Category: মাধবপুর

  • এক পরিবারের দুই ভাই দুই এমপিওভুক্ত হাইস্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি

    এক পরিবারের দুই ভাই দুই এমপিওভুক্ত হাইস্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় দুটি এমপিওভুক্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে একই পরিবারের দুই ভাইয়ের নাম আসায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

     

    উপজেলার বহড়া ইউনিয়নের আউলিয়াবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী। অপরদিকে পার্শ্ববর্তী এমপিওভুক্ত অপরূপা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে তার ভাই এডভোকেট নিজাম খা   নাম এক নম্বরে রেখে প্রস্তাব করে সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, অল্প সময়ের মধ্যেই তার মনোনয়নের প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

     

    বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সংসদ সদস্যের পছন্দের তালিকা অনুযায়ী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর সুপারিশের ভিত্তিতে প্রার্থীদের নাম বোর্ডে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ইউএনও’র নির্ধারিত পছন্দের ব্যক্তিদেরই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রস্তাব করা হচ্ছে এবং দলীয় বিবেচনায় বিশেষ ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এমনকি সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকেও এ ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।

     

    এদিকে আন্দিউড়া ইউনিয়নের উমেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি নিয়েও এলাকায় আন্দোলন চলছে বলে জানা গেছে।

     

    স্থানীয় বাসিন্দা মন্ডল আলী বলেন, “এলাকায় আরও অনেক যোগ্য ব্যক্তি রয়েছেন, তাদেরও সুযোগ দেওয়া যেতে পারত। তবে তারা যদি ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে সেটি অবশ্যই ইতিবাচক হবে।”

     

    এ বিষয়ে জানতে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

     

    মাধবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, “দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটির সভাপতি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। অন্যটির বিষয়েও শিগগিরই সিদ্ধান্ত আসতে পারে। একই পরিবারের দুইজন হওয়ায় কোনো বিধিনিষেধ নেই। তারা উভয়ই আইনজীবী হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।”

  • কন্ডাক্টর ছিঁড়ে সিলেট অঞ্চলে ব্যাপক লোডশেডিং, কারণ জানাল বিদ্যুৎ বিভাগ

    কন্ডাক্টর ছিঁড়ে সিলেট অঞ্চলে ব্যাপক লোডশেডিং, কারণ জানাল বিদ্যুৎ বিভাগ

    সিলেট অঞ্চল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী ও আশপাশের এলাকায় চলমান ব্যাপক লোডশেডিংয়ের কারণ জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। ভুলতা-নরসিংদী ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কন্ডাক্টর ছিঁড়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে ভুলতা গ্রিডের নিকটবর্তী ভুলতা-টু-নরসিংদী ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনের ‘ওয়াই (Y) ফেজ’ কন্ডাক্টর ছিঁড়ে যায়। এর ফলে নরসিংদী গ্রিড উপকেন্দ্রে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়।

    পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প ব্যবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জ থেকে নরসিংদী গ্রিড উপকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখা হয়েছে। তবে সঞ্চালন সক্ষমতা কমে যাওয়ায় সিলেট অঞ্চল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নরসিংদী এলাকায় ব্যাপক লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে পাঁচটি স্প্যানজুড়ে কন্ডাক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কন্ডাক্টর পরিবর্তনের কাজ শুরু হয়েছে। মেরামত কাজ শেষ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে আগামী রোববার বা সোমবার পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সাময়িক এ ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

    বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে গ্রাহকদের ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছে, দ্রুততম সময়ে মেরামত কাজ সম্পন্ন করে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

  • ৩ দিনের নোটিশে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি লোকবল নিয়োগ নিয়ে সমালোচনা

    ৩ দিনের নোটিশে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি লোকবল নিয়োগ নিয়ে সমালোচনা

    সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় মাত্র তিন দিনের নোটিশে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য লোকবল নিয়োগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    সিলেট বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত চিঠিতে ২৩ জুলাই থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে লোকবল নিয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট জেলা-উপজেলাগুলোতে তড়িঘড়ি করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

    তবে এত স্বল্প সময়ের মধ্যে আবেদনকারীদের কাছে তথ্য পৌঁছানো এবং মাঝখানে শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এতে অনেক আগ্রহী প্রার্থী আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

    জানা গেছে, ২২ জুলাই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় এবং ২৫ জুলাই পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এত অল্প সময়ে প্রস্তুতি নেওয়া কঠিন বলে জানিয়েছেন প্রার্থীরা। এছাড়া আবেদন ফরম সমাজসেবা অফিসে অফিস চলাকালীন সময়ে জমা দিতে বলা হলেও ছুটির কারণে কার্যত সময় আরও সীমিত হয়ে পড়েছে।

    আবেদনকারীদের দাবি, সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সময়সীমা বৃদ্ধি করা হোক এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করা প্রয়োজন।

    এ বিষয়ে হবিগঞ্জ জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান বলেন, “এটি বিভাগীয় কার্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হয়েছে, আমাদের করার কিছু নেই।”

    মাধবপুর মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরাশউদ্দিন বলেন, “এটি একেবারেই অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত। এর পেছনে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে। যোগ্য প্রার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সময় বাড়ানো প্রয়োজন।”

    এ বিষয়ে জানতে সিলেট বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক শহিদুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

  • মাধবপুরে ১৩ দিনে ৪ আত্মহত্যা, বাড়ছে সামাজিক উদ্বেগ

    মাধবপুরে ১৩ দিনে ৪ আত্মহত্যা, বাড়ছে সামাজিক উদ্বেগ

    আবুল হাসান ফায়জ: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় হঠাৎ করেই আত্মহত্যার প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।

    মাত্র ১৩ দিনের ব্যবধানে তিন নারী ও এক পুরুষসহ চারজনের আত্মহত্যার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন সংকটকে এসব ঘটনার সম্ভাব্য পটভূমি হিসেবে উল্লেখ করছেন স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

    সর্বশেষ গত ১৫ জুলাই উপজেলার হাড়িয়া গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে আনিতা বেগম (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত আনিতা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। তাঁর স্বামী বুলবুল আহমদ স্থানীয় একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত।

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    এর আগে গত ৬ জুলাই নোয়াপাড়া চা বাগানের চা-শ্রমিক প্রকাশ রেলী (২৬) আত্মহত্যা করেন। পরিবারের দাবি, সুদখোর মহাজনের ঋণের চাপ ও মানসিক দুশ্চিন্তা সহ্য করতে না পেরে তিনি এ পথ বেছে নেন।

    এরও দুই দিন আগে, গত ৪ জুলাই জগদীশপুর চা বাগানের শ্রমিক সবিতা বাউরী (৩০) আত্মহত্যা করেন। তবে তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পরিবারের সদস্যরা প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। একই দিনে উপজেলার খাটুরা গ্রামের সুমা সরকার (২০) নামের আরও এক তরুণীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।

    স্বল্প সময়ে একের পর এক আত্মহত্যার ঘটনায় মাধবপুরের সাধারণ মানুষের মধ্যে মানসিক ও সামাজিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, প্রেম বা দাম্পত্য সম্পর্কের টানাপোড়েন, পারিবারিক কলহ, ঋণের চাপ, বেকারত্ব, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, একাকীত্ব এবং স্থানীয় পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সীমিত সুযোগ মানুষকে চরম হতাশার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

    এ বিষয়ে বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. বিজয় কুমার দত্ত বলেন, “আত্মহত্যা সাধারণত কোনো একক কারণে ঘটে না। মানসিক, পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক নানা চাপ একসঙ্গে কাজ করে একজন মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। তাই প্রতিটি ঘটনাকে সংবেদনশীলভাবে দেখতে হবে এবং তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।”

    তিনি আরও বলেন, “পরিবারের কেউ দীর্ঘদিন বিষণ্নতায় ভুগলে, অতিরিক্ত হতাশা প্রকাশ করলে বা নিজেকে গুটিয়ে নিলে বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ এবং পরিবারের সমর্থন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”

    মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহেল রানা জানান, প্রতিটি ঘটনার আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    তিনি আরও বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি আত্মহত্যার মতো সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে সমাজের সর্বস্তরে সচেতনতা সৃষ্টি করা অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় সামান্য ভুল বোঝাবুঝি বা আবেগের বশে মানুষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। তাই পারিবারিক বন্ধন ও সামাজিক মূল্যবোধ আরও জোরদার করতে হবে। পুলিশ যেকোনো সংকটকালীন পরিস্থিতিতে সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।”

  • মাধবপুরে হাসপাতাল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বাশার, সম্পাদক খায়ের

    মাধবপুরে হাসপাতাল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বাশার, সম্পাদক খায়ের

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলার একটি মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এশেদুল হক জিন্টু। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইমরুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ ইমদাদ এবং হবিগঞ্জ এ.কে. হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিসবাহ।

    সম্মেলনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবুল বাশার সভাপতি নির্বাচিত হন। গোপন ব্যালটের মাধ্যমে মো. আবুল খায়ের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়া ওবায়দুর রহমান রাসেল সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তপন দেব রায় কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হন।

    পরবর্তীতে নবনির্বাচিত কমিটির পরামর্শক্রমে মো. নাজমুল হককে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মো. জহির উদ্দিন ভূইয়া (শিহাব)কে সহ-সভাপতি, হাফেজ নবীর হোসাইনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো. সামছুল আলমকে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, উজ্জ্বল খানকে দপ্তর সম্পাদক, হাফেজ শামসুর রহমানকে প্রচার সম্পাদক, সুমন দাসকে সমাজকল্যাণ সম্পাদক এবং মুহাম্মদ আবুল হোসেন কয়েসকে সহকারী সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. ইমরুল হাসান বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সরকারি নীতিমালা মেনে পরিচালনা এবং সব ধরনের লাইসেন্স হালনাগাদ রাখার আহ্বান জানান।

  • বন বিভাগ ও সাতছড়ির সিএমসির যৌথ অভিযানে ২৪টি বন্যপাখি উদ্ধার

    বন বিভাগ ও সাতছড়ির সিএমসির যৌথ অভিযানে ২৪টি বন্যপাখি উদ্ধার

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে বন বিভাগ, সাতছড়ি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি (সিএমসি) ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ২৪টি বন্যপাখি উদ্ধার করা হয়েছে।

     

    বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার বাঘাসুরা ইউপির কালিকাপুর এলাকায় দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে এসব পাখি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পাখির মধ্যে রয়েছে— ৩টি টিয়াপাখি, ৪টি শালিক, ৬টি ঘুঘু, ৬টি ডাহুক, ১টি কোড়া, ১টি বালিহাঁস ও ৩টি ময়না।

    অভিযান চলাকালে বন বিভাগের সদস্যরা পাখি শিকারীদের বাধার মুখেও পড়েন বলে জানা গেছে।

     

    উদ্ধার শেষে ডাহুক, কোড়া ও বালিহাঁস শাহজাহানপুরের কাটেঙ্গা বিলে অবমুক্ত করা হয়। এছাড়া টিয়া, শালিক ও ঘুঘু পাখিগুলো সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গভীর বনে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    সাতছড়ি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম আবুল বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের সদস্যরা তথ্য সংগ্রহ করে। পরে বন বিভাগ ও পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়। বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

    অভিযানে সহযোগিতা করেন মাধবপুর মডেল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরাসউদ্দীন। তিনি বলেন, এমন উদ্যোগের মাধ্যমে বন্যপ্রাণীরা নিরাপদে ও স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকতে পারবে।

    সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোবারক হোসেন বলেন, বন্যপ্রাণী ধরে রাখা বা পালন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। উদ্ধারকৃত পাখিগুলো যথাযথভাবে অবমুক্ত করা হয়েছে।

  • মাধবপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ

    মাধবপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ

    হৃদয় এস এম শাহ্-আলম: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এ কৃতিত্বপূর্ণ ফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে।

     

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে মাধবপুরে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।

     

    মাধবপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুফতি শফিকুল ইসলাম ডালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান, মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কবির আহমেদ, অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মাঈনুল ইসলাম জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক আলমাছ খান টুটুল, সহ-সভাপতি কাজী আব্দুল বাছির, কোষাধ্যক্ষ মো. কুদ্দুছ, উপদেষ্টা উজ্জ্বল, শাহীন মিয়া, আল আমিন ইসলাম ও এখলাছুর রহমানসহ অনেকে।

     

    অনুষ্ঠানে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

     

    বক্তারা তাদের বক্তব্যে শিক্ষার মানোন্নয়নে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, নৈতিক মূল্যবোধ অর্জন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

     

    অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।