Category: মাধবপুর

  • ভারতের অবৈধ পুশইনের প্রতিবাদে মাধবপুরে ১১ দলের মানববন্ধন

    ভারতের অবৈধ পুশইনের প্রতিবাদে মাধবপুরে ১১ দলের মানববন্ধন

    ভারত কর্তৃক বাংলাদেশে অবৈধভাবে পুশইনের প্রতিবাদে হবিগঞ্জের মাধবপুরে ১১ দলের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার সকালে মাধবপুর উপজেলা পরিষদ গেইটের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মাধবপুর উপজেলা শাখার নায়েবে আমীর মাওলানা আবুল হাসিম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা সেক্রেটারি মোস্তফা কামাল।

    মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হবিগঞ্জ জেলা শাখার শুরা সদস্য ও মাধবপুর উপজেলা আমীর মাওলানা আলাউদ্দিন ভূঁইয়া।

    তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী যেকোনো অবৈধ পুশইন কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। সীমান্তে মানবাধিকার ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষায় সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”

    এসময় বক্তব্য রাখেন মাধবপুর উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হাফিজ ভূঁইয়া, উপজেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য রবিউল আলম, মাওলানা শরিফ উদ্দিন মাসুম এবং শামসুর রহমান।

    আরও বক্তব্য রাখেন মাধবপুর পৌর জামায়াতের সভাপতি আব্দুর রহমান খান সোহাগ এবং সেক্রেটারি আব্দুস সামাদ মানিক।

    বক্তারা ভারতের অবৈধ পুশইনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্তে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। তারা দেশের সার্বভৌমত্ব ও নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

    মানববন্ধনে ১১ দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

  • মাধবপুর ভূমি অফিসে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য, স্থবির ভূমি সেবা কার্যক্রম

    মাধবপুর ভূমি অফিসে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য, স্থবির ভূমি সেবা কার্যক্রম

     

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকট থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। নামজারি-খারিজ, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, জমির রেকর্ড সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবার জন্য প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ অফিসে এলেও প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভাবে তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ফলে সেবাপ্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

    উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সেবাগ্রহীতারা জানান, একটি সাধারণ কাজ সম্পন্ন করতেও তাদের একাধিকবার ভূমি অফিসে যেতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভাবে ফাইলের কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ—দুটোরই অপচয় হচ্ছে।

    ধর্মঘর ইউনিয়ন-এর বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, চিকিৎসাজনিত কারণে জমি বিক্রির প্রয়োজন হলেও নামজারি-খারিজের কাজ দীর্ঘদিন ধরে সম্পন্ন করতে পারছেন না। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও বারবার অফিসে যেতে হচ্ছে। তার অভিযোগ, মাধবপুর ভূমি অফিসে প্রায় দুই বছর ধরে কানুনগোর পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া একমাত্র সার্ভেয়ারকে কয়েক মাস আগে বদলি করা হয়েছে। বর্তমানে সার্ভেয়ার ও কানুনগো না থাকায় জমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং জমি ক্রয়-বিক্রিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

    আরেক সেবাপ্রার্থী আমজাদ মিয়া বলেন, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ ও রেকর্ড-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের মতো সাধারণ কাজেও ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। মাধবপুর একটি বৃহৎ উপজেলা হওয়ায় এখানে ভূমি-সংক্রান্ত কাজের চাপ অনেক বেশি। কিন্তু সেই তুলনায় জনবল অত্যন্ত কম। ফলে বিদ্যমান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং সেবার গতি ব্যাহত হচ্ছে। তিনি দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

    এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মজিবুল ইসলাম বলেন, “উপজেলা ভূমি অফিসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। সীমিত জনবল দিয়ে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। জনবল বৃদ্ধি পেলে সেবার গতি আরও বাড়বে।”

     

  • মাধবপুরে অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ২ ড্রেজার ধ্বংস

    মাধবপুরে অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ২ ড্রেজার ধ্বংস

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ২টি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করা হয় এবং প্রায় ৩ হাজার ফুট পাইপ বিনষ্ট করা হয়।

    মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের গোকুলপুর এলাকায় পরিবেশ রক্ষা ও কৃষিজমি সংরক্ষণের লক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানে অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলনে ব্যবহৃত ২টি ড্রেজার মেশিন অকেজো করা হয়। পাশাপাশি একটি এক্সকাভেটর (খননযন্ত্র) থেকে ২টি ব্যাটারি জব্দ করা হয়েছে।

    মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুজিবুল ইসলাম অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

    তিনি জানান, অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলনের কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং স্থানীয় জনগণ নানা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবে।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষায় অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • মাধবপুরে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নি হত

    মাধবপুরে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নি হত

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অজ্ঞাত যানবাহনের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত আনুমানিক ১২টা ৫ মিনিটে মাধবপুর থানাধীন নোয়াপাড়া সাহেবনগর গেইট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন ঢাকা খিলক্ষেত এলাকার পাতিরা গ্রামের আশিক আহমেদ (২৫) ও নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার বাগবের এলাকার আবুল বাশার (৩৫)।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সিলেটগামী একটি মোটরসাইকেলকে অজ্ঞাতনামা একটি গাড়ি ধাক্কা দিলে মোটরসাইকেল আরোহী দুইজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশিক আহমেদকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে আবুল বাশার মারা যান।

    খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

    জানা গেছে, নিহত দুই বন্ধু বেড়ানোর উদ্দেশ্যে সিলেটে যাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • মাধবপুরে মহাসড়কে ২৫০টি মেহগনি বল্লীসহ ট্রাক আটক, গ্রেপ্তার ১

    মাধবপুরে মহাসড়কে ২৫০টি মেহগনি বল্লীসহ ট্রাক আটক, গ্রেপ্তার ১

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের জগদীশপুর বিট কাম চেক স্টেশন এলাকায় ২৫০টি মেহগনি বল্লী ভর্তি একটি ট্রাকসহ একজনকে আটক করেছে বন বিভাগ।

    সোমবার (২৫ মে) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মাধবপুর উপজেলার রঘুনন্দন বন রেঞ্জের অভিযানে অবৈধভাবে পরিবহন করা এসব মেহগনি বল্লী (গোল কাঠ) জব্দ করা হয়।

    জানা যায়, সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. আব্দুর রহমানের নির্দেশনায় রঘুনন্দন বন রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এম এম এইচ রহু ইয়ানের নেতৃত্বে জগদীশপুর বন বিট কর্মকর্তা (ডেপুটি ফরেস্ট রেঞ্জার) জহিরুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করেন।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের সামনে একটি ট্রাককে থামানোর সংকেত দেওয়া হয়। এ সময় ট্রাকচালক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বন বিভাগের সদস্যরা তাকে আটক করেন।

    আটককৃত ট্রাকটি ঢাকা মেট্রো-ট-২২-০৩৫১ নম্বরের। ট্রাকটিতে থাকা ২৫০টি মেহগনি বল্লীসহ চালক মো. সবরুজ্জামানকে আটক করা হয়েছে।

    অভিযান পরিচালনাকারী রঘুনন্দন বন রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এম এম এইচ রহু ইয়ান জানান, এক শ্রেণির দুষ্কৃতিকারী বন আইন অমান্য করে রাতের আঁধারে মহাসড়ক ব্যবহার করে অবৈধভাবে বনাঞ্চলের গাছ পাচার করে থাকে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড রোধে বন বিভাগের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    তিনি আরও জানান, জব্দকৃত মেহগনি বল্লী ও ট্রাক বন বিভাগের হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতেও গাছ চুরি ও পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চলবে।

  • মাধবপুরে কলেজ মাঠ ও রেললাইনে গরুর হাটের অনুমতি নিয়ে সমালোচনা

    মাধবপুরে কলেজ মাঠ ও রেললাইনে গরুর হাটের অনুমতি নিয়ে সমালোচনা

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় আসন্ন কোরবানিকে সামনে রেখে অস্থায়ী গরুর হাট বসানোর জন্য কলেজের মাঠ ও রেললাইনের পাশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা অনুমোদন দেওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ সিদ্ধান্ত জননিরাপত্তা ও সরকারি বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

    জানা গেছে, মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অনুমোদনে বহরা ইউনিয়নের মনতলা সরকারি শাহজালাল কলেজের মাঠসহ রেললাইনের সংলগ্ন এলাকায় হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অথচ সরকারি বিধিমালার ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, খেলার মাঠ, রেললাইন সংলগ্ন এলাকা এবং সড়কের পাশে বাজার বসানো নিষিদ্ধ বলে উল্লেখ রয়েছে।

    এদিকে নির্ধারিত কলেজ মাঠটির অবস্থা এমনিতেই নাজুক। স্থানীয়দের আশঙ্কা, সেখানে গরুর হাট বসানো হলে মাঠটি সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি রেললাইনের পাশে হাট বসানো হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়বে বলেও মনে করছেন সচেতন মহল।

    আরও অভিযোগ উঠেছে, অস্থায়ী হাটগুলোর দরপত্র প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। একদিনেই দরপত্র ফরম বিক্রি, জমা ও খোলার দিন নির্ধারণ করায় অনিয়মের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

    অন্যদিকে, পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী গরুর বাজারটি ইজারা না দিয়ে খাস কালেকশনের মাধ্যমে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেখানে ১ লাখ টাকার নিচের গরুর জন্য মাত্র ৫০০ টাকা এবং এর বেশি মূল্যের গরুর জন্য ১০০০ টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে উপজেলার বাকি ১৭টি অস্থায়ী হাটের ইজারাদাররা ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    স্থানীয়দের মতে, পৌর বাজারে কম টোল নির্ধারণের কারণে অধিকাংশ ক্রেতা সেখানে ভিড় করবেন, ফলে অন্যান্য হাটে ক্রেতা সংকট দেখা দিতে পারে।

    এ বিষয়ে স্থানীয় পরিবেশকর্মী বিশ্বজিৎ পাল বলেন, “নিজেরা বিধিমালা ভঙ্গ করে কলেজ মাঠের মতো স্থানে হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হাস্যকর। বিষয়টি দ্রুত পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।”

    এদিকে, ইউএনও জাহিদ বিন কাসেমের মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

    স্থানীয়দের দাবি, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ন্যায্য প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে বিধি মোতাবেক হাটের স্থান নির্ধারণ ও টোল ব্যবস্থায় ভারসাম্য আনা জরুরি।

  • অধিক দুধ উৎপাদন ও লাভজনক খামার গঠনে খামারিদের প্রশিক্ষণ

    অধিক দুধ উৎপাদন ও লাভজনক খামার গঠনে খামারিদের প্রশিক্ষণ

    অধিক দুধ উৎপাদন ও লাভজনক খামার গড়ে তুলতে হবিগঞ্জের মাধবপুরে খামারিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (২০ মে) ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে উপজেলার গুড ডে ফুড অ্যান্ড ফ্যামিলি পার্কের কনফারেন্স হলরুমে “গাভী পালন ও লাভজনক খামার ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

    খামার পর্যায়ে দক্ষতা ও আয় বৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে মাধবপুর উপজেলার ৩৩ জন খামারি অংশগ্রহণ করেন।

    প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মো. সাকিব মিয়া। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মো. আক্তারুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য দেন হবিগঞ্জের এরিয়া সেলস ম্যানেজার মো. শহীদুল ইসলাম।

    প্রশিক্ষণে গাভীর সঠিক পরিচর্যা, সুষম পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, আধুনিক কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি, রোগ প্রতিরোধে টিকাদান এবং লাভজনক খামার পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি খামারিদের বাস্তব সমস্যার সমাধান এবং উৎপাদন বৃদ্ধির কার্যকর কৌশল সম্পর্কেও পরামর্শ দেওয়া হয়।

    প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ এবং সকল অংশগ্রহণকারীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

    অংশগ্রহণকারী খামারিরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের খামার ব্যবস্থাপনায় নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে সহায়ক হবে এবং ভবিষ্যতে অধিক দুধ ও মাংস উৎপাদনের মাধ্যমে লাভ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।