Category: প্রযুক্তি

  • ভ্যাট নিবন্ধন নিল গুগল ও আমাজন, নেবে ফেসবুক ও নেটফ্লিক্স

    ভ্যাট নিবন্ধন নিল গুগল ও আমাজন, নেবে ফেসবুক ও নেটফ্লিক্স

    বিশ্বের অন্যতম টেক জায়ান্ট গুগল ও আমাজন এখন বাংলাদেশের নিবন্ধিত ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান। এই দুটি প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবসায় নিবন্ধন নম্বর (বিআইএন) নিয়েছে, যা ভ্যাট নিবন্ধন হিসেবে পরিচিত। ২৩ মে গুগল এবং ২৭ মে আমাজন এই ভ্যাট নিবন্ধন পেয়েছে। এখন থেকে এ দুটি প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করে ভ্যাটের টাকা পরিশোধ করবে।

    অবশ্য এত দিনও প্রতিষ্ঠান দুটি ভ্যাটের টাকা পরিশোধ করত। বাংলাদেশ থেকে যে ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের টাকা পরিশোধ হতো, সেই ব্যাংকই ভ্যাট কেটে রেখে সরকারি কোষাগারে জমা দিত।

    শুধু গুগল, আমাজন নয়; শিগগিরই ফেসবুক ও নেটফ্লেক্স ভ্যাট নিবন্ধন নিতে যাচ্ছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে।

    জানা গেছে, গুগল এশিয়া প্যাসিফিক পিটিই লিমিটেড নামে ভ্যাট নিবন্ধন নিয়েছে। ব্যবসার ধরন হিসেবে বলা হয়েছে সেবা। আর সিঙ্গাপুরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে আমাজন নিবন্ধিত হয়েছে আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস ইনকরপোরেশন নামে। এই প্রতিষ্ঠান সেবাধর্মী ব্যবসা করবে বলে জানিয়েছে। আমাজন যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের ঠিকানা ব্যবহার করেছে।

    অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হলেও এ দেশে তাদের পক্ষে ভ্যাট পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারস বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটি গুগল ও আমাজনের পক্ষে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল তৈরিসহ ভ্যাট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ রক্ষায় সহায়তা করবে।

    ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির প্রথম আলোকে বলেন, অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ দেশে ব্যবসা করছে গুগল ও আমাজন। এখন তাঁরা পুরোপুরি ভ্যাট আইনের আওতায় এল। অন্য ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠানের মতো ওই প্রতিষ্ঠান দুটি রিটার্ন দাখিল করবে। আবার ভ্যাটের আইনি সুরক্ষাও পাবেন।
    জানা গেছে, ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়ার আবেদনপত্রে গুগল ও আমাজনের ব্যাংক হিসাব, ট্রেড লাইসেন্স ও আয়-ব্যয়ের হিসাবের তথ্য জানিয়েছে।

    প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারস বাংলাদেশের ম্যানেজিং পার্টনার মামুন রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘এনবিআর বিশেষ করে পূর্বের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান চেয়ারম্যান, মেম্বার ভ্যাট ও তার সহকর্মীদের ধন্যবাদ। তারা প্রায় ১৮ মাস প্রচুর কাজ করেছেন এসব বৈশ্বিক কোম্পানির নিয়ম মেনে কাজ করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ আইসিটিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকেও এ ক্ষেত্রে সহায়তার জন্য। সঠিকভাবে ভ্যাট প্রদানের জন্য ছোটখাটো কিছু সমস্যা এখনো রয়ে গেছে। আমরা আশাবাদী আস্তে আস্তে এনবিআর এগুলো দূর করার ক্ষেত্রেও সমধিক তৎপর হবেন।’

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ফেসবুকও ভ্যাট নিবন্ধন নিতে যাচ্ছে। নেটফ্লিক্সের ভ্যাট নিবন্ধনের আলোচনা প্রক্রিয়াও অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, আবেদন করা হলে আগামী এক মাসের মধ্যে এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট নিবন্ধন দেওয়া হতে পারে। এই দুটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পরামর্শক হিসেবে কাজ করছে প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারস বাংলাদেশ। এ ছাড়া ভারতের ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম হইচই-কে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় আনতে আলোচনা চলছে।

    গুগল, আমাজন, ফেসবুকসহ অনাবাসী প্রতিষ্ঠানগুলো (যাদের এ দেশে স্থায়ী কার্যালয় নেই) এ দেশে বিজ্ঞাপন প্রচারসহ নিজেদের নানা ধরনের সেবা দিয়ে থাকে। এসব সেবা নিয়ে গ্রাহকেরা ক্রেডিট কার্ড বা অন্য কোনো উপায়ে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করে থাকেন। তখন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কেটে রাখেন। ভ্যাট কেটে না রাখলে বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশে ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানোর অনুমতি দেয় না। বাংলাদেশে সেবা গ্রহণ করা হলেও অনেক সময় বিদেশ থেকেও এসব অনাবাসী প্রতিষ্ঠানের অর্থ পরিশোধ করা হয়, যা ভ্যাট কর্তৃপক্ষের পক্ষে চিহ্নিত করা সম্ভব হয় না।

  • জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাবিপ্রবি অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল

    জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাবিপ্রবি অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল

    জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাবিপ্রবি অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    মানবিক উন্নয়ন ব্যতিত অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্থহীন। আজ আমাদের দেশের জন্য সুখবর হলো স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সুপারিশের ভিত্তিতে ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ। এজন্য আমাদের মাথাপিছু আয়ের রেকর্ড ধরে রাখতে হবে, মানব উন্নয়ন সূচকে এগিয়ে থাকতে হবে আর অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা হ্রাস করতে হবে। তবে আমাদের কাছে সবকিছু অর্থহীন হবে যদি মানবিক উন্নয়ন না ঘটে।

    অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মানবিক উন্নয়ন একে অন্যের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। একটি ছাড়া অন্যটি অচল ও অর্থহীন। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে একটি যুক্তিবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যৌক্তিক বিষয়ে যদি আমরা মুক্তভাবে চিন্তা না করতে পারি এবং সেই চিন্তার প্রকাশ না ঘটাতে পারি তাহলে এই উন্নয়ন একসময় মুখ থুবরে পড়বে।

    সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবের হবিগঞ্জ অঞ্চলের পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন। অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল আরো বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের মানবিক আবেগ অনুভূতির উপর যেন বিরূপ প্রভাব না পড়ে। তিনি তরুণদের সময়ের সদ্ব্যবহারের করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, বিশ্বায়নের যুগে ঠিকে থাকতে হলে মেধাবী ও দক্ষ হওয়ার বিকল্প নেই।

    ২৭ ফেব্রুয়ারী শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন ও সমকালের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হবিগঞ্জ জেলা পর্যায়ের বিতর্ক উৎসব-২০২১ এর সমাপনী ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমকালের হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক রাসেল চৌধুরী। হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাপনী ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ হারুনুর রশীদ, খেলাঘরের কেন্দ্রীয় সদস্য বাদল রায়, ধর্মঘর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আলী আসগর, জহুরচাঁন বিবি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ।

    উক্ত বিতর্ক উৎসবে জেলার ৮ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। চূড়ান্ত পর্যায়ে হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চবিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন ও প্রাণ-আরএফএল উচ্চবিদ্যালয় রানার আপ হয়। জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চবিদ্যালয় সিলেট অনুষ্ঠিতব্য বিভাগীয় পর্যায়ে অংশগ্রহন করবে। পরবর্তীতে ৮ বিভাগের চ্যাম্পিয়ন ৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিতার্কিকদের নিয়ে ঢাকায় আয়োজিত হবে জাতীয় পর্যায়ের বিতর্ক উৎসবের।

  • গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে করোনার কিট তৈরির চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার

    গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে করোনার কিট তৈরির চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার

    গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) শনাক্তের কিট তৈরি ও ল্যাবের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। গত মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই অনুমোদন দেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

    গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বলেন, ‘করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর রক্তের নমুনা পাওয়া গেছে। পরীক্ষামূলক কিট দিয়ে রক্ত পরীক্ষা করে দেখা হবে।’

    ডা. জাফরুল্লাহ জানান, আগামী ১১ এপ্রিল তারা সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে করোনাভাইরাস পরীক্ষার কিট সরবরাহক করবেন।

    প্রসঙ্গত, বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চার চিকিৎসক নিহাদ আদনান, মোহাম্মদ রাশেদ জমিরউদ্দিন ও ফিরোজ আহমেদ করোনা শনাক্তের কিট উদ্ভাবন করেন।

    এর আগে ২০০৩ সালে পৃথিবীজুড়ে সার্স ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুরের গবেষণাগারে কয়েকজন সহকারীকে নিয়ে সার্স ভাইরাস দ্রুত নির্ণয়ের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। বিজন কুমার বর্তমানে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান বিজ্ঞানী।

    এর আগে ডা. জাফরুল্লাহ জানিয়েছিলেন, ব্লাড গ্রুপ যে পদ্ধতিতে চিহ্নিত করা হয়, এটা মোটামুটি সে রকমের একটি পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে অত্যন্ত স্বল্পমূল্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা যাবে।

  • হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রস্তুত করে বিতরণ করলেন বৃন্দাবন কলেজের ড. সুভাষ দেব ও ফখরুদ্দিন খান

    হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রস্তুত করে বিতরণ করলেন বৃন্দাবন কলেজের ড. সুভাষ দেব ও ফখরুদ্দিন খান

    সম্প্রতি সারাবিশ্বে করোনা প্রাদুর্ভাব এর মূল কারণ হল জীবানু। আর করোনার ভাইরাস হাত-পায়ের জীবানুর সাথে সহজে মিশে মানব দেহে প্রবেশ করতে পারে।

    তাছাড়াও করোনা থেকে রক্ষা পেতে বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা বার বার হাত পরিষ্কার রাখার কথা বলছে। আর হাতের জীবানু থেকে বাঁচতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা হয়।

    দেশে ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় স্যানিটাইজার বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও স্বল্পতার কারণে তা পৌঁছে নি সবার হাতে।

    এমনই এক পরিস্থিতিতে বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জ এর উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সুভাষ চন্দ্র দেব হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরীর উদ্যোগ নেন। স্যানিটাইজার তৈরী করতে ড. সুভাষ চন্দ্র দেবকে সহযোগিতা করেন একই বিভাগের প্রভাষক জনাব, আ. ব. ম. ফকরুদ্দিন খান পারভেজ ও উনার ছাত্র কে. এম. আবু বকর।

    ড. সুভাষ দেব এর সাথে কে. এ. আবু বকর

    স্যানিটাইজার প্রস্তুত হওয়ার পর বোতলজাত করা হয়।প্রতিটি বোতল ১০০ ml ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন।

    ড. সুভাষ দের সাথে ফখরুদ্দিন খান (ডান দিকে) ও কে. এম. আবু বকর (বাম দিকে)

    দুপুর ০৩ টার দিকে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, বৃন্দাবন সরকারি কলেজে অত্র কলেজের বিদায়ী প্রিন্সিপ্যাল জনাব, অধ্যাপক এলিয়াছ হোসেন স্যানিটাইজার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্ভোদন করেন।

    শুভ উদ্ভোদন করছেন মাননীয় অধ্যক্ষ, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জ

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন অত্র কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক জনাব, ইলিয়াস জালাল, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব, আব্দুল হাকিম সহ অত্র কলেজের আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষক/শিক্ষিকা।

    ড. সুভাষ চন্দ্র দেব

    প্রাথমিকভাবে অত্র কলেজের শিক্ষকবৃন্দের মাঝে হ্যান্ড স্যানিটাইজার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। এছাড়াও কলেজের বেশ কয়েকজন স্টাফ ও ছাত্র/ছাত্রীদেরও বিনামূল্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হয়।

    পরবর্তীতে কলেজের অন্যান্য স্টাফ, ছাত্র/ছাত্রী ও সর্বসাধারণের মাঝে বিতরণ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা যায়।

    এমন মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন অনেকেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক প্রশংশিত হন তারা।

    নিচে কয়েকটি ফেইসবুক কমেন্টস তুলে ধরা হল –

    ০১. ” বৈশ্বিক এ দুর্যোগ মোকাবেলায় বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের এ উদ্যোগ সফল হউক। ড. সুভাষ দেব ও জনাব ফখরুদ্দিনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ”

    কমেন্টটি করেছেন উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান জনাব, আবু আহমদ আহসান কবির।

    ০২. Subash Deb sir ও Fokoruddin Khan Parvej sir কে অনেক ধন্যবাদ । উপস্থিত ধাকতে পারলে আরো ভাল লাগতো।

    কমেন্টটি করেছেন উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের প্রভাষক জনাব, মোসলেম উদ্দিন।

    ০৩. ধন্যবাদ । সময় উপযোগী পদক্ষেপ । আরও ভালো লাগলো শ্রদ্ধেয় অধ্যক্ষ স্যার শেষ মূহুর্তে ও জাতির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন । স্যারের প্রতি রইল আমার কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা ।

    কমেন্টটি করেছেন প্রানিবিদ্যা বিভাগ, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের বিভাগীয় প্রধান জনাব, নজরুল ইসলাম ভূইয়া।

    ০৪. আলহামদুলিল্লাহ। সারা দেশের সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগ যখন স্যানিটাইজার বানাচ্ছিল তখন কিছুটা হলেও বিব্রতবোধ করছিলাম।যাক অবশেষে আমাদের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ ইজ্জত রক্ষা করেছে। অভিনন্দন ড. সুভাষ স্যার ও পারভেজকে।

    কমেন্টটি করেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক জনাব, মোঃ আবু সিদ্দিকী।

    এছাড়াও ড. সুভাষ চন্দ্র দেব ও জনাব ফকরুদ্দিন খান স্যারের ছাত্র কে. এম. আবু বকর ফেইসবুকে একটি পোস্ট করেছেন। পোস্টটি হুবুহু তুলে ধরা হল –

    ” উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সম্মানিত সহকারী অধ্যাপক, ড. সুভাষ চন্দ্র দেব ও প্রভাষক, আ. ব. ম. ফকরুদ্দিন খান (পারভেজ) স্যারের যৌথ উদ্যোগে আমাদের সুরক্ষার জন্য সীমিত সংখ্যক হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করে আজ বিতরণ করা হয়েছে।

    অত্র কলেজের বিদায়ী অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ এলিয়াছ হোসেন স্যার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্ভোদন করেন।

    আমি অধম এই মহৎ উদ্যোগে সহযোগিতা করতে বিভাগে উপস্থিত হয়েছিলাম।

    ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি ড.সুভাষ চন্দ্র দেব স্যার ও আ. ব. ম. ফখরুদ্দিন খান (পারভেজ) স্যারের প্রতি। ”

  • প্রায় ৯০০ বছর পর দ্বিমুখী তারিখ ” 02 02 20 20 ” দেখল বিশ্ববাসী!

    প্রায় ৯০০ বছর পর দ্বিমুখী তারিখ ” 02 02 20 20 ” দেখল বিশ্ববাসী!

    প্রায় ৯০০ বছর পর আজ একটি বিরল সংখ্যা (02 02 20 20) দেখল বিশ্ববাসী।

    আজ রবিবার ২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ইংরেজী এ তারিখটি একটি আন্তর্জাতিক প্যালিনড্রোম বা দ্বিমূখী তারিখ ।

    আজকের তারিখটি “দেশ / মাস / দিন / বছর” বা “দিন / মাস / বছর” হিসাবে যেভাবেই লিখেন না কেন এটি কার্যকর হয় যেকোনো বিপরীত দিক থেকেই ।

    এই জাতীয় তারিখগুলোকে “সর্বব্যাপী প্যালিনড্রোমস” বলে এবং এটি ১০১ বছরের জন্য আর পাওয়া যাবে না । এরপর এমন তারিখ দেখতে হলে, আপনাকে ৩ মার্চ, ৩০৩০ অবধি অপেক্ষা করতে হবে ।যা আজকে জন্মগ্রহণ করা কোন ব্যাক্তির জন্যও নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয় যে তারা পরবর্তী প্যালিনড্রোমস দেখতে পাবে।

    এই জাতীয় প্যালিনড্রোমের শেষ তারিখটি ছিল 11/11/1111 – যা প্রায় ৯০০ বছর আগের।

    প্যালিনড্রোম হল এমন কিছু বিশেষ শব্দ আর সংখ্যা যার আরম্ভ বা শেষ দুদিক থেকেই পড়লে শব্দের উচ্চারণ আর অর্থের কোনো বদল হয়না বা সংখ্যার মান একই থাকে (সংখ্যার ক্ষেত্রে)। মূল গ্রীক শব্দ প্যালিনড্রোমাস (অর্থ: Running back again) থেকে ইংরেজি প্যালিনড্রোম শব্দটি এসেছে καρκινικός থেকে । বাংলা ভাষায় একে দ্বিমুখী সংখ্যা বলা যায় ।

    এধরনের দ্বিমুখী শব্দ বা সংখ্যা সাজাতে যারা দক্ষ তাঁদের ‘পেলিনড্রোমিস্ট’ বলা হয়। প্যালিনড্রোমিক লেখা প্রাচীন ‘কিরাতার্জুনীয়’ কাব্যের বহু অনুচ্ছেদে দেখা যায় ।

    এমনই একটি অনুচ্ছেদ হলো- “সারস নয়না ঘন অঘ নারচিত রতার কলিক হর সার রসাসার রসাহর কলিকর তারত চিরনাঘ অনঘ নায়ন সরসা”। চতুর্দশ শতকে দৈবজ্ঞ সূর্য পণ্ডিতের লেখা ‘রামকৃষ্ণ বিলোম কাব্যম’ নামে ৪০টি শ্লোকের যে বিখ্যাত কবিতা রয়েছে তার রচনাশৈলীও ভারি অদ্ভুত। প্রতিটি শ্লোকই এক-একটি প্যালিনড্রোম।

    আবার কবিতাটি সামনে থেকে পড়লে রাম ও রামায়ণের কাহিনী আর পেছন থেকে পড়লে কৃষ্ণ ও মহাভারতের কাহিনী। যেমন ৩ নং শ্লোকে রয়েছে “তামসীত্যসতি সত্যসীমতা মায়য়াক্ষমসমক্ষয়ায়মা। মায়য়াক্ষমসমক্ষয়ায়মা তামসীত্যসতি সত্যসীমতা।

  • ই পাসপোর্ট কিভাবে পাবেন? জেনে নিন।

    ই পাসপোর্ট কিভাবে পাবেন? জেনে নিন।

    দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম এবং বিশ্বে ১১৯তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ডিআইপি ডটগভ ডটবিডির তথ্য অনুযায়ী, ই-পাসপোর্ট হলো একটি বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, যাতে একটি এমবেডেড ইলেকট্রনিক চিপ রয়েছে। এ চিপের মধ্যে রয়েছে বায়োমেট্রিক তথ্য, যা পাসপোর্টধারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ব্যবহার করা হয়। এতে মাইক্রোপ্রসেসর বা চিপ এবং অ্যান্টেনাসহ স্মার্টকার্ড প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। পাসপোর্টের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চিপে সংরক্ষণ করা হয়। ই-পাসপোর্টে যেসব বায়োমেট্রিক তথ্য নেয়া হয় সেসব হলো—ছবি, আঙ্গুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) ও আইরিশ। ইলেকট্রনিক বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থা (ই-বর্ডার) দিয়ে পাসপোর্ট চিপের বাইরের বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর তুলনামূলক যাচাই করা হয়। পাবলিক কি ইনফ্রাষ্ট্রাকচােরর (পিকেআই) মাধ্যমে পাসপোর্ট চিপে থাকা তথ্য যাচাই করা হয়। তাই জালিয়াতি করা কঠিন।

    সাধারণ পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্টের পার্থক্য হলো, এতে মোবাইল ফোনের সিমের মতো ছোট ও পাতলা আকারের চিপ থাকে। এতে ৩৮ ধরনের নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য থাকবে, যার অনেক বৈশিষ্ট্য থাকবে লুকানো অবস্থায়। ই-পাসপোর্ট করার সময় মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) তথ্যভাণ্ডারে পাওয়া তথ্যগুলো ই-পাসপোর্টে স্থানান্তর করা হবে।

    সাধারণ পাসপোর্টের মতো ই-পাসপোর্টের আবেদনও অনলাইনে পাওয়া যাবে। চাইলে পিডিএফ ফরম নামিয়ে নিয়ে হাতেও পূরণ করা যাবে। ফরম পূরণের সময় ছবি ও সত্যায়ন করা লাগবে না। তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আবেদনপত্র গ্রহণের সময় আবেদনকারীর ১০ আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের ছবি নেওয়া হবে। সেসব তথ্য চিপে যুক্ত হবে। ইমিগ্রেশন পুলিশ বিশেষ যন্ত্রের সামনে পাসপোর্টের পাতাটি ধরতেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে।

    ই-পাসপোর্ট দুই ধরনের। একটি ৪৮ পাতার, অন্যটি ৬৪ পাতার। সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরির জন্য ফি তিন ধরনের। দুই দিনের মধ্যে পাসপোর্ট দেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে। এ জন্য ফিও বেশি গুনতে হবে।

    প্রাথমিকভাবে ঢাকার উত্তরা, যাত্রাবাড়ী ও আগারগাঁও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট সেবা শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ৭২টি আঞ্চলিক ও বিভাগীয় অফিস এবং ৮০টি বিদেশি মিশনে চালু করা হবে।

    আবেদন করবেন যেভাবে

    ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে www.dip.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে গিয়ে আবেদন করা যাবে। সাইটে বাংলা বা ইংরেজি ভাষা নির্বাচন করে নেওয়ার সুবিধা আছে। সেখানে শুরুতেই অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন: নতুন/রি-ইস্যু বাটন পাওয়া যাবে। এখানে ক্লিক করে সরাসরি আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু করা যাবে। এর আগে দেখে নিতে পারেন ই-পাসপোর্ট আবেদনের ৫টি (পাঁচ) ধাপ। একটি ধাপ হচ্ছে বর্তমান বসবাসরত জেলাতে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু হয়েছে কি না, তা দেখা। এর পরেরগুলো হচ্ছে অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরম, পাসপোর্ট ফি পরিশোধ, ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ ও পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ। এর মধ্যে খেয়াল রাখতে হবে, কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই, আবেদনকারীর ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ ও আইরিশের ছবি গ্রহণ, যথাযথভাবে পাসপোর্ট ফি পরিশোধ হয়েছে কি না এবং তালিকাভুক্তির পর সরবরাহ করা ডেলিভারি স্লিপ সংরক্ষণ। পাসপোর্ট গ্রহণের সময় ডেলিভারির রসিদ প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া সর্বশেষ পুরোনো পাসপোর্ট (যদি থাকে) নিতে হবে। ই-পাসপোর্ট আবেদন অনলাইনে দাখিল করার সময়ে পাসপোর্ট ফি পরিশোধ করা যাবে। পাসপোর্ট ফি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করা হবে। বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিসের আবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে অনলাইনে পেমেন্ট করা যাবে। অনলাইন পেমেন্ট ছাড়াও ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া এবং ঢাকা ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া যাবে। সোনালী ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে অনলাইন পেমেন্ট দেওয়া হয় এবং এখন পর্যন্ত চালু করা অনলাইন পেমেন্ট পদ্ধতি হলো স্টারকার্ড, ভিসা, কিউ-ক্যাশ, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বিকাশ ও ডিবিবিএল নেক্সাস। অনলাইনে পেমেন্ট করার জন্য আপনার ব্রাউজারের পপ-আপ ব্লকার অক্ষম করতে হবে।

    ফি কত

    ৫ বছর মেয়াদি ২১ দিনের নিয়মিত সরবরাহ ৪ হাজার ২৫ টাকা, ১০ দিনের দ্রুত সরবরাহ ৬ হাজার ৩২৫ টাকা, ২ দিনে সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি ৮ হাজার ৬২৫ টাকা। ৪৮ পৃষ্ঠা ১০ বছর মেয়াদি ২১ দিন ডেলিভারি ৫ হাজার ৭৫০ টাকা, ১০ দিনের ডেলিভারি ৮ হাজার ৫০ টাকা ও ২ দিনের ডেলিভারি ১০ হাজার ৩৫০ টাকা। ৬৪ পৃষ্ঠা ৫ বছর মেয়াদি ২১ দিনের ডেলিভারি ৬ হাজার ৩২৫, ১০ দিনের ডেলিভারি ৮ হাজার ৬২৫, ২ দিনের ডেলিভারি ১২ হাজার ৭৫ টাকা, ৬৪ পৃষ্ঠা ১০ বছর মেয়াদি ২১ দিনের ডেলিভারি ৮ হাজার ৫০, ১০ দিনের ডেলিভারি ১০ হাজার ৩৫০, ২ দিনের ডেলিভারি ১৩ হাজার ৮০০ টাকা।

    ই-পাসপোর্টের সুবিধা

    ই-পাসপোর্টের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এর মাধ্যমে ই-গেট ব্যবহার করে খুব দ্রুত ও সহজে ভ্রমণকারীরা যাতায়াত করতে পারবেন। ফলে বিভিন্ন বিমানবন্দরে ভিসা চেকিংয়ের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হবে না। এর মাধ্যমেই ইমিগ্রেশন দ্রুত হয়ে যাবে। ই-গেটের নির্দিষ্ট স্থানে পাসপোর্ট রেখে দাঁড়ালে ক্যামেরা ছবি তুলে নেবে। থাকবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাইয়ের ব্যবস্থাও। সব ঠিক থাকলে তিনি ইমিগ্রেশন পেরিয়ে যেতে পারবেন। কোনো গরমিল থাকলে জ্বলে উঠবে লালবাতি। কারও বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকলে, সেটিও জানা যাবে সঙ্গে সঙ্গে।

    জেনে রাখুন

    ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি) অনুযায়ী পূরণ করতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী, যার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তার পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র অনলাইনে অথবা পিডিএফ ফরমেট ডাউনলোড করে পূরণ করা যাবে। এতে কোনো ছবি এবং কোনো ধরনের কাগজপত্র সত্যায়নের প্রয়োজন নেই। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদপত্রসহ বাবা-মায়ের এনআইডির কপি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আবেদনপত্র গ্রহণের সময় হাতের ১০ আঙুলের ছাপ, ছবি ও চোখের আইরিশ ফিচার নেওয়া হবে। ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হবে। অতি জরুরি ক্ষেত্রে ই-পাসপোর্ট করার জন্য প্রি-পুলিশ ভেরিফিকেশন নিজ উদ্যোগে করে নিয়ে যেতে হবে। প্রচলিত ব্যবস্থার মতো ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ভিসার বিষয়টি একই থাকবে। ভিসা কর্তৃপক্ষ বা দূতাবাসগুলো এই পিকেডি ব্যবহার করে আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করে নিতে পারবে। এরপর বইয়ের পাতায় ভিসা স্টিকার, সিল দিতে পারবে বা বাতিল করে দিতে পারবে। ই-পাসপোর্টের পাশাপাশি এমআরপিও চালু থাকবে। তবে নতুন করে কাউকে এমআরপি দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে সব এমআরপি তুলে নেওয়া হবে। আবেদন করার বিস্তারিত নিয়মাবলি অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে।

    অনলাইন চেক

    ই-পাসপোর্ট পোর্টালে ‘স্ট্যাটাস চেক’ করা যাবে। জন্মতারিখ ও আবেদনের ক্রমিক সংখ্যা দিয়ে সার্চ অপশনে ক্লিক করতে হবে। আপনার অনলাইন পোর্টাল অ্যাকাউন্ট থেকে আপনার সব আবেদনের অবস্থা দেখতে পারেন।

  • ল্যাপটপ এর সাধারণ কিছু কথা

    ল্যাপটপ এর সাধারণ কিছু কথা

    ল্যাপটপ হলো একধরনের বহনযোগ্য ব্যক্তিগত কম্পিউটার যা দেখতে অনেকটা ঝিনুক আকৃতির। ঝিনুকের মত এর ডিসপ্লের পার্টটা উপরের দিকে খুলে তারপর কাজ করতে হয়।

    ল্যাপটপ নাম একটি কারণ হলো এটি যে কোন স্থানে যে কোন প্রজিশনে হাটুর উপর রেখে বা টেবিলে রেখে, বালিশে রেখে, শোয়ার সময় লেপ বা চাদরের উপরে রেখে ও কাজ করা যায়।

    আমরা যারা ডেক্সটপ সমন্ধে জানি তারা অবশ্যই জানি যে একটি ডেক্সটপ দিয়ে লেখালেখি, হিসাব করা, ভিডিও দেখা, অডিও গান শুনা, ইন্টারনেট চালানো, ছবি ইডিট করা, প্রোগামিং করা ইত্যাদিসহ আরো অনেক কাজ করা যায়।

    এই কাজ গুলো করার জন্য একটি ডেক্সটপের দরকার হয় আলাদা আলাদা বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসের। যেমন: গান শুনার জন্য স্পিকার, ভিডিও দেখার জন্য মনিটর, লেখালেখি করার জন্য কিবোর্ড, ইত্যাদি সবগুলো ডিভাইস বা যন্ত্রের সমন্বয়েই একটি ডেক্সটপ গঠিত।

    তবে ল্যাপটপ হলো এই সবগুলো ডিভাইস একত্রিত করে একটি পেকেজ ডিভাইস।

    ল্যাপটপ একটি ছোট ডিভাইস এবং এই ছোট্ট ডিভাইসটিতেই একই সাথে আপনি পাবেন মনিটর, কিবোর্ড, মাউস, স্পিকার, মাইক্রোফোন, ওয়েবক্যাম এছাড়াও আরো অনেক কিছু।

    ল্যাপটপের আরো বড় একটি সুবিধা হলো এটি বিদ্যুৎ ছাড়াও বেশ কিছুক্ষণ চলে এটার মধ্যে থাকা ব্যাটারির মাধ্যমে। তবে হ্যা কাজ করার দিক দিয়ে ল্যাপটপ এবং ডেক্সটেপের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।

    আপনি একটি ডেক্সটপ ব্যবহার করে যে যে কাজ করতে পারবেন ঠিক একই কাজগুলো আপনি একটি ল্যাপটর ব্যবহার করেও করতে পারবেন।

    ১৯৬৮ সালে সর্ব প্রথম বহনযোগ্য ব্যাক্তিগত কম্পিউটার তৈরি হয় এবং তা বাজারে আসে ১৯৭১ সালে।

    তবে প্রথম দিকে এই ধরনের কম্পিউটার গুলো শুধু মাত্র বিশেষ কাজে ব্যবহার করা হতো। যেমন: সেনাবাহিনিতে সেনারদের জন্য, গবেষনা বা হিসাব বিজ্ঞানের কাজে। যা আসতে আসতে আজকের এই আধুনিক ল্যাপটপে রুপান্তর হয়।

    সেই সময়ের ল্যাপটপের তুলনায় আজকের ল্যাপটপগুলো অনেক বেশি ছোট , হালকা, সহজে বহনযোগ্য, সস্তা, ও উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ও হয়েছে।

    তাই বর্তমানে ব্যাক্তিগত কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহারিত কম্পিউটার হচ্ছে ল্যাপটপ।

    বাংলাদেশে বর্তমানে ল্যাপটপ এর মূল্য সাধারণ মানুষের হাতের নাগালেই রয়েছে। ১৫,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ১ লক্ষ্ টাকার অধিক দামের ল্যাপটপ ও রয়েছে। এসব ল্যাপটপ আপনি লোকাল মার্কেট ছাড়াও অনলাইন শপগুলোতে পাবেন।

    তথ্যসূত্রঃ Techradar