Category: প্রযুক্তি

  • হবিগঞ্জে এখনও দেখা মেলে জোনাকির, তবে আশঙ্কা বিলুপ্তির

    হবিগঞ্জে এখনও দেখা মেলে জোনাকির, তবে আশঙ্কা বিলুপ্তির

    হবিগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকা ও বনাঞ্চলে এখনও রাতের আঁধারে জোনাকির ঝলমলে আলো চোখে পড়ে। তবে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, পরিবেশগত পরিবর্তন ও আলোক দূষণের কারণে দ্রুত কমে যাচ্ছে এদের সংখ্যা, ফলে জোনাকি এখন বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেজা মাটি, ঝোপঝাড়, পতিত জমি ও বনাঞ্চল জোনাকির প্রধান আবাসস্থল। কিন্তু এসব পরিবেশ ক্রমেই সংকুচিত হওয়ায় তাদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি কৃত্রিম আলোর আধিক্যের কারণে জোনাকিরা সঙ্গী খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়, যা তাদের প্রজননের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    বাংলাদেশে বর্তমানে হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় সীমিত সংখ্যক জোনাকির দেখা পাওয়া যায়। বিশেষ করে হবিগঞ্জের বনাঞ্চল ও গ্রামীণ পরিবেশে এখনও এই ছোট্ট আলোকিত পোকাটির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

    বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী জোনাকিকে ‘বিপন্নপ্রায়’ প্রাণীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    প্রকৃতিপ্রেমীরা বলছেন, জোনাকির আলো শুধু সৌন্দর্যের নয়, এটি একটি সুস্থ পরিবেশেরও প্রতীক। তাই হবিগঞ্জের প্রকৃতিতে এখনও যদি জোনাকির দেখা মেলে, তবে সেটি উপভোগ করার পাশাপাশি তাদের আবাসস্থল রক্ষায় সচেতন হওয়াও জরুরি।

  • জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ টপ এচিভার হয়েছে – উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব, হবিগঞ্জ

    জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ টপ এচিভার হয়েছে – উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব, হবিগঞ্জ

    সপ্তমবারের মতো দেশ গঠনে এগিয়ে আসা একদল তরুণের হাতে উঠবে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। ছয়টি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী তরুণ সংগঠনগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) চেয়ারম্যান সজীব ওয়াজেদ জয়।
    দেশের ৭৫০টিরও বেশি সংগঠনের মধ্য থেকে ছয় ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দেওয়ার আয়োজক আওয়ামী লীগের গবেষণা উইং সিআরআই’র অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ‘ইয়াং বাংলা’।
    উদ্ভাবন ও যোগাযোগ ক্যাটাগরিতে টপ ফাইনালিস্ট পুরস্কার পেয়েছে।  হবিগঞ্জ জেলার একমাত্র কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার উন্নয়ন মূলক সংগঠন উদ্ভাবনী বি জ্ঞান ক্লাব,  হবিগঞ্জ।  সারা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ এ ৭৫০+ সংগঠনের মধ্যে সেরা টপ ২৬ এচিভার হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে।
    উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব,হবিগঞ্জের পক্ষে জয় বাংলা ইয়ুথ এওয়ার্ড এর জন্য আবেদন করেন বাংলাদেশের তরুণ বিজ্ঞানী ও ক্লানের প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক জনাব,মোহাম্মদ মোশাহিদ মজুমদার। যিনি হবিগঞ্জ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইনোভেশন কালচার ছড়িয়ে দিয়ে একটি উদ্ভাবনী সংস্কৃতি ডেভলপমেন্টের কাজ করছেন। এছাড়াও তিনি বলেন দেশে একটি উদ্ভাবনী নীতিমালা প্রয়োজন যা তরুণদের উদ্ভাবনের পথ সহজ সমাধান হয়। বি জ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার উন্নয়ন মূলক সংগঠনটির সকল উদ্ভাবক-উদ্যোক্তা সম্পৃক্ত করে কাজ করে যাচ্ছেন – জেলার ৯ টি উপজেলার ১৭৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যার ধারাবাহিকতায় আজ উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব হবিগঞ্জ সারা বাংলাদেশে হবিগঞ্জ জেলাকে ব্যান্ডিং করেছে।
    এই অর্জনে জেলার সর্বস্তরের মানুষ তাদেরকে নানাভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সোশাল মিডিয়া। পাশাপাশি ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ মোশাহিদ মজুমদার বলেন আমাদের এই অর্জন ক্লাবের সকল সদস্যদেরও জেলা বাসীকে উৎসর্গ করলাম।
    উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে।
    প্রথমত, ক্লাবটি হবিগঞ্জ জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। ক্লাবটি বিভিন্ন উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালনা করে, যার মধ্যে রয়েছে উদ্ভাবনী ধারণা তৈরি ও বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করা, উদ্ভাবনী প্রকল্প ও গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় কিট সরবরাহ এবং অর্থায়ন প্রদান করা, উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের নতুন নতুন স্টাটআপ তৈরি জন্য সহায়তা প্রদান করা, এবং উদ্ভাবনী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। এই কার্যক্রমগুলির মাধ্যমে ক্লাবটি তরুণদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও উদ্যোগের প্রসার ঘটাতে সহায়তা করছে।
    দ্বিতীয়ত, ক্লাবের কার্যক্রমগুলি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সহায়তা করছে। ক্লাবের উদ্ভাবনগুলি বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহায়তা করছে, যার মধ্যে রয়েছে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশ দূষণ কমানো, এবং বন্যা প্রতিরোধ করা।
    তৃতীয়ত, ক্লাবটি একটি উদ্ভাবনী সংস্কৃতি গড়ে তোলার উপর জোর দেয়। ক্লাবটি বিশ্বাস করে যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাজের উন্নতি করা সম্ভব। এই লক্ষ্যে ক্লাবটি বিভিন্ন উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা তরুণদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও উদ্যোগের প্রসার ঘটাতে সহায়তা করে।
    উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের এই অবদানগুলি বিবেচনা করে বলা যায় যে তারা জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার জন্য যোগ্য। অ্যাওয়ার্ডটি তাদের কাজের স্বীকৃতি এবং তাদেরকে আরও উৎসাহিত করবে।
    জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড বাংলাদেশের তরুণদের জন্য একটি সম্মানজনক পুরস্কার। এটি তরুণদের তাদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং সমাজের জন্য অবদান রাখতে উৎসাহিত করে।
    মোহাম্মদ মোশাহিদ মিয়া উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক। তিনি একজন তরুণ উদ্ভাবক এবং উদ্যোক্তা। তিনি ২০১৯ সালে হবিগঞ্জ জেলায় উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন।
    মো: মোশাহিদ মিয়া উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের প্রতিষ্ঠার পেছনে বেশ কয়েকটি অবদান রয়েছে। তিনি একজন উদ্ভাবনী চিন্তাবিদ এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাজের উন্নতি করা সম্ভব। তিনি এই লক্ষ্যে উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন।
    মো: মোশাহিদ মিয়া উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের মাধ্যমে হবিগঞ্জ সহ বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি ক্লাবের মাধ্যমে বিভিন্ন উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালনা করেন, যার মধ্যে রয়েছে উদ্ভাবনী ধারণা তৈরি ও বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করা, উদ্ভাবনী প্রকল্প ও গবেষণার জন্য অর্থায়ন প্রদান করা, উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়তা প্রদান করা, এবং উদ্ভাবনী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। এই কার্যক্রমগুলির মাধ্যমে তিনি তরুণদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও উদ্যোগের প্রসার ঘটাতে সহায়তা করছেন।
    মো:মোশাহিদ মজুমদার উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতেও সহায়তা করেছেন। ক্লাবের উদ্ভাবনগুলি বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহায়তা করছে, যার মধ্যে রয়েছে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশ দূষণ কমানো, এবং বন্যা প্রতিরোধ করা।
    মোশাহিদ মজুমদারের উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তিনি একজন অনুপ্রেরণা এবং তার কাজ বাংলাদেশের তরুণদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা।
    ইয়াং বাংলার এই আয়োজনে সকালে যোগ দেন সিআরআইর চেয়ারম্যান সজীব ওয়াজেদ জয় ও সিআরআইর ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকী।
    সিআরআইর ট্রাস্টি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, সাংসদ নাহিম রাজ্জাক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
  • বাংলাদেশের বাজারে ‘স্মার্ট ৮’ স্মার্টফোন আনল ইনফিনিক্স

    বাংলাদেশের বাজারে ‘স্মার্ট ৮’ স্মার্টফোন আনল ইনফিনিক্স

    স্মার্ট ৮ মডেলের নতুন বাজেট স্মার্টফোন বাজারে এনেছে তরুণদের পছন্দের প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। সাধ্যের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশের সকল প্রযুক্তিপ্রেমীর সব ধরণের প্রয়োজন মেটানোর উপযোগী করেই ডিজাইন করা হয়েছে স্মার্টফোনটি।

    বাজেটবান্ধব স্মার্ট ৮-এ আছে বিশাল ৬.৬ ইঞ্চির ৭২০ x ১৬১২ পিক্সেলের এইচডি+ ডিসপ্লে। পাশাপাশি ফোনটি ব্যবহারে সুন্দর অভিজ্ঞতা দিতে ডিসপ্লেতে আছে ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট এবং ১৮০ হার্টজের টাচ সেম্পলিং রেট। প্রসেসর হিসেবে স্মার্ট ৮ স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হয়েছে ইউনিসকের ১.৬ গিগাহার্টজ টি৬০৬ অক্টাকোর প্রসেসর। আর মাল্টিটাস্কিংয়ের সুবিধা দিতে ফোনটিতে আছে ৪ জিবি রেম ও ১২৮ জিবি রম।

    ছবি তোলার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে স্মার্ট ৮ এর পেছনে আছে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা এবং সামনের দিকে আছে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। কম আলোতে ভালো ছবি ধারণ করতে ফোনটির পেছনের ক্যামেরায় ব্যবহার করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রিং এলইডি ফ্ল্যাশ লাইট। যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ফোনটিতে ফোরজি ডুয়াল সিম ব্যবহার করা যাবে, ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা যাবে। এছাড়াও, ফোনের সাথে অন্যান্য ডিভাইস সংযুক্ত করতে ফোনটিতে ব্লুটুথ ৫ ব্যবহার করা হয়েছে।

    অ্যান্ডরয়েড ১৩ এর ওপর ভিত্তি করে চলা ইনফিনিক্সের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম এক্সওএস ১৩ আছে স্মার্ট ৮-এ। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য ফোনটির পাশের দিকে আছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। স্মার্ট ৮ এর ব্যাটারি সক্ষমতা ৫০০০ অ্যাম্পিয়ার এবং চার্জিংয়ের জন্য সাথে থাকছে ১০ ওয়াটের চার্জার ও উন্নত সংস্করণের সি-পোর্ট।

    পছন্দের রংয়ের ফোন বেছে নেওয়ার জন্য টিম্বার ব্ল্যাক, গ্যালাক্সি হোয়াইট, ক্রিস্টাল গ্রিন এবং শাইনি গোল্ড, এই চার রংয়ে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে স্মার্ট ৮। তুলনামূলক দামে কম হলেও, প্রয়োজনীয় সব ফিচার ফোনটিতে রেখেছে ইনফিনিক্স। ফোনটির বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১১,৪৯৯ টাকা। তবে অফিশিয়াল ওয়ারেন্টিসহ মাত্র ১০,৪৯৯ টাকায় স্মার্ট ৮ পাওয়া যাবে দারাজে। এছাড়াও, ফোনটির ৪জিবি+৬৪জিবি ভার্সনও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ১০,৪৯৯ টাকায়।

  • সিলেট বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছে উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব হবিগঞ্জ

    সিলেট বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছে উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব হবিগঞ্জ

     

    সিলেট বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছে উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব হবিগঞ্জ।

    ৪৪ তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২৩ উপলক্ষে ১৭/০৬/২০২৩ইং দিন ব্যাপি বিভাগীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান মেলার শুভ উদ্বোধন করা হয় মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়াম, জেলা স্টেডিয়াম,সিলেট প্রাঙ্গনে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির পদ অলংকৃত করেন সিলেট বিভাগের সম্মানিত সিলেট বিভাগীয় কমিশনার জনাব ড.মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন । অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশন জনাব দেবজিৎ সিংহ এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জনাব মোহাম্মদ মুজিবর রহমান, জেলা প্রশাসক সিলেট।

    অতিথিদের স্টলে ভিজিট কালে : উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের, প্রতিষ্ঠাতা সহ-পরিচালক মো:মোশারফ আলম চৌধুরী – (তরুণ বিজ্ঞানী) উপস্থিত থাকতে ক্লাবের গবেষণা ও প্রোটোটাইপ উদ্ভাবন গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত বিভাগীয় পর্যায়ে উপস্থাপন করেন।

    বিভাগীয় পর্যায়ে ৪৪ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ড. মোশাররফ হোসেন বিভাগীয় কমিশন সিলেট। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ মুজিবর রহমান, জেলা প্রশাসক সিলেট এতে সভাপতিত্ব করেন জনাব দেবজিৎ সিংহ, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ( সার্বিক) সহ বিভিন্ন দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা, ও সম্মানিত ব্যাক্তিবর্গ।

    উক্ত বিজ্ঞান মেলায় উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের সহ-পরিচালক জনাব মো: মোশারফ আলম চেীধুরী বলেন আমরা আমাদের গবেষণা ও আবিষ্কার জেলার ও দেশের সর্ববৃহৎ পরিকল্পনা স্মার্ট ডিস্ট্রিক্ট ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই তারই ধারাবাহিক ভাবে একযুগ ধরে জেলায় ইনোভেশন কালচার তৈরিতে কাজ করছে উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব হবিগঞ্জ। এবং প্রতিবছরই জেলা, উপজেলা,বিভাগ সহ জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে প্রথম স্থান অর্জন করছে। তারই ধারাবাহিক এবার বিভাগীয় পর্যায়ের আবারও প্রথম স্থান অর্জন।

    হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক জনাব ইশরাত জাহান  বিভাগীয় পর্যায়ের প্রথম স্থান অর্জন করায় উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব কে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

  • মাধবপুরে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন

    মাধবপুরে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে তৃতীয় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

    আজ বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন ফিতা কেটে এ মেলার উদ্বোধন করেন।

    উপজেলার ২টি ডিগ্রী কলেজ ও উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান মনষ্ক ছাত্র ছাত্রীরা এতে অংশগ্রহণ করে। উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন বলেন, এ মেলার লক্ষ্য হল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান মনষ্ক শিক্ষার্থীরা উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের যথাযথ ব্যবহার বাড়াতে শিখবে।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মাঝে ছিলেন, একাডেমী সুপারভাইজার রোকসানা পারভীন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ নুর মামুন, মাধবপুর প্রেসক্লাব সভাপতি মোহাম্মদ অলিদ মিয়া, শিক্ষক কে এম সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ নুরুল্লাহ ভূঁইয়া সহ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বিভাগীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় হবিগঞ্জের উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব ২য়

    বিভাগীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় হবিগঞ্জের উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব ২য়

    ৪৩ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ পালন উপলক্ষে সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে আয়োজিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় হবিগঞ্জ জেলার একমাত্র কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব সিলেট বিভাগের মধ্যে ২য় স্থান অর্জন করেছে।

    পাশাপাশি হবিগঞ্জ জেলার তিনটি প্রতিষ্ঠান কৃতিত্ব অর্জন করেছে। এই কৃতিত্বের জন্য জেলা প্রশাসক ও উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি ইশরাত জাহান উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।

    ‘স্মার্টফোনে আসক্তি, পড়াশোনার ক্ষতি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের আয়োজনে ৪৩তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ- ২০২২ এর উদ্বোধন হয়েছে।

    গত মঙ্গলবার (১৪ জুন) সকালে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ৪৩তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ- ২০২২ এর উদ্বোধন করেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন সিলেট জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি বিপ্লব বিজয় তালুকদার, সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. রমা বিজয় সরকার, সিলেট মুরারিচাঁদ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সালেহ আহমদ প্রমুখ।

    সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ইয়াসমিন নাহার রুমা, মাধ্যমিক শিক্ষা অদিপ্তর সিলেটের পরিচালক আব্দুল মান্নান সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ আয়োজনের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “বিজ্ঞানের বিষ্ময়কর আবিষ্কার এবং বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতিগুলো জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীদের দেখিয়ে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিজ্ঞান শিক্ষায় উৎসাহিত করে তুলতে হবে।”

    স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার সম্পর্কে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক করে বলেন, “আমাদের সন্তানদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি এর অতিরিক্ত ব্যবহারের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।”

    বক্তব্য শেষে, বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন অন্যান্য অতিথিদের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-২০২২ এ অংশ নেওয়া ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন প্রজেক্ট ঘুরে ঘুরে দেখেন।

    মেলায় মোট ৩২টা স্টল ছিল যা সিলেট বিভাগের প্রত্যেকটি জেলার ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্কুলের স্টল।

    উক্ত অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ। বিষেশ অতিথি হিসেবে সিলেট জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. রমা বিজয় সরকার, সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) দেবজিৎ সিংহ।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তা, ছাত্র ছাত্রী, শিক্ষক ও দর্শনার্থীদের একাংশ প্রমূখ।

    উক্ত অনুষ্ঠানে হবিগঞ্জ জেলা থেকে জেলা পর্যায়ের কুইজ ও প্রকল্প উপস্থাপনে বিজয়ীরা বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।

    উক্ত অনুষ্ঠানে উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের দুটি শাখা ক্লাব অংশ গ্রহণ করে উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব (হবিগঞ্জ সদর) উপজেলা এবং উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব (শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা)। উক্ত অনুষ্ঠানে উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের (হবিগঞ্জ সদর) উপজেলা বিজয় অর্জন করে।

    এ ছাড়াও দলীয় কুইজ প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অধিকার করেছে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ ইসলামি একাডেমি। জুনিয়র গ্রুপে প্রকল্প উপস্থাপনে ২য় স্থান অধিকার করেছে বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুল, সিনিয়র গ্রুপের প্রকল্প উপস্থাপনে ৩য় স্থান অধিকার করেছে সুফিয়া মতিন মহিলা কলেজ।

    সিলেট বিভাগে হবিগঞ্জের নাম উজ্জ্বল করায় উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবকে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন কর্তৃক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানানো হয়।

    উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মোশাহিদ মজুমদার বলেন, “এই কৃতিত্বের সবই হবিগঞ্জের। আমরা হবিগঞ্জ জেলার প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে গর্বিত এবং হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা দিয়ে যাওয়ার জন। পাশাপাশি জেলার সকলে প্রতি উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব, হবিগঞ্জ দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

  • ১০ জন উদ্যোক্তা পাবেন ফ্রি ওয়েবসাইট

    ১০ জন উদ্যোক্তা পাবেন ফ্রি ওয়েবসাইট

    আপনিও পেতে পারেন একটি ফ্রি সপ। ১০ জন উদ্যোক্তার জন্য ফ্রি ওয়েবসাইট ডিজাইনের এই অফারটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়েছে হবিগঞ্জ নিউজের নির্বাহী সম্পাদক ও ওয়েব ডেভলপার সাংবাদিক আব্দুল হাফিজ ভূঁইয়া। আজ তার ব্যক্তিগত ফেইচবুক আইডিতে বিষয়টি শেয়ার করতে দেখা গেছে।

    কি রয়েছে সেই পোষ্টে? হুবহু তা হবিগঞ্জ নিউজের পাঠকের জন্য তুলেধরা হল।

    ১০ টি ফ্রি ওয়েবসাইট ডিজাইন করে দেব উদ্যোক্তাদের জন্য। এটি ঐ সব উদ্যোক্তাদের জন্য যারা টাকার চিন্তায় নিজস্ব অনলাইন শপ খুলতে পারে না। এর জন্য আপনাকে প্রদত্ত লিংকে কিছু তথ্য দিতে হবে। এই তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই বাচাই শেষে সেবাটি প্রদান করা হবে।

    সেবা নিতে আপনার যা করা প্রয়োজনঃ
    ১. বাচাইয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে।
    ২. বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হলে একটি ডোমেইন ও হোস্টিং কিনতে হবে। (আমি ডোমেইন হোস্টিং বিক্রয় করি না।)
    (বাকী কথা পরে হবে)

    রেজিস্ট্রেশন লিংক