ্যমে কেউ যেন জনমনে ভীতির সৃষ্টি করতে না পারে সে লক্ষ্যে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে র‌্যাব-৯ এর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে র‌্যাব-৯ এর বিশেষ টহল এবং চেকপোস্ট কার্যক্রমের পাশাপাশি র‌্যাব সদস্যরা সাদা পোষাকে সতর্কতার সাথে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    সব ধরনের পরিবহণ ও সাধারণ জনগণ যেন নিশ্চিন্তে এবং নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে সেজন্য র‌্যাব-৯ এর উক্ত নিরাপত্তা জোরদারকরণ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    এছাড়াও যে কোন সহিংসতা বা নাশকতার বিরুদ্ধে র‌্যাব কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বদ্ধপরিকর।

  • সিলেট চার জেলায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ১৭ জন

    সিলেট চার জেলায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ১৭ জন

    আবুল কাশেম রুমন: সিলেট চার জেলায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ১৭ জন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে।

    ১৮ নভেম্বর ২০২৩ইং (শনিবার) সকালে রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে  কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    পরে তাঁর পক্ষে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। শনিবার বিকেল পর্যন্ত তিন শতাধিক মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন দলটির বিভিন্ন  নেতা। এর মধ্যে সিলেট বিভাগের চার জেলার ১৭ জন মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

    তারা হলেন সিলেট-৬ আসনে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি, মৌলভীবাজার-২ আসনে   কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম চৌধুরী নাদেল, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে আজিজুস সামাদ ডন, সিলেট-৫ আসনে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন, সুনামগঞ্জ-১ আসনে এডভোকেট রনজিত সরকার।

    এছাড়া সিলেট-৬ আসনে কানাডা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সরওয়ার হোসেন, একই আসনে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী, মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিক জায়গিরদার, লন্ডন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আফসার খান সাদেক ও মৌলভীবাজার-২ আসনে কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান শামীমসহ ১৭ জন মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

  • আজ সিলেট বিভাগে হরতাল

    আজ সিলেট বিভাগে হরতাল

    বুধবার সিলেট বিভাগে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল
    সিলেটে যুবদলের হরতালের বিএনপির এতাত্মতা প্রকাশ

    বিএনপির ডাকে টানা তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচির শুরুতে প্রথম দিনই গাড়ি চাপা দিয়ে গ্রেফতারের পর পুলিশী হেফাজতে নিহত গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য জিলু আহমদ দিলুর মৃত্যুর প্রতিবাদে বুধবার সিলেট বিভাগে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে যুবদলের কেন্দ্রীয় সংসদ।

    যুবদলের ডাকা এই হরতাল কর্মসূচিতে একাত্মতা পোষন করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী হরতালের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান।

    বিএনপি নেতৃবৃন্দ, বুধবার জিলু আহমদ দিলু হত্যা প্রতিবাদে যুবদলের ডাকে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল সর্বত্মকভাবে পালন করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীসহ সিলেটবাসীর প্রতি আহবান জানান।

  • শায়েস্তাগঞ্জে রেলওয়েতে নিরাপত্তা দিচ্ছে নিরাপত্তা কর্মীরা

    শায়েস্তাগঞ্জে রেলওয়েতে নিরাপত্তা দিচ্ছে নিরাপত্তা কর্মীরা

    বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ডাকা তিন দিনের সড়ক – রেলপথ – নৌপথ অবরোধ কর্মসূচীর মধ্যে ও সরকারি পরিবহন ট্রেন নিরবচ্ছিন্ন ভাবে চলাচল করছে আখাউড়া – সিলেট রেলপথ ।

    ট্রেন চলাচল নিরাপদ করতে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ , রেল পুলিশ ও আর এন বি যৌথ ভাবে কাজ করছে ।

    মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর ) সকালে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে ঘুরে দেখা যায় , স্টেশনের প্রবেশ মূখে ফ্লাট ফর্ম উপর থানার একদল পুলিশ , রেল পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী সারিবদ্ধ ভাবে দাড়িয়ে আছে ।

    রেল যাত্রীরা আতংকের মধ্যে থাকলে ও তাদের এই পরিবেশ দেখে আতংক কিছুটা কমেছে । অন্য দিকে সকাল থেকেই প্রতিটি আন্তঃনগর ও লোকাল ট্রেন নির্ধারিত সময়ে চলাচল করছে। তবে বিভিন্ন গন্তব্য থেকে চট্টগ্রাম , ঢাকা ও সিলেট রেলপথে ট্রেন যাএীরা অনেকটা শঙ্কায় থাকলে ও তারা নিরাপদে পৌঁছেছেন ।

    মোঃ মোজাম্মেল হক সফিক বলেন , আমি শায়েস্তাগঞ্জ থেকে আন্তঃনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন সিলেটে আসলাম। আসার সময় অনেকটা শঙ্কায় ছিলাম, কেউ নাশকতা করে কিনা । তবে নিরাপদে পৌঁছেছি ।

    রেল পথে কোনো ধরনের নাশকতা হয়নি। রাতে সিলেট থেকে আসার পথে দেখলাম প্রতিটি ট্রেন ঠিকঠাক লাইন ধরে চলাচল করছে । কোনো লাইনের পাশে মানুষের জটলা নেই ।

    নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর সাব্বির আলী বলেন , শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশের অনেক ফোর্স সহযোগিতায় রেল ফাঁড়ি পুলিশ ও আর এন বি কঠোর নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর আমাদের কাছে আসে নি । রেল চলাচল স্বাভাবিক ভাবে আছে । আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেক জোরদার করা হয়েছে ।

    তিনি আরো বলেন , গত মধ্য রাত ১২ টা থেকে আমরা রেললাইন পাহারা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছি । আমাদের ট্রাইকিং ফোর্স সব জায়গায় রেডি আছে । যেন আমরা নিরবচ্ছিন্ন ভাবে স্টেশন ও রেলপথ পাহারা দিতে পারি ।